বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

যে মহিলাকে বন্দিদশা থেকে স্বাধীন করেছিলেন ট্রাম্প, তিনিই ভোট দিলেন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে!

যে মহিলাকে বন্দিদশা থেকে স্বাধীন করেছিলেন ট্রাম্প, তিনিই ভোট দিলেন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে!

ট্রাম্প আসলে ভাল নেতা নন, বলছেন আয়া, ট্রাম্পের আগাগোড়া জুড়ে রয়েছে তাঁর অহং৷

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: হড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেনের মধ্যে৷ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে শেষ মুহূর্তে একেবারে টানটান রুদ্ধশ্বাস লড়াই৷ কখনও পাল্লা ভারি ট্রাম্পের তো কখনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন বাইডেন৷ এরই পাশাপাশি চলছে ভোট নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ ও আলোচনা৷ এমনই এক আলোচনায় উঠে এল এক মহিলার কথা, যাঁকে বন্দিদশা থেকে মুক্তি দেওয়ার পিছনে ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় অবদান৷ তবে তিনিই ভোট দিলেন ট্রাম্পের প্রতিপক্ষকে৷ এমনকি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরব হয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তুলোধনা করেছেন তিনি৷

ইজিপশিয়ান-আমেরিকান আয়া হিজাজি ২০১৪র মে মাস থেকে ২০১৭-র এপ্রিল পর্যন্ত কায়রোর জেলে বন্দি ছিলেন৷ বেলাডি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আয়া তাঁর সংস্থার তরফে সাহায্য করতেন পথ শিশুদের৷ সেই কাজের জন্যই বেলাডি ফাউন্ডেশন তৈরি করেন তিনি৷ তবে পথ শিশুদের অধিকার লড়াইয়ে শামিল আয়ার বিরুদ্ধে ওঠে শিশু হেনস্থার অভিযোগ৷ যার জেরে মিশরের কায়রোতে তাঁর শাস্তি হয় এবং সেখানে জেলে ছিলেন তিনি৷ তাঁকে মুক্তি দিতে বারাক ওবামা উদ্যত হলেও, তা ওবামা আমলে থমকেই যায়৷ পরবর্তীকালে ট্রাম্প জমানায় কায়রোর জেল থেকে মুক্তি মেলে আয়ার৷

আরও পড়ুন শুধু বাবা ট্রাম্প নন, ছেলেও একই রকমভাবে বিতর্ক তৈরি করলেন, ভারতের মানচিত্র থেকে উড়িয়ে দিলেন জম্মু-কাশ্মীর!

মুক্তির পর ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকারের বর্ণনা দিয়েছেন বেলাডি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আয়া৷ তিনি লেখেন, ট্রাম্প হাল্কা ঝুঁকে বলেন, আপনি জানেন যে আমিই আপনাকে মুক্তি দিয়েছি৷ আমি জিতেছি, ওবামা হেরেছে৷ এই বর্ণনার সঙ্গে আয়া সেই সময় তাঁর মানসিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন৷ তিনি বলেন যে ট্রাম্পের এই হেন মন্তব্য তাঁর কাছে ছিল বিষের মতো৷ কারণ মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে তিনি জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন এবং মানসিকভাবে বিদ্ধস্ত ছিলেন৷ ট্রাম্প আসলে ভাল নেতা নন, বলছেন আয়া, ট্রাম্পের আগাগোড়া জুড়ে রয়েছে তাঁর অহং৷ প্রসিডেন্ট হিসেবে মার্কিনিরা আরও ভাল মানুষ পাওয়ার যোগ্য, তাই বাইডেনকে ভোট দিন৷

এরপরও আয়া বলেন, ট্রাম্পের এই আচরণের পর আমি ভয় পেয়েছিলাম৷ কারণ ট্রাম্পের কাছে আনুগত্য মানে তাঁর গোলাম হয়ে যাওয়া৷ কিন্তু কোনও সরকারের উচিৎ নয় নাগরিক আনুগত্যের, জন সাধারণকে স্বাধীনতা দেওয়াই লক্ষ্য থাক সরকারের৷ আবারও তিনি ট্রাম্পকে ভোট না দিয়ে বাইডেনকে ভোটে জেতানোর কথা উল্লেখ করেন৷

Published by: Pooja Basu
First published: November 4, 2020, 3:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर