• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • করোনা ভাইরাস যতটা সাংঘাতিক, এর ভ্যাকসিনও হবে ততটাই শক্তিশালী

করোনা ভাইরাস যতটা সাংঘাতিক, এর ভ্যাকসিনও হবে ততটাই শক্তিশালী

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

এমনও দেখা গিয়েছে কোভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে কেউ আসার পর অন্তত ২০ দিন বাদে সেই ব্যক্তির রিপোর্ট করোনা পজিটিভ বেরিয়েছে ৷

  • Share this:

    #নিউইয়র্ক: গোটা বিশ্বের কাছে সুখবর ! করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করবে জনসন অ্যান্ড জনসন ৷ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এ বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মানব দেহে ট্রায়াল দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে যাবে ৷ আগামী বছরের গোড়ার দিকেই ভ্যাকসিন তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে ৷ সোমবার এই ঘোষণার পরেই সংস্থার শেয়ারের দাম একলাফে বেড়েছে প্রায় ৮ শতাংশ ৷

    বিশ্বজুড়ে চলছে এখন করোনা ত্রাস ৷ এই মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক কবে তৈরি হবে ? সবার মনেই এখন চলছে এই প্রশ্ন ৷ এই অবস্থায় গোটা বিশ্বের কাছেই সুখবর এনেছে জনসন অ্যান্ড জনসন ৷ যদিও এই সংস্থা আদতে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা নয়। তা সত্ত্বেও কোভিড-১৯ এর টিকা তৈরির ক্ষেত্রে প্রথম এগিয়ে আসে জনসন অ্যান্ড জনসনই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বায়োমেডিক্যাল অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড ডেভালপমেন্ট অথারিটি এই জন্য এক বিলিয়ান ডলার খরচ করছে ৷

    এদিকে কোভিড-১৯-এর প্রতিষেধক তৈরিতে উঠে পড়ে লেগেছে চিনও ৷ তারা পরীক্ষায় প্রায় সফল হয়েছে বলেও দাবি সেদেশের গবেষকদের ৷ চিনের ইউহানে এই পরীক্ষা সফল হলে তারা অন্যান্য দেশেও করোনা ভ্যাকসিন তৈরির গবেষনা চালাবে বলে জানিয়েছেন চিনের গবেষকরা ৷ গত ১৬ মার্চ ইউহানে ভ্যাকসিনের প্রথম ধাপের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এপ্রিলে তার ফলাফল হাতে আসার কথা।

    মুশকিলটা হল করোনায় আক্রান্ত রোগী সেরে ওঠার পরেও পুরোপুরি ভয় কাটে না ৷ কারণ সেরে ওঠার এক থেকে আট দিন পর্যন্ত রোগীর দেহ থেকে ভাইরাস সংক্রণ ছড়াতে পারে ৷ তাই সেরে ওঠার পরেও অন্তত দু’সপ্তাহ রোগীকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা উচিৎ ৷ কারণ এই সময়টা কারোর সংস্পর্শে এলে ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে ৷ এর পাশাপাশি কোনও করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলেই যে সঙ্গে সঙ্গে কেউ করোনা আক্রান্ত হবেন, তার কোনও মানে নেই ৷ কারণ এমনও দেখা গিয়েছে কোভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে কেউ আসার পর অন্তত ২০ দিন বাদে সেই ব্যক্তির রিপোর্ট করোনা পজিটিভ বেরিয়েছে ৷ তাই গবেষকদের মতে এর ভ্যাকসিনও এমন তৈরি হবে, যা অনেক বেশি সময়ের জন্য মানবদেহকে ইমিউন রাখতে সাহায্য করবে ৷ কারণ এই ভাইরাস অনেক বেশি সময়ের জন্য থাকে ৷ মিউটেশন রেটও অত্যন্ত কম ৷ তাই বাকি ভাইরাসের চেয়ে এই ভাইরাস যে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী এবং এর গতিবিধি বোঝাটাও যে কঠিন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না ৷

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: