corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা ভাইরাস যতটা সাংঘাতিক, এর ভ্যাকসিনও হবে ততটাই শক্তিশালী

করোনা ভাইরাস যতটা সাংঘাতিক, এর ভ্যাকসিনও হবে ততটাই শক্তিশালী
শনিবার পর্যন্ত ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৯৯৩ জন৷

এমনও দেখা গিয়েছে কোভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে কেউ আসার পর অন্তত ২০ দিন বাদে সেই ব্যক্তির রিপোর্ট করোনা পজিটিভ বেরিয়েছে ৷

  • Share this:

#নিউইয়র্ক: গোটা বিশ্বের কাছে সুখবর ! করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করবে জনসন অ্যান্ড জনসন ৷ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এ বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মানব দেহে ট্রায়াল দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে যাবে ৷ আগামী বছরের গোড়ার দিকেই ভ্যাকসিন তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে ৷ সোমবার এই ঘোষণার পরেই সংস্থার শেয়ারের দাম একলাফে বেড়েছে প্রায় ৮ শতাংশ ৷

বিশ্বজুড়ে চলছে এখন করোনা ত্রাস ৷ এই মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক কবে তৈরি হবে ? সবার মনেই এখন চলছে এই প্রশ্ন ৷ এই অবস্থায় গোটা বিশ্বের কাছেই সুখবর এনেছে জনসন অ্যান্ড জনসন ৷ যদিও এই সংস্থা আদতে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা নয়। তা সত্ত্বেও কোভিড-১৯ এর টিকা তৈরির ক্ষেত্রে প্রথম এগিয়ে আসে জনসন অ্যান্ড জনসনই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বায়োমেডিক্যাল অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড ডেভালপমেন্ট অথারিটি এই জন্য এক বিলিয়ান ডলার খরচ করছে ৷

এদিকে কোভিড-১৯-এর প্রতিষেধক তৈরিতে উঠে পড়ে লেগেছে চিনও ৷ তারা পরীক্ষায় প্রায় সফল হয়েছে বলেও দাবি সেদেশের গবেষকদের ৷ চিনের ইউহানে এই পরীক্ষা সফল হলে তারা অন্যান্য দেশেও করোনা ভ্যাকসিন তৈরির গবেষনা চালাবে বলে জানিয়েছেন চিনের গবেষকরা ৷ গত ১৬ মার্চ ইউহানে ভ্যাকসিনের প্রথম ধাপের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এপ্রিলে তার ফলাফল হাতে আসার কথা।

মুশকিলটা হল করোনায় আক্রান্ত রোগী সেরে ওঠার পরেও পুরোপুরি ভয় কাটে না ৷ কারণ সেরে ওঠার এক থেকে আট দিন পর্যন্ত রোগীর দেহ থেকে ভাইরাস সংক্রণ ছড়াতে পারে ৷ তাই সেরে ওঠার পরেও অন্তত দু’সপ্তাহ রোগীকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা উচিৎ ৷ কারণ এই সময়টা কারোর সংস্পর্শে এলে ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে ৷ এর পাশাপাশি কোনও করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলেই যে সঙ্গে সঙ্গে কেউ করোনা আক্রান্ত হবেন, তার কোনও মানে নেই ৷ কারণ এমনও দেখা গিয়েছে কোভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে কেউ আসার পর অন্তত ২০ দিন বাদে সেই ব্যক্তির রিপোর্ট করোনা পজিটিভ বেরিয়েছে ৷ তাই গবেষকদের মতে এর ভ্যাকসিনও এমন তৈরি হবে, যা অনেক বেশি সময়ের জন্য মানবদেহকে ইমিউন রাখতে সাহায্য করবে ৷ কারণ এই ভাইরাস অনেক বেশি সময়ের জন্য থাকে ৷ মিউটেশন রেটও অত্যন্ত কম ৷ তাই বাকি ভাইরাসের চেয়ে এই ভাইরাস যে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী এবং এর গতিবিধি বোঝাটাও যে কঠিন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না ৷

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: April 1, 2020, 11:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर