বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা বিধির প্রতিবাদে ট্রেনের মধ্যেই চুমু খেলেন রাশিয়ার যুগলেরা ! ভিডিও ভাইরাল

করোনা বিধির প্রতিবাদে ট্রেনের মধ্যেই চুমু খেলেন রাশিয়ার যুগলেরা ! ভিডিও ভাইরাল

তাঁদের ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পরে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই তাঁদের এই প্রতিবাদকে সমর্থন করেন। অনেকে আবার ধিক্কার জানান। অনেকে আবার জনসমক্ষে চুম্বনের আসল কারণ নিয়ে কথা বলতে থাকেন।

  • Share this:

#রাশিয়া: করোনা (Coronavirus)-র জেরে ২০২০-র শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় মিউজিক কনসার্ট, খেলা, সিনেমা হল, রেস্তোরাঁ-সহ একাধিক বিনোদনের মাধ্যম। আনলকের শুরুতে ধীরে ধীরে সব কিছু চালু হলেও বিশ্বের অনেক জায়গা এখনও পুরোপুরি ছন্দে ফেরেনি। তার মধ্যে রয়েছে রাশিয়াও। এখানে এখনও পর্যন্ত বন্ধ মিউজিক কনসার্ট, বন্ধ রেস্তোরাঁও। করোনার এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাশিয়ার এক এলাকায় সর্বসমক্ষে চুম্বন করলেন যুগলেরা। ভরা ট্রেনে সবার সামনে নিজেদের আবেগ প্রকাশ করলেন তাঁরা।

দ্য লাইফে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, রাশিয়ার ইয়াকেতেরিনবুর্গ এলাকা থেকে এমন একটি ফুটেজ সামনে আসে। যেখানে দেখা যায়, ভরা বাজারে সকলের সামনে চুম্বন করছেন এক যুগল। পিঙ্ক গ্লাসেস ব্যান্ডের লেটস কিস গানকে ট্রিবিউট দিতেই না কি কয়েকজনের একটি গ্রুপ এই কাজ করেছে।

কিন্তু ওই যুগলেরা এটাও দাবি করেন যে, করোনার জেরে যে নির্দেশিকা জারি রয়েছে রাশিয়ায়, তার প্রতিবাদ জানাতেই তাঁরা এই কাজ করেন। আর যেহেতু রাত ১১টার পর ট্রেনে সব চেয়ে বেশি ভিড় হয়, তাই ওই সময়টাকেই তাঁরা এই প্রতিবাদ করার উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করেন।

তাঁদের কথায়, কোনও পাবলিক সার্ভিস বা কারও আবেগকে আঘাত করার চেষ্টা করেননি তাঁরা। এ কাজ শুধুই নির্দেশিকার প্রতিবাদ।

তাঁদের ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পরে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই তাঁদের এই প্রতিবাদকে সমর্থন করেন। অনেকে আবার ধিক্কার জানান। অনেকে আবার জনসমক্ষে চুম্বনের আসল কারণ নিয়ে কথা বলতে থাকেন।

তবে, করোনা নির্দেশিকা নিয়ে এটাই যে প্রথম প্রতিবাদ এমনটা কিন্তু নয়, এর আগেও বিশ্বের একাধিক জায়গায় এমন প্রতিবাদ করেছেন মানুষজন। ২০২০-র শুরুতে যখন লকডাউন শুরু হয়, তখন আমেরিকায় এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়। বাড়িতে থাকার যে নির্দেশিকা চালু হয়েছিল তা নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, আমেরিকার যে সব এলাকায় করোনার প্রভাব কম, সেখানে যেন এই নিয়ম কার্যকর না থাকে!

এ দিকে, অন্যান্য সেক্টরের মতো করোনার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মিউজিক সেক্টরও। ল্যাডবাইবেলে প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, প্যানডেমিকের জন্য আর্থিক পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় ইউনাইটেড কিংডমের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি আগের তুলনায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। এর সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে লাইভ মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে। যেহেতু করোনার নতুন স্ট্রেইন পাওয়া গিয়েছে ও দেশে, তাই আবারও লকডাউনের পথে হেঁটেছে তারা। ফলে এই ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন মিউজিকের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন!

Published by: Piya Banerjee
First published: December 29, 2020, 6:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर