• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • জুরাসিক পার্ক তৈরির বিপদ! শ্রমিককে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করল কোমোডো ড্রাগন!

জুরাসিক পার্ক তৈরির বিপদ! শ্রমিককে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করল কোমোডো ড্রাগন!

বড় সাধ করে ইন্দোনেশিয়ার রিঙ্কা দ্বীপে পরিকল্পনা করা হয়েছিল রিসর্ট গড়ে তোলার। সেই রিসর্টের নাম দেওয়া হয়েছিল জুরাসিক পার্ক।

বড় সাধ করে ইন্দোনেশিয়ার রিঙ্কা দ্বীপে পরিকল্পনা করা হয়েছিল রিসর্ট গড়ে তোলার। সেই রিসর্টের নাম দেওয়া হয়েছিল জুরাসিক পার্ক।

বড় সাধ করে ইন্দোনেশিয়ার রিঙ্কা দ্বীপে পরিকল্পনা করা হয়েছিল রিসর্ট গড়ে তোলার। সেই রিসর্টের নাম দেওয়া হয়েছিল জুরাসিক পার্ক।

  • Share this:

#ইন্দোনেশিয়া: বড় সাধ করে ইন্দোনেশিয়ার রিঙ্কা দ্বীপে পরিকল্পনা করা হয়েছিল রিসর্ট গড়ে তোলার। সেই রিসর্টের নাম দেওয়া হয়েছিল জুরাসিক পার্ক। খবর মোতাবেকে, এই রিসর্ট তৈরির জন্য খরচ করা হচ্ছে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৮ কোটি ৬০ লক্ষ ৫ হাজার ৭৫ টাকা! হলে কী হবে! দ্বীপের সাবেকি বাসিন্দা যারা, সেই কোমোডো ড্রাগনরা তাদের স্বভূমিতে মানুষের উপদ্রব মেনে নিতে নারাজ। ফলে খবর উঠে এল যে সম্প্রতি এক কোমোডো ড্রাগন কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে তুলেছে রিসর্ট তৈরিতে কর্মরত এক শ্রমিককে।

ডেইলি মেল-এ প্রকাশিত এই খবর জানাচ্ছে যে স্টিভেন স্পিলবার্গের (Steven Spielberg) জুরাসিক পার্ক ছবি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই যে রিসর্ট তৈরির কাজ চলছিল রিঙ্কা দ্বীপে, সেখানে কোমোডো ড্রাগনের আক্রমণে পর্যুদস্ত হয়েছেন এলিয়াস আগাস নামের জনৈক শ্রমিক। সরীসৃপ গোত্রের এই প্রাণীটি খুবলে তাঁর শরীরের বেশ কয়েক জায়গার মাংস তুলে নিয়েছে। এই খবর জানার পরেই সাময়িক ভাবে কাজ থেমে যায়। আক্রান্ত আগাসকেও তড়িঘড়ি স্পিডবোটে করে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটবর্তী হাসপাতালে।

সংবাদমাধ্যমকে কোমোডো ন্যাশনাল পার্কের নিরাপত্তারক্ষী জুলিয়াস বুলুকি জানিয়েছেন যে খবর পেয়েই তিনি দেরি না করে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন। গিয়ে দেখেন যে কোমোডো ড্রাগনের মুখ থেকে আগাসকে কিছুতেই কেউ ছাড়াতে পারছেন না। অনেক চেষ্টার পর, একরকম টানাহেঁচড়া করেই তিনি আগাসকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

খবর মোতাবেকে, কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার এই রিসর্ট প্রোজেক্ট। পরিবেশবিদরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন ঘটনার। গ্রেগরিয়াস আফিওমা নামে জনৈক পরিবেশবিদ এ প্রসঙ্গে কাজ চলার একটি ছবিও তুলে ধরেছিলেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে একটা ট্রাকে করে মাটি তোলা হচ্ছে, আর তার ঠিক সামনেই ঘুরে বেড়াচ্ছে এক কোমোডো ড্রাগন। আফিওমা তাঁর পোস্টে লিখেছিলেন যে ১৯১২ সালের পর যখন কোমোডো ড্রাগনদের দিকে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষিত হল, তার পর এই প্রথম রিঙ্কা দ্বীপে অনুপ্রবেশ করল প্রযুক্তি!

আসলে কোমোডো ড্রাগন পৃথিবীর বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের তালিকায় পড়ে। সব মিলিয়ে বর্তমানে পৃথিবীতে বড় জোর ৩০০০ কোমোডো ড্রাগন টিঁকে আছে। তার মধ্যে মোটামুটি হাজারখানেক রয়েছে রিঙ্কা দ্বীপে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যে সুবিধার নয়, সে দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছেন পরিবেশবিদরা। তাঁদের বক্তব্য- মানুষ এবং কোমোডো ড্রাগন পরস্পরের কাছাকাছি এলে তা দুই পক্ষের জন্যেই বিপদের কারণ হতে পারে। আগাসের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা সেই অনুমানকে যেন সত্যে পরিণত করল!

Published by:Piya Banerjee
First published: