• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • চিনের তৈরি জেট ইঞ্জিন! দু'ঘণ্টার মধ্যেই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে পৌঁছে যাবে বিমান!

চিনের তৈরি জেট ইঞ্জিন! দু'ঘণ্টার মধ্যেই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে পৌঁছে যাবে বিমান!

ইঞ্জিন প্রস্তুতকারকদের দাবি, এই হাইপারসোনিক জেট ইঞ্জিন বিমানে লাগালে, শব্দের গতির চেয়ে ১৬ গুণ দ্রুত যাবে বিমান।

ইঞ্জিন প্রস্তুতকারকদের দাবি, এই হাইপারসোনিক জেট ইঞ্জিন বিমানে লাগালে, শব্দের গতির চেয়ে ১৬ গুণ দ্রুত যাবে বিমান।

ইঞ্জিন প্রস্তুতকারকদের দাবি, এই হাইপারসোনিক জেট ইঞ্জিন বিমানে লাগালে, শব্দের গতির চেয়ে ১৬ গুণ দ্রুত যাবে বিমান।

  • Share this:

#চিন: আবারও এক আবিষ্কারে বিশ্ববাসীকে চমকে দিতে চলেছে চিন (China)। কারণ সম্প্রতি বিমানের একটি নতুন ইঞ্জিন তৈরি করেছেন চিনের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, এই ইঞ্জিনের সাহায্যে মাত্র দু'ঘণ্টার মধ্যেই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে পৌঁছে যাবে বিমান। ইঞ্জিনটি ব্যবহার করলে শব্দের গতির চেয়েও ১৬ গুণ দ্রুত যাবে বিমান।

South China Morning Post-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেজিং টানেলে ট্রায়াল রান চলার সময়ে এই ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা রীতিমতো নজর কেড়েছে। জেট ইঞ্জিনটি টানেলের মধ্যে সর্বাধিক গতিতে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের কথায়, ফুয়েল এফিসিয়েন্সি হোক বা অপারেশনাল স্টেবিলিটি, প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই ইঞ্জিনের পারফরম্যান্স দুর্দান্ত। চিনের Journal of Aeronautics-এ প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে এই ইঞ্জিন তৈরির সঙ্গে যুক্ত গবেষকরা জানিয়েছেন, রি-ইউজেবল ট্রান্স অ্যাটমোস্ফেরিক প্লেনে পরিষেবা দিতে পারে এই ইঞ্জিন। তাঁরা এই হাইপারসোনিক জেট ইঞ্জিনের নাম দিয়েছেন সোড্রামজেট (Sodramjet)।

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ইঞ্জিনটি রানওয়ে থেকে ওঠানামা করা বিমানগুলিতেও ইনস্টল করা যেতে পারে। এর পর, পৃথিবীর একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথ ধরে যাত্রা শুরু করে বিমানটি। এবং যথাসময়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অবতরণ করে। এই বিজ্ঞানীদের নেতৃত্ব দিয়েছেন চিনের সায়েন্স অ্যাকাডেমি ইনস্টিটিউট অফ মেকানিকসের প্রফেসর জিয়াং জংলিন (Jiang Zonglin)। তাঁর কথায়, এই ইঞ্জিনে একটি হাইড্রোজেন ফুয়েল ইনজেক্টর (Hydrogen Fuel Injector), সিংগল-স্টেজ এয়ার ইনলেট (Single-Stage Air Inlet) ও একটি কম্বাসসান চেম্বার (Combustion Chamber) রয়েছে। এ ক্ষেত্রে যখন দ্রুত গতির বাতাস এয়ার ইনলেটকে ধাক্কা দেয়, তখন একটি শক ওয়েভ তৈরি হয়। এ বার কম্বাসটরের মধ্যে হাইড্রোজেন ফুয়েলের সংস্পর্শে আসে এই শক ওয়েভ বা তরঙ্গ। আর এর জেরে সামনের দিকে এগিয়ে চলে ইঞ্জিন।

ইঞ্জিন প্রস্তুতকারকদের দাবি, এই হাইপারসোনিক জেট ইঞ্জিন বিমানে লাগালে, শব্দের গতির চেয়ে ১৬ গুণ দ্রুত যাবে বিমান। এ ক্ষেত্রে শব্দের গতি ১২৩৪.৮ কিমি/ঘণ্টা। চিনের কূটনীতিকদের একাংশের মতে, আরও বেশ কয়েকটি পরীক্ষায় সফল হলে ইঞ্জিনটিকে সামরিক বাহিনীতেও ব্যবহার করা যাবে। এ ক্ষেত্রে বায়ুসেনার বড় অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে এই ইঞ্জিনচালিত বিমান।

কমার্সিয়াল ফ্লাইটেও ইঞ্জিনটিকে ব্যবহার করার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইঞ্জিনটিকে যদি কমার্সিয়াল ফ্লাইটে লাগানো যেতে পারে, তা হলে হাইপারসোনিক স্পিড বা শব্দের থেকে পাঁচ গুণ গতিতে ছুটতে পারবে বিমান। তবে এখনও এই ইঞ্জিন নিয়ে বিস্তর গবেষণা বাকি বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা!

Published by:Piya Banerjee
First published: