China warns US: ওয়াশিংটনকে রক্তচক্ষু ড্রাগনের

China warns US: ওয়াশিংটনকে রক্তচক্ষু ড্রাগনের

চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কোনও একতরফা দাবি বেজিং মেনে নেবে না

চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কোনও একতরফা দাবি বেজিং মেনে নেবে না

  • Share this:

    #বেজিং: ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন পৃথিবীতে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর পেছনে খোলাখুলিভাবে দায়ী করেছিলেন চিনকে। এমনকি করোনা ভাইরাস না বলে তিনি 'চিনা ভাইরাস' বলতেই পছন্দ করতেন। ট্রাম্প বিদায় নিয়েছেন। মার্কিন মসনদে জো বাইডেন। নতুন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করলেও চিনের প্রতি তিনি তাঁর পূর্বসূরীর দেখানো পথেই চলতে চান। চিন আশা করেছিল নতুন প্রেসিডেন্ট অনেক নরম পন্থা অবলম্বন করবেন চিনের সঙ্গে। কিন্তু বাইডেন বুঝিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্য থেকে প্রশান্ত মহাসাগর, লাদাখ, তাইওয়ান থেকে মানবাধিকার হত্যা, চিন প্রসঙ্গে কড়া নীতি নিয়ে এগোতে চায় আমেরিকা।

    ব্যাস! রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে চিনা প্রশাসনের। উল্টে তাঁরা প্রায় পাল্টা হুমকি দিতে শুরু করেছে আমেরিকাকে। চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কোনও একতরফা দাবি বেজিং মেনে নেবে না। এ সময় তিনি চিনের মৌলিক স্বার্থের প্রতি সত্যিকার সম্মান প্রদর্শন করতে মার্কিন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল চিনের গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতে ওয়াং ই এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।

    বিভিন্ন ইস্যুতে চিনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অবস্থানে যাওয়ার যে প্রবণতা ওয়াশিংটন দেখাচ্ছে তার তীব্র সমালোচনা করে ওয়াং ই বলেন, আমেরিকা যেন একথা মনে না করে যে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর কথাই শেষ কথা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, চিনের সঙ্গে আলোচনা করতে আসলে আমেরিকার একতরফা দাবিগুলো মেনে নেওয়া হবে না। চিনা বিদেশ মন্ত্রী বলেন, তাঁর দেশের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে। তবে তা হতে হবে পারস্পরিক সম্মান ও সম অধিকারের ভিত্তিতে।

    পাশাপাশি মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিনস এবং কোরিয়ার মত দেশের বিদেশ মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি নিশ্চিত এশিয়ার এসব দেশ মনে করে আমেরিকা এবং চিনের পারস্পরিক সহযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া উচিত, শত্রুতা করে নয়। চিন লড়াইয়ে যেতে চায় না, কিন্তু লড়াইকে ভয় পায় না। আধুনিক সমাজে রাষ্ট্রে র উন্নতির ক্ষেত্রে লড়াই রাস্তা নয়, উন্নতি সম্ভব পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে, স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন চিনা বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং ই। পাল্টা জবাব আসেনি আমেরিকার তরফ থেকে। বাইডেন প্রশাসন চিনের মুখের কথা বিশ্বাস করতে রাজি নয়। ড্রাগনকে চাপে রাখতে দক্ষিণ চিন সাগরে নিজেদের নৌবাহিনীর শক্তি বাড়িয়েছে আমেরিকা।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    লেটেস্ট খবর