বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রস্রাব কোথা থেকে বেরোয় জানার অদম্য কৌতূহল, যৌনাঙ্গে ২ ফুট তার ঢুকিয়ে দিল কিশোর! তারপর?

প্রস্রাব কোথা থেকে বেরোয় জানার অদম্য কৌতূহল, যৌনাঙ্গে ২ ফুট তার ঢুকিয়ে দিল কিশোর! তারপর?
PhotoCourtesy: Asiawire/DailyMail

জানা গিয়েছে যে ১৩ বছরের জিয়াও হি-র মনে কোন পথে শরীর থেকে প্রস্রাব নির্গত হয়, তা জানার ইচ্ছে প্রবল হয়ে উঠেছিল।

  • Share this:

PhotoCourtesy: Asiawire/DailyMail

#বেজিং: কথা হল- মানুষের না হয় কৌতূহলের সীমা-পরিসীমা নেই! এই যে সভ্যতার এত উন্নতি, সবই তো সম্ভব হয়েছে এই জাতির দুর্দমনীয় কৌতূহল এবং তার নিবারণের পথ ধরেই! কিন্তু যৌনাঙ্গে ২ ফুট তার ঢুকিয়ে দেওয়া কি আদৌ সম্ভব? ব্যথা লাগবে না?

ঠিক এই জায়গা থেকেই চিনের এক কিশোর হাসপাতালে অসুস্থ হয়ে ভর্তি হওয়ার পর তার কাণ্ড দেখে হাঁ হয়ে গিয়েছেন চিকিৎসকরা! তিনি জন্মেও কোনও দিন ভাবেননি যে এত বড় একটা তার মূত্রনালীর মধ্যে দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া যায়, সবিস্ময়ে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ডক্টর Cai Chongyue!

অস্ত্রোপচারের পর বের হওয়া তারটি অস্ত্রোপচারের পর বের হওয়া তারটি

তা, এ বিষয়ে চিকিৎসকের বিস্ময় যেমন স্বাভাবিক, তেমনই স্বাভাবিক সংবাদমাধ্যমের নীতিও। যাতে কিশোরটিকে সমাজে উপহাসের শিকার হতে না হয়, সেই জন্যই চৈনিক প্রতিবেদনের কোথাও তার আসল নাম ব্যবহার করা হয়নি। বলা হয়েছে যে তার কল্পিত নাম ধরে নেওয়া যাক জিয়াও হি! তবে খবর এটুকু বলেছে স্পষ্টাস্পষ্টি- ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ চিনের ডংগুয়ান প্রদেশে। সেখানকার শংশান লেক হাসপাতালে জিয়াও হি-কে নিয়ে এসেছিলেন তাঁর মা-বাবা।

খবর বলছে যে ১৩ বছরের জিয়াও হি-র মনে কোন পথে শরীর থেকে প্রস্রাব নির্গত হয়, তা জানার ইচ্ছে প্রবল হয়ে উঠেছিল। এখন আধুনিক সময়ের ছেলেমেয়েরা কোনও কিছু জানতে হলে ইন্টারনেটের সাহায্য নিয়ে থাকে, কিন্তু জিয়াও হি সেই পথের ধারেকাছেও যাওয়ার দরকার মনে করেনি। সে ব্যাপারটা হাতে-কলমে পরীক্ষা করতে চেয়েছিল। তাই সবার অলক্ষ্যে ইলেকট্রিকের কাজে যেমন ব্যবহার করা হয়, তেমন এক ধাতব তার যৌনাঙ্গে প্রবেশ করিয়ে ধীরে ধীরে ঠেলে দেয় শরীরের ভিতরে।

আর তার পরেই দেখা দেয় বিপদ! আমাদের মূত্রনালী সংযুক্ত থাকে মূত্রাশয়ের নিচের অংশের সঙ্গে, তারটি সেখানেই জমা হয়ে যায়! তা আর বেরিয়ে আসেনি শরীর থেকে! ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই অস্বস্তিতে পড়ে জিয়াও হি, কিন্তু লজ্জায় তা কাউকে বলে উঠতে পারেনি সে।

চৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ছেলেকে রক্ত-প্রস্রাব করে অসুস্থ হয়ে পড়তে দেখে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যান মা-বাবা। তার পর চিকিৎসরা সার্জারির মাধ্যমে তারটি বের করে আনেন মূত্রাশয় থেকে। জানা গিয়েছে যে আপাতত ভালো আছে জিয়াও হি, ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠছে সে!

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: November 4, 2020, 1:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर