corona virus btn
corona virus btn
Loading

আগুন নিয়ে খেলছে ভারত, ভুগতে হবে ফল! ফের হুঁশিয়ারি চিনের

আগুন নিয়ে খেলছে ভারত, ভুগতে হবে ফল! ফের হুঁশিয়ারি চিনের
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং৷

চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমে অভিযোগ তোলা হয়েছে, চিন ক্রমাগত বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিলেও ভারত তাদের শত্রুই ভাবে৷

  • Share this:

#বেজিং: ভারত এবং রাশিয়াকে জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিতে অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ রাশিয়া এই প্রস্তাবে সেভাবে উৎসাহ দেখায়নি৷ তবে ভারতকে পাশে পেতে মরিয়া ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন৷

আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের এই গুরুত্ব বৃদ্ধিতে যথারীতি বিচলিত চিন৷ একে লাদাখে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদ, তার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভারতকে জি-৭ গোষ্ঠীতে অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ বেজিং৷ কার্যত হুঁশিয়ারির সুরেই বেজিং জানিয়েছে, ভারত আগুন নিয়ে খেলছে, যার ফল তাদের ভুগতে হবে৷

চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস-এ প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত, রাশিয়া এবং কয়েকটি অন্য দেশকে জি-৭-এ অন্তর্ভুক্ত করে এই গোষ্ঠীকে জি-১০ বা জি-১১ হিসেবে তুলে ধরার স্বপ্ন দেখছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উন্নত দেশগুলির লাভ হলেও ভারতের ক্ষতি হবে৷ ভারত- চিন সীমান্ত উত্তেজনার সুযোগ নিয়ে বেজিংকে আরও চাপে রাখতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন চাল চেলেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে৷ সেখানে আরও বলা হয়েছে, আমেরিকার ইন্দো- প্যাসিফিক নীতিতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে৷ কারণ একদিকে ভারতীয় অর্থনীতি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম, অন্যদিকে ভারতের কাছে সুবিশাল সেনাবাহিনী রয়েছে৷

গ্লোবাল টাইমস-এর রিপোর্টে ভারতের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতালোভী বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে৷ সেই কারণেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের চক্রান্ত ভারত সরকার বুঝতে পারছে না বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে৷ তাছাড়া সীমান্ত বিবাদ নিয়ে দরাদরিতে নিজেদের আরও শক্তিশালী প্রমাণ করতেই ভারত আমেরিকার মতো দেশের সাহায্য নিতে চাইছে বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে৷ ভারতে বেশ কিছু সংগঠন চিনের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ালেও সরকার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও ওই রিপোর্টে অভিযোগ তোলা হয়েছে৷ এশিয়ায় চিনের প্রভাব যত বাড়ছে, তত দুনিয়া জুড়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে৷ চিনের প্রভাব কমাতেই জি-৭ কে সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে৷

চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমে অভিযোগ তোলা হয়েছে, চিন ক্রমাগত বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিলেও ভারত তাদের শত্রুই ভাবে৷ আর সেই কারণেই দু' দেশের মধ্যে বার বার উত্তেজনা তৈরি হয়৷ চিনের তরফে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বন্ধুত্বের বদলে চিনের সঙ্গে শত্রুতা করলে তার বড়সড় খেসারত দিতে হবে ভারতকে৷ এর আগে আমেরিকার সঙ্গে তাদের বিবাদে নাক না গলানোর জন্যও ভারতকে সাবধান করেছিল চিন৷

হুঁশিয়ারি দিয়ে চিন আরও দাবি করেছিল, আমেরিকার সঙ্গে তাঁদের সংঘাত চূড়ান্ত রূপ নিয়ে ঠান্ডা যুদ্ধের দিকে গড়ালে ভারত যদি আমেরিকার পক্ষ নেয়, তাহলে তার ফল খারাপ হবে৷ সেক্ষেত্রে দু' দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের ওই রিপোর্টে৷ সেখানে বলা হয়েছে, ভারতকে যদি আমেরিকার ঘুঁটি হতে চায় তাহলে দু' দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন হবে এবং ভারতের অর্থব্যবস্থায় জোরদার ধাক্কা লাগবে৷ বর্তমান পরিস্থিতি অর্থনীতির কোমর ভেঙে গেলে তার থেকে খারাপ যে ভারতের পক্ষে কিছু হবে না, তাও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: June 5, 2020, 5:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर