• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • রাস্তার পাশের জঙ্গলে বহাল তবিয়তে বিশ্রাম করছে চিতা, বন দফতরে তড়িঘড়ি খবর দিলেন ব্যক্তি! তার পর?

রাস্তার পাশের জঙ্গলে বহাল তবিয়তে বিশ্রাম করছে চিতা, বন দফতরে তড়িঘড়ি খবর দিলেন ব্যক্তি! তার পর?

একটি ফেসবুক (Facebook) পোস্টের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরের তরফে।

একটি ফেসবুক (Facebook) পোস্টের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরের তরফে।

একটি ফেসবুক (Facebook) পোস্টের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরের তরফে।

  • Share this:

#অরিগন: রাস্তার পাশে গাছের ভিড়ে লুকিয়ে রয়েছে চিতা, নিশ্চিন্তে বিশ্রাম করছে। দেখতে পেয়েই বন দফতরকে খবর দেন এক ব্যক্তি। এ দিকে মুহূর্তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বনদফতর থেকে আধিকারিকরা রওনা দেন গন্তব্যে। স্থানীয় চিড়িয়াখানাতেও খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছে যা দেখা যায়, তাতে চমকে উঠতে হয়। না, এ কোনও সত্যি বাঘ নয়। দূর থেকে যাকে দেখে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল, আসলে সে একটি খেলনা চিতা!

একটি ফেসবুক (Facebook) পোস্টের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরের তরফে। দফতর সূত্রে খবর, হঠাৎই এক ব্যক্তি ফোন করে এলাকায় চিতার উপস্থিতির খবর দেন। ফোনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ওই ব্যক্তি বনদফতরকে জানিয়েছিলেন, চিতার মতো কোনও একটি প্রাণী রাস্তার ধারে ওই গাছগুলির ফাঁকে বহাল তবিয়তে বিশ্রাম করছে। তবে এ পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি। চিতার উপস্থিতির খবর পেয়ে তড়িঘড়ি গন্তব্যে রওনা দেন বন দফতরের আধিকারিক। এই বিষয়ে দফতরের আধিকারিক সালিভান জানিয়েছেন, চিতার খবর পাওয়ার পর পথে আসতে আসতে স্থানীয় চিড়িয়াখানা ওরিগন জু (Oregon Zoo)-তেও ফোন করেন তিনি। জানার চেষ্টা করেন সেখান থেকে কোনও পশু হারিয়ে গিয়েছে কি না। কিন্তু চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, তাদের সমস্ত পশুই সুরক্ষিত রয়েছে। এর পর কৌতূহল আরও বাড়তে থাকে। তা হলে কোথা থেকে বাঘ এল? আর গন্তব্যেই পৌঁছাতেই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে সালিভান বলেন, তাঁরও প্রাথমিকভাবে দেখে আসল চিতাই মনে হয়েছিল। তবে সাহস করে কাছে এগোতেই ধীরে ধীরে সত্যিটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। চিতাটির কোনও মুভমেন্ট ছিল না। খুব কাছাকাছি গিয়ে কয়েকটি ছবিও তোলা হয়। পরে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। বোঝা যায়, এটি একটি খেলনা চিতা।

তবে ওই ব্যক্তির প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে দফতরের তরফে। চিতার ওই খেলনাটা দেখার পর তিনি কিন্তু সমস্ত জরুরি ও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যা যে কোনও পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যক। সব চেয়ে বড় ব্যাপার হল, ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করার পর সংশ্লিষ্ট দফতরকে জানিয়েছেন তিনি। বনদফতরের কথায়, এই এলাকায় সাধারণত কোনও চিতা দেখা যায় না। আর যদি সত্যি এই রকম কোনও ঘটনা ঘটত, তা হলে একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় একাধিক বিপজ্জনক ঘটনাও ঘটতে পারত। যাই হোক, সব ভাল যার শেষ ভাল, তাই নয় কি?

Published by:Pooja Basu
First published: