বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কোভিড ১৯-এর ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ! লোপ পেতে পারে সম্পূর্ণ স্মৃতি, বলছে সমীক্ষা!

কোভিড ১৯-এর ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ! লোপ পেতে পারে সম্পূর্ণ স্মৃতি, বলছে সমীক্ষা!

সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে রোগী বাড়ি ফিরে আসার পরেও কেটে যাচ্ছে মাসখানেক। আর তার পরেই দেখা দিচ্ছে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

  • Share this:

#লন্ডন: সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে রোগী বাড়ি ফিরে আসার পরেও কেটে যাচ্ছে মাসখানেক। আর তার পরেই দেখা দিচ্ছে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। পেশির ব্যথা এবং আরও অনেক নানা সমস্যা নিয়ে প্রায়ই রোগীর ভিড় বেড়েই চলেছে ডাক্তারের চেম্বারে। পুজোর মুখে এ কথা জানিয়েছিলেন কলকাতার নানা হাসপাতালের ডাক্তারেরা। এও বলেছিলেন যে পোস্ট-করোনা উপসর্গ নিয়ে লড়াই করার জন্য এর মধ্যেই তাঁরা চালু করে দিয়েছেন পৃথক বিভাগ। সেই তালিকায় এ বার নাম উঠল সম্পূর্ণ ভাবে স্মৃতি লোপ পাওয়ার ঘটনারও। যদিও যে সমীক্ষা এই বিষয়ে আলোকপাত করেছে, তা দেশের ডাক্তারদের দ্বারা পরিচালিত হয়নি। এই গবেষণা হয়েছে বিদেশে। তার পর সমীক্ষাপত্রটি প্রকাশ করেছেন ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের ডাক্তার অ্যাডাম হ্যাম্পশায়ার।

তিনি জানিয়েছেন যে ২০ থেকে ৭০ বছর বয়সী কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত ৮৪ হাজার ২৮৫ জন রোগীর মধ্যে গ্রেট ব্রিটিশ ইনটেলিজেন্স টেস্ট নামের এক পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। এই রোগীদের সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার পর তাঁদের পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে কোভিড ১৯ সংক্রমণ এঁদের মস্তিষ্কের বয়স বাড়িয়ে দিয়েছে প্রায় ১০ বছর বেশি!

আর এখানেই লুকিয়ে রয়েছে স্মৃতিশক্তি সম্পূর্ণ ভাবে লোপ পাওয়ার নেপথ্য সূত্র। বয়স বাড়লে মানুষ অনেক কিছুই মনে রাখতে পারে না। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা, অনুধাবন শক্তি এ সব কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই আক্রান্ত হন সিজোফ্রেনিয়ায়। সমীক্ষা দাবি করেছে যে এই রোগীদের ক্ষেত্রে সরাসরি সিজোফ্রেনিয়া দেখা না দিলেও অন্তত বেশ কয়েক মাস নানা স্মৃতি লোপ পাচ্ছে আর তার জেরে তাঁরা পড়ছেন মানসিক সমস্যার মুখে।

অ্যাডামের সমীক্ষা যা-ই বলুক না কেন, এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোয়ানা ওয়ার্ডল কিন্তু করোনার সঙ্গে স্মৃতি লোপ পাওয়ার এই যোগসূত্র পুরোপুরি ভাবে মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, যে সব রোগীদের ক্ষেত্রে স্মৃতি লোপ পাওয়ার বিষয়টি দেখা গিয়েছে, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না। কেন না তা বলতে হলে সংক্রমণের আগে তাঁদের স্মৃতি কেমন ছিল, কোনও মানসিক সমস্যা হচ্ছিল কি না, সেগুলোও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কিন্তু অ্যাডামের সমীক্ষার ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। তাই জোয়ানার অভিমত- করোনার অভিঘাতে কিছু দিনের জন্য বা মাসকয়েকের জন্য স্মৃতি নিয়ে সমস্যায় পড়তে হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা নেই।

আবার ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের এক অধ্যাপক ডেরেক হিলও গলা মিলিয়েছেন জোয়ানার সঙ্গে। তিনি প্রকাশ্যে এনেছেন এক বিস্ময়কর তথ্য। তাঁর দাবি- যে রোগীদের উপরে পরীক্ষা চালানো হয়েছে, তাঁরা অনেকেই স্বেচ্ছাঘোষিত, তাঁদের পরীক্ষা আদৌ হয়নি! দেখা যাক অ্যাডামের তরফে এই অভিযোগের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য পেশ করা হয় কি না!

Published by: Piya Banerjee
First published: October 28, 2020, 6:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर