নজরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক : এপ্রিলের শেষে ভারত সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

নজরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক : এপ্রিলের শেষে ভারত সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

file photo

ব্রেক্সিট-এর পর এটি তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার পর এখন ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় নজর দিতে চায় ব্রিটেন।

  • Share this:

    #লন্ডন : প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারত সফরে আসার কথা ছিল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের। আসতে পারেননি কারণ ওই সময় ব্রিটেনে কোভিডের সংক্রমণ নতুন করে শুরু হয়েছিল। সেই সফর বাতিল হয়ে যাওয়ায় বরিস জনসন জানিয়েছিলেন, খুব শিগগিরি তিনি ভারতে আসবেন। সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, সম্ভবত এপ্রিলেই ভারতে আসছেন বরিস জনসন।

    গত বছরের শেষ দিক থেকে ব্রিটেনে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল করোনার নয়া স্ট্রেন। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা হয় ব্রিটেনে। বড়দিন, বর্ষবরণ সবই কাটে পূর্ণ লকডাউনে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করতে হয় বরিসকে। দেশের এমন অবস্থায় তাঁর পক্ষে ব্রিটেন ছেড়ে বেরনো ঠিক হবে না বলে জানিয়ে দেন তিনি। ফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য আলোচনার সম্ভাবনাও স্থগিত রাখতে হয়। জানিয়ে দেওয়া হয় তিনি সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে আসছেন না।

    এবার সেই ধাক্কা সামলে আবার ভারতে আসার পরিকল্পনা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর অফিস থেকে জানানো হয়েছে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ভারতে আসতে পারেন জনসন। ব্রেক্সিট- এর পর এটি তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার পর এখন ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় নজর দিতে চায় ব্রিটেন। কারণ এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক কেন্দ্রবিন্দু এই অঞ্চল। যে কারণে আশিয়ান গ্রুপে তারা ‘ডায়লগ পার্টনার’-ও হতে চেয়েছে।

    ব্যবসায়িক এবং জিওপলিটিক্যাল ইস্যু, ক্রমশ তলানিতে এসে ঠেকা চিন-ব্রিটেন সম্পর্ক ইত্যাদি কারণে কূটনৈতিক মহলের ধারণা, সব দিকে নজর রেখেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার দিকেই হাঁটতে চাইছে ব্রিটেন। আগামী জুনে জি-৭ শীর্ষ বৈঠকের আয়োজক ব্রিটেন। সেই সময় ওই সম্মেলনে যোগ দিতে আমন্ত্রিত হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিটেনে যাওয়ার কথা। তার আগে এপ্রিলে দুই রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে কী কথা হয় আপাতত সেদিকে নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published:

    লেটেস্ট খবর