ভারত থেকে করোনার ভ্যাকসিন পাঠানোয় টরন্টোর বিলবোর্ডজুড়ে মোদির ছবি ও প্রশংসা!

ভারত থেকে করোনার ভ্যাকসিন পাঠানোয় টরন্টোর বিলবোর্ডজুড়ে মোদির ছবি ও প্রশংসা!

টরন্টোর বিলবোর্ডে মোদির ছবি।

ভারত-সুইডেন সামিটে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, ভারতের লক্ষ্য ১৫০টি দেশকে করোনার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও টিকা সরবরাহ করা। এবং একইসঙ্গে অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকাতে করোনার টিকাকরণের অভিজ্ঞতা স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চায় ভারত।

  • Share this:

    #টরন্টো: নয়াদিল্লির ভ্যাকসিন কূটনীতি। গ্রেটার টরন্টোতে শহরজুড়ে বিশাল বিশাল বিলবোর্ডে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি লাগিয়ে জানানো হয়েছে ধন্যবাদ। তার পাশাপাশি কানাডা ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত করার আহ্বান জানানো হয়েছে বিলবোর্ডের লেখায়। ভারতীয় করোনাভ্যাকসিন কোভিশিল্ড বিভিন্ন দেশে পাঠানো শুরু হয়ে ওয়েছে। একাধিক দেশের পাশাপাশি কানাডাতেও করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। গত সপ্তাহেই ৫ লক্ষ কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন কানাডায় পাঠিয়েছে ভারত। কানাডার ভেরিটি ফারমাসিউটিকাল্স এই করোনার টিকা সরবরাহ করছে সেই দেশে।

    কয়েকদিন আগেই ভারত-সুইডেন সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছিলেন, ভারতীয় করোনার ভ্যাকসিন ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০টি দেশে রফতানি করা হয়েছে। সামনের মাসগুলিতে আরও বহু দেশে এই ভ্যাকসিন নয়াদিল্লি পাঠাতে চায় বলেই জানিয়েছিলেন তিনি। ভারতের এই সিদ্ধান্ততে সাধুবাদ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-ও। গত হু-র বক্তব্য ছিল, 'ধন্যবাদ ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এভাবে ভ্যাকসিন মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়ার কাজ প্রশংসনীয়। আপনাদের সহযোগিতায় প্রায় ৬০-এরও বেশি দেশে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রয়োজনীয় বয়সীদের টিকাকরণ শুরু করা গিয়েছে। আমরা আশা করি, ভারতকে দেখে অন্য দেশগুলিও এই কাজে এগিয়ে আসবে।'

    মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও ভারতের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারে ভারতের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তিনি। এর ফলে গোটা বিশ্বে কোভিড ১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করা সহজ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ভারত-সুইডেন সামিটে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, ভারতের লক্ষ্য ১৫০টি দেশকে করোনার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও টিকা সরবরাহ করা। এবং একইসঙ্গে অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকাতে করোনার টিকাকরণের অভিজ্ঞতা স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চায় ভারত।

    জানুয়ারি থেকেই ভারতে শুরু হয়ে গিয়েছে করোনার টিকাকরণ। প্রথম সারিতে থাকা স্বাস্থ্যকর্মী, সরকারি কর্মী ও পুলিশকে প্রথমে টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার মার্চ থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ। সেখানে ৬০-এর বেশি বয়সী এবং ৪৫-এ উপর কোমর্বিডিটি থাকা মানুষকদের টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই দেশে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন ও সিরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড দু'টিই দেওয়া হচ্ছে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: