ফোনালাপ বাইডেন-পুতিনের , বাড়বে পরমাণু চুক্তির মেয়াদ

ফোনালাপে রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা আলেক্সাই নাভালনি-র গ্রেফতার, মস্কোর সাইবার ক্রাইম এবং আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলায় রাশিয়ার উস্কানির মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট

ফোনালাপে রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা আলেক্সাই নাভালনি-র গ্রেফতার, মস্কোর সাইবার ক্রাইম এবং আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলায় রাশিয়ার উস্কানির মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট

  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: হোয়াইট হাউজে অভিষেকের পর এই প্রথমবারের মতো রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মঙ্গলবার ফোনে কথা হয় দুই নেতার। ফোনালাপে রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা আলেক্সাই নাভালনি-র গ্রেফতার, মস্কোর সাইবার ক্রাইম এবং আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলায় রাশিয়ার উস্কানির মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। বাইডেন প্রশাসনের দুই জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, পুতিনের কাছে আলেক্সাই নাভালনি-র অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন বাইডেন। ইউক্রেনের ওপর হিংসা থামাতেও মস্কোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। দুই নেতার ফোনালাপে বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। বাইডেন বলেন, পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি যার মেয়াদ ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে শেষ হচ্ছে, উভয় দেশের উচিত হবে তা আরও ৫ বছরের জন্যে পুনর্নবীকরণ করা।

    ২০১০ সালে ওবামা প্রশাসন মস্কোর সঙ্গে ওই চুক্তিতে উপনীত হয়েছিল। একে ওবামা প্রশাসানের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেছেন, নিউ স্টার্ট ট্রিটি নামের এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। রাশিয়ার সঙ্গে বর্তমান সম্পর্কের বাস্তবতায় এর মেয়াদ বাড়ানো আরও জরুরি হয়ে পড়েছে।

    রাশিয়ার বিষয়ে বাইডেনের অবস্থান তার পূর্বসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের পুরোপুরি বিপরীত। পুতিনের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন ট্রাম্প। অন্যদিকে মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপসহ নানা ইস্যুতে মস্কোর প্রতি ক্ষুব্ধ বাইডেন। তবে এ দিনের ফোনালাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন। দুই নেতাই দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে একমত হন। মঙ্গলবার পুতিনের সঙ্গে কথা বলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের চার মিত্র দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন বাইডেন। কানাডা, মেক্সিকো, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি।

    ২০ জানুয়ারি হোয়াইট হাউজে অভিষেকের পর প্রথম কোনও বিশ্বনেতা হিসেবে ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ফোন করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে। পরদিন দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ফোনালাপে উভয় দেশের বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতে কথা বলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

    Published by:Simli Dasgupta
    First published: