বিদেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘‌ব্যাক অফ চায়না!‌’‌ নতুন স্লোগানে উত্তাল প্রতিবাদ নেপালে, চাপে চিন

‘‌ব্যাক অফ চায়না!‌’‌ নতুন স্লোগানে উত্তাল প্রতিবাদ নেপালে, চাপে চিন
প্রতীকী ছবি

যদিও, এখনও এই বিষয়ে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কোনও রিপোর্ট জমা করেনি।

  • Share this:

কাঠমাণ্ডু:‌ নেপালের এলাকার মধ্যে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে চিনের বিরুদ্ধে। আর সেই কারণেই উত্তাল হতে শুরু করেছে নেপাল। ভারতের পড়শি দেশে শুরু হয়েছে তীব্র চিন বিরোধী আন্দোলন। স্লোগান উঠেছে, ব্যানারে লেখা রয়েছে, ‘‌ব্যাক অফ চায়না।’‌ চিনের অনৈতিক অনুপ্রবেশ ও নাক গলানোর বিষয়টি যে পাহাড়ের দেশ নেপালের মানুষ মেনে নিচ্ছেন না, সেটা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিতে চাইছেন তাঁরা। এদিন কাঠমাণ্ডু শহরের রাস্তায় সেই চিন বিরোধী প্রচারেরই ঝলক দেখা গেল।

বুধবার চিনের রাজধানীতে পথে নামেন অসংখ্য মানুষ। তাঁদের মুখে ছিল চিন বিরোধী স্লোগান, ব্যানারে লেখা ছিল ‘‌ব্যাক অফ চায়না।’‌ আসলে উত্তর নেপালের হুমলা জেলায় কয়েকদিন আগেই অনুপ্রবেশ করে চিন। এরপর থেকে সেই এলাকা নিজের বলে দাবি করেছে চিনা প্রশাসন। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এদিন কাঠমাণ্ডুতে চিনা দূতাবাস ঘেরাও করেন নেপালের সাধারণ মানুষ। আগেই হুমলা চেলার লাপচা এলাকা, যেখানে চিন নিজের অবৈধ নির্মাণ করছে, সেখানকার সাধারণ মানুষ স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু জানিয়েও শেষ পর্যন্ত লাভ হয়নি । নেপাল তিব্বত সীমান্তের এই গ্রাম এমনিতেই দুর্গম। রাস্তা ঘাট, যোগাযোগের তেমন কোনও মাধ্যম এখানে নেই। কিন্তু নেপালের দিক থেকে যোগাযোগের অসুবিধা থাকলেও, চিনের দিক থেকে আছে রাস্তা। চিনা প্রশাসনই সেই রাস্তা তৈরি করেছে। সেখান থেকেই অনুপ্রবেশ করেছে চিন। আর শুধু অনুপ্রবেশ নয়, স্থানীয় মানুষদের রীতিমতো হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সেই অংশের মানুষদের। চিনারা হুমকি দিচ্ছে, নেপালের ওই অংশের বাসিন্দারা যেন সীমান্তের আশেপাশে না যান। ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসে চিনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

যদিও, এখনও এই বিষয়ে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কোনও রিপোর্ট জমা করেনি। কিন্তু ঘটনায় উদ্বেগে আছে স্থানীয় প্রশাসন। বিষ্ণু বাহাদুর লামা নামে যে স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটি প্রধান এই ঘটনা সামনে এনেছিলেন, তিনি বলেছেন প্রত্যেকদিন চিনা সেনা স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দলে টানার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে চিনের নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে খবর। তিনি বলেছেন, এগারো বছর আগে, একটি স্থানীয় রাস্তা তৈরির সময় ১১ নম্বর পিলারটি, যেটি সীমান্ত নির্দেশ করত, সেটি ভেঙে পড়ে। আর তারপর এতদিনেও সেটি তৈরি হয়নি। নেপালের গড়িমসির কারণেই চিন এই পদক্ষেপ করার সুযোগ পেয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: September 23, 2020, 4:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर