বিদেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

আতঙ্ক!‌ এক সপ্তাহ মাথা ধরার পর মাথা থেকে বের হল ফিতাকৃমি, মহামারীর ইঙ্গিত

আতঙ্ক!‌ এক সপ্তাহ মাথা ধরার পর মাথা থেকে বের হল ফিতাকৃমি, মহামারীর ইঙ্গিত

এসকসপ্তাহ অপেক্ষা করার পর রোগ বুঝতে পেরে তারপর নিরাময় করেন চিকিৎসকরা।

  • Share this:

#‌সিডনি:‌ এতদিন মহামারী ছিল আফ্রিকা, ও এশিয়ার কয়কেটি দেশে। এবার সেইরোগ পৌঁছে গেল অস্ট্রেলিয়াতেও। নতুন করে মহামারীর ইঙ্গিত দিচ্ছে এই ঘটনা। সম্প্রতি ২৫ বছরের একটি অস্ট্রেলিয় যুবতীর মাথায় খুব ব্যথা হচ্ছিল। তিনি চিকিৎসকের কাছেও যান। তারপর চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা করার পর বুঝতে পারেন, মাথায় একটি ফিতাকৃমির লার্ভা রয়েছে। যে কারণে মাথা ব্যথা হচ্ছে। এসকসপ্তাহ অপেক্ষা করার পর রোগ বুঝতে পেরে তারপর নিরাময় করেন চিকিৎসকরা।

The American Journal of Tropical Medicine and Hygiene–এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, মহিলার মাথার একটি অংশে বাধা সৃষ্টি করছিল এই ফিতাকৃমিকর লার্ভা। সেই কারণেই ব্যথা হয়। তবে মহিলার বিদেশ সফরের কোনও ইতিহাস নেই বলেই জানিয়েছন চিকিৎসকরা। তাহলে কী করে এই রোগ এদেশে এসে পৌঁছে গেল?‌ তা এখনও বোঝা যায়নি। এই রোগটি মহামারির মতো আফ্রিকা ও এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সেটি কীভাবে অস্ট্রেলিয়ায় এল, সেটাই এখন বুঝতে পারছে না কেউ। উল্লেখ্য, এটিই অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম স্থানীয় কেস।

মহিলা চিকিৎসকদের কাছে বিস্তারিত জানিয়েছেন, যে মাথায় গত সাত বছর ধরেই কম বেশি ব্যথা হয়। তাই তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ মতোই মাইগ্রেনের ওষুধ খাচ্ছিলেন। কিন্তু তাতেও মাসে দশ দিন তাঁর তীব্র মাথা যন্ত্রণা থাকতই। শেষে গত সাতদিন টানা মাথা ব্যথা হওয়ায় তিনি নতুন করে চিকিৎসকের কাছে যান। টিউমার থাকতে পারে এই সন্দেহ থেকে চিকিৎসকরা তাঁর এমআরএই স্ক্যান করাতে বলেন। সেখানে দেখা যায়, কোনও টিউমার নয়, একটি সিস্ট মাথার মধ্যে রয়েছে যেটিতে ভর্তি রয়েছে ফিতাকৃমির লার্ভা। এই রোগকে বলা হয় নিউরোসিস্টিসিরোসি। এক্ষেত্রে মাথার মধ্যে একটি সিস্ট তৈরি হয়। ফিতাকৃমি জাতীয় প্রাণীর লার্ভা তখনই তৈরি হয় যখন কোনও মানুষ এই পরজীবীর ডিম আছে, এমন কোনও খাবার খেয়ে ফেলেন। মার্কিন গণস্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে এমন কথাই জানানো হয়েছে। কিন্তু এমন ছোঁয়াচে রোগ যদি বিদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় না আসতে পারে, তাহলে এদেশেই কী করে এই রোগ এভাবে কারওর শরীরে বাসা বাঁধতে পারে?‌ সেটাই এখন প্রশাসনের চিন্তার কারণ। কারণ, ফিতাকৃমি সাধারণত মানুষের শরীরে ঢুকে সেখানেই নিজের বিস্তার ঘটাতে থাকে। এবং সেখানেই নিজের খাদ্য সংগ্রহ করে। সাধারণত কম রান্না করা শুয়োরের মাংস থেকে এই রোগ ছড়ায়।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 4, 2020, 4:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर