Wedding: চার পাশে জল, বন্যা! ডুবন্ত ব্রিজকে সাক্ষী রেখে বিয়ের চুম্বনে মজলেন দম্পতি!

Wedding: চার পাশে জল, বন্যা! ডুবন্ত ব্রিজকে সাক্ষী রেখে বিয়ের চুম্বনে মজলেন দম্পতি!

Wedding story

চার পাশের জল আর ডুবন্ত ব্রিজকে সাক্ষী রেখে তিনি বাঁধা পড়েন বিবাহবন্ধনে, মনের মানুষের ঠোঁটে ডুবিয়ে দেন নিজের ঠোঁট।

  • Share this:

#নিউ সাউথ ওয়েলস: বিয়ের কোন মুহূর্তটা সব চেয়ে সুন্দর? যদি পশ্চিমের দেশের সংস্কৃতি অনুযায়ী খ্রিস্টান বিয়ের আচারে চোখ রাখতে হয়, তবে একেকজন একেক রকমের কথা বলতে পারেন। কেউ হয় তো বলবেন সব চেয়ে সুন্দর মুহূর্ত হল নববধূর আইল ধরে হেঁটে আসা ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে। কেউ বলবেন যে আংটি বদলের মুহূর্তটা সব চেয়ে ভালো! কেউ আবার দাবি করবেন যে শপথবাক্য পাঠ করার পরে সদ্যবিবাহিত দম্পতির পরস্পরকে চুম্বন করার চেয়ে মধুর দৃশ্য আর হতেই পারে না!

অবশ্য এ তো ছিল আমন্ত্রিতদের দৃষ্টিভঙ্গী! যাঁদের বিয়ে হচ্ছে, তাঁদের কাছে দিনের সবটাই মধুর, সবটাই বিশেষ! কিন্তু সেই দিনেই যদি শহর ছাপিয়ে বন্যার জল গ্রাস করে নেয় সব কিছু, তাহলে ব্যাপারটা কী রকম হয়?

সেই গল্প এবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে সবাইকে শুনিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের উপকূলবর্তী শহরের নববিবাহিতা কেট ফদারিংহ্যাম। যে দিন তাঁর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, তার আগের রাতেই উপকূল ভাসিয়ে বন্যার জল ঢুকে এসেছে উইংহ্যাম শহরে। ফলে যে ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, সেখানে পৌঁছনোর পথ বন্ধ! উপায় নেই পাত্র ওয়েন বেলের সঙ্গে দেখা হওয়ারও!

কেট আমাদের জানিয়েছেন যে বিয়ের আগের রাত থেকেই অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ছিল, তা থামার নামই নিচ্ছিল না। ফলে তিনি মনে মনে এই ভেবে প্রস্তুত ছিলেন যে গামবুট পরে বিয়ে করতে যেতে হবে, সাদা গাউনটাও হয়ে যাবে কাদা-মাখামাখি! কিন্তু বিয়ের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন যে চার দিক জলমগ্ন! কুয়াশা ঘিরে রেখেছে চরাচর, ফলে বিশেষ কিছু ঠাহর করাও যাচ্ছে না।

যদিও কুয়াশা সরে গিয়ে অল্প আলো ফোটার পর কেটের হতাশা বাড়ে বই কমেনি! তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এমন পরিস্থিতিতে একমাত্র মিরাকলই বিয়ের আয়োজ করতে পারে। যা সম্ভব হল ত্রাণকর্মীদের হাত ধরে। জানা গেল যে তাঁদের হেলিকপ্টারে করে নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট দেরিতে বিবাহস্থলের একটু দূরে পৌঁছতে পেরেছিলেন কেট। তার পর চার পাশের জল আর ডুবন্ত ব্রিজকে সাক্ষী রেখে তিনি বাঁধা পড়েন বিবাহবন্ধনে, মনের মানুষের ঠোঁটে ডুবিয়ে দেন নিজের ঠোঁট। সেই ছবি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শেয়ারও করেছেন তিনি।

অবশ্য, এভাবে বিয়েতে সাহায্য করা বেশ আশ্চর্য হলেও ত্রাণকর্মীরা তাঁদের প্রথামাফিক কাজও করতে ভোলেননি ওই এলাকায়। ১৮ হাজার বাসিন্দাকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তাঁরা, চলছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তোলার প্রয়াসও!

Published by:Piya Banerjee
First published: