• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • আয়তনে কুতুব মিনারের প্রায় দ্বিগুণ! নভেম্বরের ১৪, ১৫ তারিখে পর পর পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু!

আয়তনে কুতুব মিনারের প্রায় দ্বিগুণ! নভেম্বরের ১৪, ১৫ তারিখে পর পর পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু!

Asteroid 2001 FO32-এর পিছনে একটি ছোট্ট ইতিহাসও রয়েছে। প্রথমবার ২০০১ সালের ২৩ মার্চ এই গ্রহাণু আবিষ্কার করেছিল লিঙ্কন নিয়ার আর্থ অ্যাস্টেরয়েড রিসার্চ (Lincoln Near-Earth Asteroid Research)। সেই সময়ে জানানো হয়েছিল, প্রতি ৮১০ দিনে নিজ কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এই গ্রহাণু। নিউ মেক্সিকোর সোকোরোর (Socorro) লিঙ্কন ল্যাবরেটরির এক্সপেরিমেন্টাল টেস্ট সাইটে এই গ্রহাণু আবিষ্কারের যন্ত্রাংশগুলি এখনও সংরক্ষিত আছে।

Asteroid 2001 FO32-এর পিছনে একটি ছোট্ট ইতিহাসও রয়েছে। প্রথমবার ২০০১ সালের ২৩ মার্চ এই গ্রহাণু আবিষ্কার করেছিল লিঙ্কন নিয়ার আর্থ অ্যাস্টেরয়েড রিসার্চ (Lincoln Near-Earth Asteroid Research)। সেই সময়ে জানানো হয়েছিল, প্রতি ৮১০ দিনে নিজ কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এই গ্রহাণু। নিউ মেক্সিকোর সোকোরোর (Socorro) লিঙ্কন ল্যাবরেটরির এক্সপেরিমেন্টাল টেস্ট সাইটে এই গ্রহাণু আবিষ্কারের যন্ত্রাংশগুলি এখনও সংরক্ষিত আছে।

নভেম্বর মাসের ১৪ এং ১৫ তারিখে এই মহাজাগতিক বিস্ময়ের সাক্ষী থাকবে পৃথিবী।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ব্যাপারটাকে কিছুটা হলেও দিওয়ালির রাতে হাউই ছাড়ার সঙ্গে তুলনা করা যায়! সেই আতসবাজি যেমন আকাশের বুক চিরে উড়ে যায়, তেমন করেই মহাকাশ বেয়ে চলতি বছরের দিওয়ালিতে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসবে গ্রহাণু। তা-ও আবার একটা নয়, সাকুল্যে তিনটে! নভেম্বর মাসের ১৪ এং ১৫ তারিখে এই মহাজাগতিক বিস্ময়ের সাক্ষী থাকবে পৃথিবী। সম্প্রতি যে তথ্য আমাদের গোচরে নিয়ে এসেছে ন্যাশনাল এরোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ওরফে নাসা। সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজও এই কথায় সিলমোহর বসিয়ে দিয়ে তার সত্যতা প্রতিপন্ন করেছে!

খবর মারফত জানা গিয়েছে যে ১৪ নভেম্বর একজোড়া গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসবে। নিজস্ব হিসাবের পরিপ্রেক্ষিতে নাসা এই দুই গ্রহাণুর নাম রেখেছে ২০২০ টিবি৯ এবং ২০২০ এসটি১। তথ্য বিশদে তুলে ধরেছে এই দুই গ্রহাণুর আয়তনের দিকটাও। জানা গিয়েছে যে ২০২০ টিবি৯ আয়তনে ৩০ মিটারের কাছাকাছি। অর্থাৎ আয়তনের দিক থেকে এ এক বিমানের সমান। এর গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ২৩ হাজার ৬০০ কিলোমিটার বলে জানিয়েছে নাসা। এটাও জানাতে ভোলেনি যে পৃথিবীর পাশ দিয়ে ৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্ব রেখে এটি বেরিয়ে যাবে।

অন্য দিকে, ২০২০ এসটি১ গ্রহাণুর আয়তন তুলনামূলক ভাবে বড়, প্রায় ১৭৫ মিটার। কুতুব মিনার দৈর্ঘ্যে ৭৩ মিটার, অতএব এটি আয়তনে তার দুই গুণেরও বেশি। এর গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ৩০ হাজার কিলোমিটার। পৃথিবীর পাশ দিয়ে ৭.৩ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্ব রেখে এটি বেরিয়ে যাবে। এ ছাড়া নভেম্বরের ১৫ তারিখে ২০১৯ ভিএল৫ নামে আরও একটি গ্রহাণু বেরিয়ে যাবে পৃথিবীর পাশ ঘেঁষে। জ্যোতির্বিদরা জানিয়েছেন যে পৃথিবী এবং চাঁদের মাঝে যে দূরত্বগত ব্যবধান, তার নয় গুণ বেশি দূরত্বে পৃথিবী ঘেঁষে এই গ্রহাণু বেরিয়ে যাবে।

তবে এই প্রসঙ্গে বিশেষ করে আরও দুই তথ্য পরিবেশ করতে ভুলছেন না বিজ্ঞানীরা। তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে আতসবাজি থেকে যেমন আগুনের ফুলকি ঝরে পড়ে, সে সব কিছু এ ক্ষেত্রে দেখা যাবে না। তেমনই খালি চোখেও দেখা যাবে না এই গ্রহাণুদের, কেবল শক্তিশালী টেলিস্কোপেই তা ধরা পড়বে! দেখা যাক, ভবিষ্যতে নাসা সেই ছবি পেশ করে কি না!

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: