সংসদের ভার্চুয়াল অধিবেশনের মাঝেই ক্যামেরা অন রেখে বান্ধবীর বুকে চুমু খেতে মত্ত সাংসদ! দিতে হল ইস্তফা

সংসদের ভার্চুয়াল অধিবেশনের মাঝেই ক্যামেরা অন রেখে বান্ধবীর বুকে চুমু খেতে মত্ত সাংসদ! দিতে হল ইস্তফা

সংসদের আলোচনা ছেড়ে নির্বাচিত সাংসদ মন দিলেন রতিক্রীড়ায় ৷ ভার্চুয়াল অধিবেশন চলাকালীনই বান্ধবীর সঙ্গে রাসলীলায় এতটাই মত্ত হয়ে গেলেন যে খেয়ালই রইল না ক্যামেরা অন আর তাতে তার কীর্তির সাক্ষী গোটা সংসদ !

সংসদের আলোচনা ছেড়ে নির্বাচিত সাংসদ মন দিলেন রতিক্রীড়ায় ৷ ভার্চুয়াল অধিবেশন চলাকালীনই বান্ধবীর সঙ্গে রাসলীলায় এতটাই মত্ত হয়ে গেলেন যে খেয়ালই রইল না ক্যামেরা অন আর তাতে তার কীর্তির সাক্ষী গোটা সংসদ !

  • Share this:

    #বুয়োনোস এরিজ: দেশের মানুষের ভোটেই নির্বাচিত হয়ে জায়গা পেয়েছেন সংসদে অথচ দেশের মানুষের সমস্যা নিয়ে কোনও মাথাব্যথাই নেই! সংসদের আলোচনা ছেড়ে নির্বাচিত সাংসদ মন দিলেন রতিক্রীড়ায় ৷ ভার্চুয়াল অধিবেশন চলাকালীনই বান্ধবীর সঙ্গে রাসলীলায় এতটাই মত্ত হয়ে গেলেন যে খেয়ালই রইল না ক্যামেরা অন আর তাতে তার কীর্তির সাক্ষী গোটা সংসদ ! এমন লজ্জাজনক ক্ষমার অযোগ্য কাজের জন্য অবশেষে চাপে পড়ে হারালেন পদও ৷ এমনই ঘটনা সম্প্রতি ঘটেছে আর্জেন্টিনায় ৷

    করোনা আবহে অফিস থেকে দেশের কাজ সবই চলছে ভার্চুয়ালি ৷ জানা গিয়েছে আর্জেন্টিনার সংসদের নিম্নকক্ষের গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন চলছিল সেদিন ৷ ডেপুটি ও কিছু আইন নির্ধারকই হাজির ছিলেন সশরীরে ৷ বাকিরা ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছিলেন ৷ সংসদের মধ্যে বড় স্ক্রিনে প্রত্যেককেই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল ৷ যাতে ভোটাভুটির সময় তারা মত দিচ্ছেন কিনা তা বোঝা যায় ৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাল্টার উত্তর অঞ্চলের জোট সরকারের অর্ন্তভুক্ত দলের নির্বাচিত সদস্য জুয়ান আমেরি ৷

    অধিবেশন শুরু হওয়ার পর দেখা যায় আমেরির সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন তার বান্ধবীও ৷ আচমকাই কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগে সঙ্গিনীর জামা টেনে খুলে, তার খোলা বুকে আদর করতে থাকেন, চুমু খেতে থাকেন ওই সাংসদ ৷ আর পুরো ঘটনাই ধরা পড়ে সংসদের স্ক্রিনে ৷ মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় ওই ঘটনা ৷ ক্ষোভে ফেটে পড়েন সংসদের বাকি সদস্যরা ৷ জুয়ান আমেরিকে বরখাস্তের দাবিকে সমস্ত সাংসদরাই সমর্থন করেন এবং প্যানেলের সিদ্ধান্তে তাকে বরখাস্ত করা হয় ৷ পরে এই সিদ্ধান্তের চাপে পড়ে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন শাসক জোটের সদস্য জুয়ান আমেরি ৷

    এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা দেশে ৷ তড়িঘড়ি শাসক দল ফ্রেনতে-দে-টোডোস (Frente de Todos) বিবৃতি জারি করে বলে, এই ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য ৷ এই ঘটনাতেই প্রমাণিত ওই ব্যক্তির মনে আর্জেন্টিনার মানুষ, দেশের সংসদ কোনও কিছু নিয়ে বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা নেই ৷ তাই তাঁর পদে থাকারও যোগ্যতা নেই ৷ এমনকী আমেরি ইস্তফাপত্র জমা পড়ার আগে তার দলও জানায়,‘এতটা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ক্ষমা করা যায় না ৷ জনতার প্রতিনিধি হিসেবে এমন আচরণ আমরা মেনে নেব না ৷’ ইস্তফা দেওয়ার পর আমেরি এক স্থানীয় রেডিওতে সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমার ইন্টারনেট কানেকশন খুব খারাপ ৷ সংসদের অধিবেশনের সঙ্গে আমি যে কানেক্ট হয়েছি তা বুঝতেই পারিনি ৷ অসাবধানতাবশত আমার অন্তরঙ্গ মুহূর্ত এভাবে ক্যামেরা বন্দি হয়ে গিয়েছে ৷’

    Published by:Elina Datta
    First published:

    লেটেস্ট খবর