নিউজিল্যান্ডের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মন্ত্রীকে অভিনব কায়দায় কুর্নিশ আমূলের, উচ্ছ্বাস সোশ্যাল মিডিয়ায়!

নিউজিল্যান্ডের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মন্ত্রীকে অভিনব কায়দায় কুর্নিশ আমূলের, উচ্ছ্বাস সোশ্যাল মিডিয়ায়!

প্রিয়াঙ্কাই হলেন নিউজিল্যান্ডে বসবাসকারী প্রথম অনাবাসী ভারতীয় মহিলা-মন্ত্রী।

প্রিয়াঙ্কাই হলেন নিউজিল্যান্ডে বসবাসকারী প্রথম অনাবাসী ভারতীয় মহিলা-মন্ত্রী।

  • Share this:

    নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নকে নিয়ে এমনিতেই হইচই কম হয় না। সেটা উনি শুধু মহিলা বলে নয়। একে তো উনি অত্যন্ত কম বয়সে আস্ত একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে গিয়েছেন আর দ্বিতীয়ত দুর্দান্ত বুদ্ধিমত্তায় আটকে দিয়েছেন করোনার আগ্রাসন। এ বার জেসিকা দিলেন আরেকটি ওভার বাউন্ডারি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রিয়াঙ্কা রাধাকৃষ্ণননের হাতে দিলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের ভার। আর তাই প্রিয়াঙ্কাই হলেন নিউজিল্যান্ডে বসবাসকারী প্রথম অনাবাসী ভারতীয় মহিলা-মন্ত্রী।

    এই সাফল্য সত্যিই উদযাপন করার মতো। দেশে বা বিদেশে ভারতীয়দের ছোট-বড় নানা সাফল্যকে খুব অভিনব ও সৃষ্টিশীল কায়দায় তুলে ধরে আমূল ইন্ডিয়া। এ ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি। ইটস রাধা ওয়ান্ডারফুল ক্যাপশনে বিখ্যাত আমূল গার্লের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার ডুডল নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। Twitter ও Instagram উপচে পড়েছে অভিনন্দন বার্তায়। সেখানে যে শুধু প্রিয়াঙ্কার এই সাফল্যকে উদযাপন করা হয়েছে তা নয়, ধন্যবাদ দেওয়া হয়েছে আমূলকেও।

    জেসিন্ডার নেতৃত্বে কিউয়িল্যান্ডে যে নতুন মন্ত্রীসভা গঠিত হয়েছে, তা যে অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় সেটা প্রধানমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। আর প্রিয়াঙ্কা যে সেই সভার গর্ব হতে চলেছেন, সেই নিয়ে দ্বিমত নেই গর্বিত ভারতীয়দের। বিশেষ করে আনন্দে বিহ্বল হয়েছেন কেরলবাসীরা। কারণ প্রিয়াঙ্কা আদতে কেরলের এর্নাকুলামের বাসিন্দা।

    জানা গিয়েছে, কেরলের এর্নাকুলম থেকে সিঙ্গাপুরে যান আইআইটি-প্রাক্তনী প্রিয়াঙ্কা। আর সেখান থেকেই পাড়ি দেন নিউজিল্যান্ডে। সেখানেই ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েলিংটন থেকে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে স্নাতকোত্তর করেন তিনি। বর্তমানে বছর ৪১-এর প্রিয়াঙ্কা ২০০৬ সালে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং যোগদান করেন লেবার পার্টিতে। ২০১৭-তেই আরডার্নের এই পার্টিতে মন্ত্রীর পদ পান তিনি। লেবার পার্টিতে প্রায় চোদ্দ বছর ধরে আছেন প্রিয়াঙ্কা রাধাকৃষ্ণন। দু’বার সসম্মানে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থাৎ আজকে প্রিয়াঙ্কা যে গুরুভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন, তার মঞ্চ অনেক দিন আগে থেকেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল।

    Instagram-এ আমূলের এই পোস্টের লাইক ৩ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে প্রিয়াঙ্কাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শশী তারুরের মতো বহু অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ভারতীয়দের উৎসাহ দিতে আমূল কোনও দিন ভোলে না বলে উল্লেখ করেছেন অনেকেই। আমূলের বিজ্ঞাপনের এই কপি যিনি ডিজাইন করেছেন, ভূয়সী প্রশংসার অধিকারী হয়েছেন তিনিও। আমূল তাঁদের এই মজাদার বিজ্ঞাপনী ধারা বজায় রেখেছে বলে কমেন্ট করেছেন ট্যুইটারেতিরাও।

    Published by:Elina Datta
    First published: