বাড়ির অমতে চাকরি করার শাস্তি ! মেয়ের চোখ দুটোই চাকু দিয়ে খুবলে নিল বাবা !

পৃথিবীটা এখনও মেয়েদের নয়। এই পৃথিবীতে স্বপ্ন দেখার অপরাধে খুবলে নেওয়া হতে পারে মেয়েদের চোখ। যাতে আর কোনও দিন সাহস না দেখায় সে স্বপ্ন দেখার।

পৃথিবীটা এখনও মেয়েদের নয়। এই পৃথিবীতে স্বপ্ন দেখার অপরাধে খুবলে নেওয়া হতে পারে মেয়েদের চোখ। যাতে আর কোনও দিন সাহস না দেখায় সে স্বপ্ন দেখার।

  • Share this:

    #কাবুল: পৃথিবীটা এখনও মেয়েদের নয়। এই পৃথিবীতে স্বপ্ন দেখার অপরাধে খুবলে নেওয়া হতে পারে মেয়েদের চোখ। যাতে আর কোনও দিন সাহস না দেখায় সে স্বপ্ন দেখার। গোটা পৃথিবী অন্ধকারে ঢেকে দেওয়ার জন্য একদল ধার্মিক, গোড়া, পুরুষতন্ত্র যেন সব সময় মাথা চাড়া দিয়ে থাকে। তাঁরা সব সময় দুর্বলের ওপর অত্যাচার করে এসেছে। আর মেয়েরা হল শক্তি প্রর্দশনের জন্য তাদের কাছে সব থেকে বড় হাতিয়াড়। না তবে সব জায়গায় মেয়েদের এমন দশা তা নয়। কারণ এই পৃথিবীতে কমলা হ্যারিসও আছেন। গোটা আমেরিকাকে তাঁর সিদ্ধান্ত মানতে হবে। তবে একেবারে অন্য ছবি আফগানিস্থানের। সেখানে মেয়েদের পড়াশুনো করার অধিকার পেতেই অনেক যুদ্ধ করতে হয়।

    তবে মনের জোড়ে পড়াশুনো শেষ করে, পুলিশে চাকরি পেয়েছিল আফগানিস্থানের কাবুলের ৩৩ বছরের খতেরা। সে স্বপ্ন দেখেছিল নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। কিন্তু তাঁর পরিবার এবং বাবা মেনে নেননি তাঁর সিদ্ধান্ত। সকলের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে চাকরি করতে গিয়েছিলেন খতেরা। কিন্তু বাধা বিপত্তি তাঁর পিছন ছাড়ছিলো না। বাড়িতে তাঁর ওপর চলতে থাকে চরম অত্যাচার। কিন্তু সে থামতে চায়নি। অবশেষে হাল ছেড়ে দেয়। থানায় গিয়ে নিজের চাকরির ইস্তফা জমা দেয় সে। জমা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই ঘটে যায় অঘটন।

    বাইকে করে তাঁর ওপর হামলা করে দু'জন দুস্কৃতি। তাঁদের হাতে ধারালো চাকু ছিল। তা দিয়ে খুবলে দেয় তাঁরা খতেরার চোখ। রাস্তাতেই পড়ে থাকে সে। এর পর যখন তাঁর হুশ ফেরে সে তখন হাসপাতালে। তাঁর দু চোখেই পট্টি বাঁধা। সে আর কখনও চোখে দেখতে পাবে না। ঘটনার তদন্তে শুরু হলেও, জানা যায়নি কারা এই কাজ করেছে। মনে করা হচ্ছে খতেরার বাবাই হয়তো এই কাজ করিয়েছেন। যেহেতু তিনি মানতে পারছিলেন না মেয়ের এই সিদ্ধান্ত। তাই গুন্ডা লাগিয়ে চোখ উপড়ে নিলেন মেয়ের। খতেরা জানিয়েছে, 'আমি যদি একটা বছর পুলিশের হয়ে কাজ করতে পারতাম, তাহলে এই চোখ যাওয়ার কষ্ট আমার থাকত না।" সেও জানিয়েছে তাঁর বাবা তাঁকে প্রাণে মারার হুমকিও দিয়েছিলেন। তাই এমন কাজ তিনি করতেই পারেন। দোষ ছিল স্বপ্ন দেখার। আর তাতেই চোখ খোয়াতে হল। নিজের মেয়েকেও ছাড়লেন না বাবা।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: