বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কুড়ি বছর পর দোষ স্বীকার, সাতটি খুনের মামলায় অবশেষে গ্রেফতার অভিযুক্ত মহিলা

কুড়ি বছর পর দোষ স্বীকার, সাতটি খুনের মামলায় অবশেষে গ্রেফতার অভিযুক্ত মহিলা
প্রতীকী চিত্র ।

সাতটি খুন করতে সাহায্য করে প্রেমিককে। কুড়ি বছর পর ধরা পড়ল লাও রংঝি।

  • Share this:

#চিন: কুড়ি বছর আগে ফাঁসি হয় চিনের ফা জিং-এর। সাতটি খুন করার অভিযোগে চিনের শীর্ষ আদালত তাকে ফাঁসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ সেই সময় তার পার্টনার ওরফে প্রেমিকা লাও রংঝি’কে ধরতে পারেনি। পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে এত দিন গা ঢাকা দিয়েছিল ওই মহিলা। নভেম্বর মাসে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। আজ বছর কুড়ি পর লাও নিজের সব দোষ স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা চায়। অতীতের এই ঘটনা সামনে আসায় চিনের সকলেই তাজ্জব হয়েছে।

এখন প্রশ্ন ৪৬ বছর বয়সি লাও এত দিন পরে নিজের দোষ স্বীকার করল কেন? গ্রেফতার করার পর লাও পুলিশ হেফাজতে ছিল। সোমবার তাকে ন্যানচ্যাং ইন্টারমিডিয়েট পিপলস কোর্টে হাজির করা হয়। আদালতকে লাও জানিয়েছে, এত গুলো বছর অন্ধকারে জীবন কাটিয়েছে সে। নিজের পরিচয় গোপন করার জন্য চেহারা পর্যন্ত বদলেছে। তাই সে অনুতপ্ত। যে দোষ সে করেছে তার কোনও ক্ষমা হয়না। কিন্তু তার এই জীবন আর ভাল লাগছে না। পালিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাকে।

সে আরও বলে, প্রেমিককে সে খুন করতে সাহায্য করেছিল। তাই সে সমান দোষী। যাদের নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে, তাঁদের পরিবারের উদ্দ্যেশে লাও বলে, এই হত্যালীলা চালিয়ে যেতে সে বাধ্য হয়েছিল। তার প্রেমিক তাকে জোর করেছিল এই কাজ করার জন্য।

ফা জিং একজন বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ ছিলেন। তার খুন করার প্রক্রিয়া ছিল ভয়ঙ্কর। এর জন্য লাওকেও অনেক মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। ১৯৯৯ সালে ফা জিং-কে গ্রেফতার করে পুলিশ আর তারপরে সাতটি খুনের অভিযোগে তাকে ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এই ঘটনার পরে লাও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। বিদেশে কিছু পার্টটাইম কাজ করে নিজের খরচ চালাত। পরে প্লাসটিক সার্জারি করে নিজের চেহারাও বদলে ফেলে লাও। যাতে পুলিশ তাকে ধরতে না পারে।

ন্যানচাং কোর্ট জানিয়েছে, এই যুগল ডাকাতি, কিডন্যাপিং এবং আন্তর্জাতিক স্তরের ক্রিমিনালদের কোনও ক্ষমা হয়না। তবে লাও-কে কী শাস্তি দেওয়া হবে সেই নিয়ে আদালত এখনও কিছু জানায়নি। লাও-এর হাতে নিহত এক ব্যক্তির স্ত্রী জানিয়েছেন, "লাও যে ক্ষমা চেয়েছে সেটা মেনে নেওয়া কঠিন, তাই এই ক্ষমাকে মানছি না আমি ও আমার পরিবার।"

Published by: Somosree Das
First published: December 24, 2020, 12:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर