• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • মানুষের মূত্র পরিণত হচ্ছে পানীয় জলে! আপনার বাড়িতে এ বার সেই জলের জোগান! ব্যাপক চাঞ্চল্য...

মানুষের মূত্র পরিণত হচ্ছে পানীয় জলে! আপনার বাড়িতে এ বার সেই জলের জোগান! ব্যাপক চাঞ্চল্য...

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীতে কমে এসেছে ভৌম জলের পরিমাণ, বিশ্বের অনেক জায়গাতেই এখন পরিস্রুত পানীয় জল সুলভ নয়। তাই এমন প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় এসেছে!

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীতে কমে এসেছে ভৌম জলের পরিমাণ, বিশ্বের অনেক জায়গাতেই এখন পরিস্রুত পানীয় জল সুলভ নয়। তাই এমন প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় এসেছে!

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীতে কমে এসেছে ভৌম জলের পরিমাণ, বিশ্বের অনেক জায়গাতেই এখন পরিস্রুত পানীয় জল সুলভ নয়। তাই এমন প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় এসেছে!

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: মহাকাশে নিঃসন্দেহেই দেহ থেকে বেরিয়ে আসা বর্জ্যকে পানীয় জলে রূপান্তরিত করার প্রয়োজন পড়ে। স্বেদ থেকে মূত্র- সবই পরিস্রুত করে রূপান্তরিত করা হয়ে থাকে পানীয় জলে। কেন না, সেখানে পানীয় জল সুলভ নয়। কিন্তু পৃথিবীর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বাড়িতে পারিবারিক ক্ষেত্রে এ হেন প্রযুক্তি ব্যবহারের সার্থকতা কী?

সত্যি বলতে কী, পৃথিবীর ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীতে কমে এসেছে ভৌম জলের পরিমাণ, বিশ্বের অনেক জায়গাতেই এখন পরিস্রুত পানীয় জল সুলভ নয়। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা বলছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনবসতির অর্ধেকও পরিস্রুত জল পায় না খাওয়ার জন্য। আর ইয়োরোপের ক্ষেত্রেও অবস্থাটাও প্রায় তেমনই- ৫৫ শতাংশ পরিবার সরাসরি কলের জল খেয়ে থাকে বাধ্য হয়ে!

তা ছাড়া, মহাকাশচারীদের জন্য তৈরি প্রযুক্তি যে আমাদের কাজে আসেনি, এমনটা কিন্তু নয়। যেখানে দিন এবং রাতের তফাত নেই, সেখানে যাতে মহাকাশচারীরা শান্তিতে ঘুমোতে পারেন, সেই লক্ষ্যে তৈরি হয়েছিল এলইডি আলো; ওটা এখন মানুষের ঘরে ঘরে ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার মহাকাশচারীদের শরীরচর্চার নানা সরঞ্জাম জায়গা করে নিয়েছে জনপ্রিয় জিম ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে। ফলে বর্জ্যকে পরিস্রুত করে পানীয় জলে রূপান্তরিত করার প্রযুক্তিও সাদরে গৃহীত হবে, এমনটাই মনে করছে ডেনমার্কের সংস্থা অ্যাকোয়াপোরিন।

সংস্থার দাবি, বর্জ্য পরিস্রুত করে তাকে পানীয় জলে রূপান্তরিত করার এই যে পদ্ধতি, তা লুকিয়ে আছে আমাদের শরীরের ভিতরেই। অ্যাকোয়াপোরিন নামে এক ধরনের প্রোটিন নানা দূষিত কণাকে আটকে দিয়ে শরীরের কোষে বিশুদ্ধ জল সরবরাহ অক্ষুণ্ণ রাখে। এক পদ্ধতি ব্যবহার করে শিকড়ের সাহায্যে বিশুদ্ধ জল গ্রহণ করে উদ্ভিদ, একজোড়া কিডনি দিনে ৪২ গ্যালন জল পরিস্রুত করে।

সংস্থা বলছে যে তাদের তৈরি যন্ত্রও এক পদ্ধতিতে কাজ করবে। বিশেষ করে কারখানার রাসায়নিক মিশ্রিত দূষিত জলকে পরিস্রুত করার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ইতিমধ্যেই এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করে দেখা গিয়েছে যে তা কারখানার জল থেকে ৯০ শতাংশ মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং মাইক্রোপলিউট্যান্টস ছেঁকে বের করে দিয়েছে।

পাশাপাশি, ইয়োরোপের বাজারে ৬৫০ ইউরো বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫৮,৩৮৩ টাকা খরচে বেসিনের নিচে এই যন্ত্র বসিয়ে ফেলে দেওয়া জল পরিস্রুত করে আবার ব্যবহারের উপযোগী করার বন্দোবস্ত ইতিমধ্যেই সুলভ হয়েছে। পরে এই প্রযুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত আর চিনে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থা।

খবর বলছে যে ন্যাশনাল অ্যারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ওরফে নাসা-এ তাদের মহাকাশযানে অ্যাকোয়াপোরিন বসাতে চলেছে। আপাতত যে প্রযুক্তি তারা ব্যবহার করে, তার ফিন্টার প্রতি ৯০ দিন অন্তর বদলাতে হয়। এ ক্ষেত্রে সেই ঝামেলা নেই বলেই জানানো হচ্ছে!

Published by:Shubhagata Dey
First published: