• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • আগুনে পুড়ে যাচ্ছে গোটা বাড়ি, ঘরের মধ্যে থেকে বোনকে উদ্ধার করল ৭ বছরের নাবালক

আগুনে পুড়ে যাচ্ছে গোটা বাড়ি, ঘরের মধ্যে থেকে বোনকে উদ্ধার করল ৭ বছরের নাবালক

বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন। ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছে ছোট্ট শিশু। তাকে বাঁচাতে সাহসিকতার পরিচয় দিল মাত্র ৭ বছরের নাবালক

বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন। ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছে ছোট্ট শিশু। তাকে বাঁচাতে সাহসিকতার পরিচয় দিল মাত্র ৭ বছরের নাবালক

বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন। ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছে ছোট্ট শিশু। তাকে বাঁচাতে সাহসিকতার পরিচয় দিল মাত্র ৭ বছরের নাবালক

  • Share this:

#টিনিসি প্রদেশ: বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন। ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছে ২২ মাসের শিশু। তাকে বাঁচাতে সাহসিকতার পরিচয় দিল মাত্র ৭ বছরের নাবালক। কালো ধোঁয়া, আগুনের শিখার মাঝেই ঘরে ঢুকে ছোট বোনকে বাঁচাল । ঘটনাটি আমেরিকার টিনিসি প্রদেশের।

টেনিসির নিউ টেজওয়াল এলাকায় বাড়ি ডেভিডসন পরিবারের। ক্রিস ডেভিডসন ও নিকোল ডেভিডসনের তিন সন্তান। দুই ছেলে এলিজা আর এলি ও এক মেয়ে এরিন। এলিজা আর এরিন দত্তক নেওয়া সন্তান এবং এলি পালিত।

ডিসেম্বরের ৮ তারিখে হঠাৎই আগুন লাগে তাঁদের বাড়িতে। রাত ৮.৩০ নাগাদ প্রতি দিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তাঁরা। মাঝরাতে কিছু পোড়ার গন্ধ পান নিকোল। তড়িঘড়ি সকলকে ঘুম থেকে তুলে বাড়ির বাইরে বের করে আনেন। কিন্তু এরিন আটকে পড়ে শোয়ার ঘরে। ধোঁয়ার তীব্রতা এতটা বেশি ছিল যে এরিনকে ঘরের ভিতরে ঢুকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। CNN-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ক্রিস ভেবেছিলেন, বাইরে থেকে এরিনকে বের করে আনবেন। কিন্তু সেটাও সম্ভব হয়নি কারণ কালো ধোঁয়ায় কিছু দেখাই যায়নি।

কিন্তু ততক্ষণে এলি বোনকে বাঁচাতে ভিতরে চলে গিয়েছে এবং বোনকে নিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করছে। বোনকে কোলে নেওয়া অবস্থায় আগুনের মাঝে এলিকে দেখতে পান ক্রিস এবং তাদের বাইরের দিক থেকে বের করে আনেন। যার ফলে বেঁচে যায় গোটা পরিবার। কিন্তু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে তাঁদের সব কিছু।

CNN-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এলি জানায়, প্রথমে মনে হয়েছিল এমন কাজ সে করতে পারবেন না। সে ভয়ে ছিল, কিন্তু বোনের কিছু হয়ে যাক- সেটাও চায়নি। তাই দৌড়ে ভিতরে যায় এবং ২২ মাসের বোনকে উদ্ধার করে।

এলির এই সাহসিকতা দেখার পর থেকে ক্রিস ও নিকোল দু'জনেই তাকে বাহবা দিতে থাকেন। তার এই কাজের প্রশংসা করতে থাকে প্রতিবেশীরাও। জানা গিয়েছে, নিকোল ও ক্রিস দু'জনই দমকলের কর্মী ছিলেন। কিন্তু করোনা (Coronavirus)-র জেরে কাজ হারিয়েছেন।

এ'দিকে, বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় তাঁদের পুরো বাড়ি। পুড়ে যায় তিনটি গাড়িও। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে ২০টা দমকলের ইঞ্জিন লাগে। ক্রিস পরে সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, তাঁদের সব কিছু শেষ হয়ে গিয়েছে। সব কিছু পুড়ে গিয়েছে। এমনকি পরার মতো জামা-কাপড়ও নেই!

Published by:Rukmini Mazumder
First published: