No Tobacco Day | ১৩ থেকে ১৫ বছরের ৪ কোটি শিশুর হাতে পৌঁছে যাচ্ছে তামাকজাত দ্রব্য

প্রতীকী ছবি

তাঁরা জানিয়েছেন, ১০ জনের মধ্যে ৯ জন ধূমপায়ী ১৮ বছর বয়সের আগেই ধূমপান করতে শুরু করেন।

  • Share this:

    নিয়ম প্রাপ্তবয়স্কদের ছাড়া আর কাউকে বিক্রি করা যাবে না, কিন্তু সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ১৩ থেকে ১৫ বছরের শিশুদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে তামাকজাত দ্রব্য। আর সেই সংখ্যাটা প্রায় চার কোটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমনই এক তথ্য জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাঁরা জানিয়েছেন, এই চার কোটি শিশু নিয়মিত নিকোটিন জাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করছে।

    বিশ্ব ধূমপান বিরোধী দিবসে শিশুদের কাছে ধূমপানের খারাপ প্রভাব নিয়ে বার্তা পৌঁছে দিতে একটি কিটের উদ্বোধন করে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, প্রতিবছর পৃথিবীতে ৮০ লক্ষ লোকের তামাকজাত দ্রব্যের কারণে মৃত্যু হয়। আর সেই তামাজাত দ্রব্যই সহজে পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বের এই বিপুল সংখ্যক শিশুদের হাতে। তাঁরা জানিয়েছেন, ১০ জনের মধ্যে ৯ জন ধূমপায়ী ১৮ বছর বয়সের আগেই ধূমপান করতে শুরু করেন। সেই মতো বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়। তাই তামাকজাত দ্রব্য প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির যাতে শিশুমনকে প্রভাবিত না করত পারে, সেই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা দরকার। তিনি এদিন মনে করিয়ে দেন, ই সিগারেটের মতো জিনিস, যা সিগারেটের পরিবর্ত হিসেবে ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকে, তাও মানব শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। এর ফলে হৃদযন্ত্রের সমস্যা, ফুসফুসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    করোনা মোকাবিলার ক্ষেত্রেও ধূমপান মানুষের সুস্বাস্থ্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলেও মনে করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা বলছেন, করোনা সংক্রমণের সময় ফুসফুস জনিত সমস্যাই প্রধান হয়েছে দাঁড়িয়েছে। আর তামাকজাত দ্রব্য সেই ফুসফুসেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। মানুষের শরীরের অন্যতম প্রধান অঙ্গ হিসাবে ফুসফুসের ওপর এই প্রভাব বিস্তারের ফলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। লকডাউনের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘক্ষণ ঘরে থাকা, একাকীত্ব ইত্যাদি কাটাতে ঘনঘন সিগারেট খাচ্ছেন। তাঁরা মনে মনে নিজেকে আশা দিচ্ছেন, লকডাইন উঠে গেলে অভ্যাস ত্যাগ করবেন। যদি ত্যাগ করতে হয়, তাহলে এখনই করা ভাল।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: