'আমার বাবার ২৭ জন স্ত্রী এবং ১৫০ সন্তান'! বেনজির বহুবিবাহে বৃহত্তম পরিবারের কেচ্ছা ভাইরাল

'আমার বাবার ২৭ জন স্ত্রী এবং ১৫০ সন্তান'! বেনজির বহুবিবাহে বৃহত্তম পরিবারের কেচ্ছা ভাইরাল
27 wives and 150 children says worlds largest polygamist family goes viral sps

এক ভদ্রলোকের ২৭ জন স্ত্রী এবং ১৫০ সন্তান! না কোনও আজগুবি গল্প কথা নয়৷ একেবার ঘোর বাস্তব৷ ৬৪ বছর বয়সী কানাডার বিখ্যাত বহুগামী ব্যক্তি উইনস্টন ব্ল্যাকমোর-এর পরিবারের কেচ্ছা কাহিনী এটা৷ আর যা ফাঁস করেছেন স্বয়ং ব্ল্যাকমোরের তিন ছেলে৷

  • Share this:

    #ওটাওয়া: এক ভদ্রলোকের ২৭ জন স্ত্রী এবং ১৫০ সন্তান! না কোনও আজগুবি গল্প কথা নয়৷ একেবার ঘোর বাস্তব৷ ৬৪ বছর বয়সী কানাডার বিখ্যাত বহুগামী ব্যক্তি উইনস্টন ব্ল্যাকমোর-এর পরিবারের কেচ্ছা কাহিনী এটা৷ আর যা ফাঁস করেছেন স্বয়ং ব্ল্যাকমোরের তিন ছেলে৷

    ১৯ বছরের মার্লিন ও তাঁর দুই ভাই ( ১৯ বছরের ম্যুরে ও ২১ বছরের ওয়ারেন) সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে মুখ খুলেছেন৷ মার্লিন টিকটকে একটি ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, "বছরের পর বছর এই নিয়ে আমি কথা বলতে চেয়েছিলাম, আমি এখন সেই জায়গায় আছি৷ বিশ্বকে জানাব আমাদের কথা৷"

    https://youtu.be/EmmUmYz1TB4

    কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার বাউন্টিফুলে এক বিরাট বাড়িতেই ব্ল্যাকমোরের সকল স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততিরা এক সঙ্গেই থাকেন৷ ছেলে-মেয়েরা নিজেদের জন্য তৈরি আলাদা স্কুলে পড়াশোনা করে৷ এমনকী বাড়ির মধ্যেই রয়েছে 'মোটেল হাউস'৷ সেখানে দল বেঁধে থাকে সকল কিশোর-কিশোরী৷এই বাড়িতে আর পাঁচটা পরিবারের মতোই সকলের জন্মদিন পালন করা হয়, 'থ্যাঙ্কগিভিং' পার্টিও হয়, কিন্তু এসবের জন্য ভাড়া করা হয় বিরাট হল ঘর৷

    ওয়ারেন আরও বলছেন, "তিনটি ভিন্ন বোনের দুটি দল ছিল এবং অন্য পরিবারের চারটি ভিন্ন বোনের চারটি দল ছিল তাঁদের।" মার্লিন নিজেকে একই দিনে জন্মগ্রহণকারী 'ট্রিপলেট' বলেই মনে করেন৷ পরিবারের অন্য দুই সদস্যের, যাঁদের আলাদা মা রয়েছে, আর মারে আরও ১২ ভাই-বোনের সঙ্গে এক বছরেই জন্মান, যাঁদের সবার নাম "এম" অক্ষর দিয়ে৷

    মার্লিন এবং তাঁর বাবার এখন আর সম্পর্ক নেই। ২০১৭ সালে,ব্ল্যাকমোরের বিরুদ্ধে বহুবিবাহের অভিযোগে ওঠে এবং মাস ছয়েক গৃহবন্দী থাকেন তিনি৷ মার্লিন ও তাঁর দুই ভাই ওই সম্প্রদায় ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে৷ কিন্ত ভাই-বোনরা এক জায়গায় হলে তাঁরা আসেন৷ এখনও সুসম্পর্ক রয়েছে৷

    Published by:Subhapam Saha
    First published: