• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • Polar Bear: রবারের বল গিলে ফেলে মর্মান্তিক মৃত্যু মেরু ভল্লুকের, আঙুল উঠল দর্শনার্থীর দিকে!

Polar Bear: রবারের বল গিলে ফেলে মর্মান্তিক মৃত্যু মেরু ভল্লুকের, আঙুল উঠল দর্শনার্থীর দিকে!

রাশিয়ার চিড়িয়াখানায় মর্মান্তিক মৃত্যু মেরু ভল্লুকের, আঙুল উঠল দর্শনার্থীর দিকে!

রাশিয়ার চিড়িয়াখানায় মর্মান্তিক মৃত্যু মেরু ভল্লুকের, আঙুল উঠল দর্শনার্থীর দিকে!

অটোপ্সি রিপর্টে উমকার পেটে পাওয়া গিয়েছে রবারের একটি বল।

  • Share this:

#মস্কো: রাশিয়ার ইয়াকেতেরিনবার্গ (Yaketerinberg) শহরের একটি চিড়িয়াখানায় মর্মান্তিক মৃত্যু হল একটি মেরু ভল্লুকের। সোমবার নিজের খাঁচার ভিতর প্রাতরাশ সারার সময় আচমকাই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে বছর পঁচিশের ওই মেরু ভল্লুক উমকা ( Umka)। তাকে লুটিয়ে পড়তে দেখে দৌড়ে আসেন তার অবধায়ক। খবর দেওয়া হয় ভেটেরেনারি ডাক্তারদের একটি টিমকে। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। ডাক্তারদের দল আসার আগেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে ওই মেরু ভল্লুক।

অটোপ্সি রিপর্টে উমকার পেটে পাওয়া গিয়েছে রবারের একটি বল। উমকার মৃত্যুর কারণ হিসাবে এই রবারের এই বলটিকেই দায়ী করছেন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি- উমকার দিকে এই বলটি ছুঁড়েছিল চিড়িয়াখানায় আগত দর্শকদের কেউ। তাদের ছোঁড়া বলই বুঝতে না পেরে গিলে নেয় উমকা। আর সেই বলের ফলেই মৃত্যু হয়েছে তার। এই ঘটনায় কার্যত স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছে গোটা চিড়িয়াখানা। তত্বাবধায়ক থেকে সাধারণ কর্মী, শোকের ছায়া নেমে এসেছে সমস্ত মহলে।

তবে শোকের অভিঘাত যার সব থেকে বেশি, সে হল 'আয়না (Aina)- ওই চিড়িয়াখানার আরেকটি মেরু ভল্লুক। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কথায়, উমকার মৃত্যুতে সব থেকে বেশি ভেঙে পড়েছে এই স্ত্রী মেরু ভল্লুকটি। এক কর্মচারী ইয়াকাতেরিনা উভারোভা (Yekaterina Uvarova) জানিয়েছেন, 'আয়না ও উমকার মধ্যে চমৎকার বন্ধুতা ছিল। দুজনেই দুজনের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটাত। এমনকি একে অপরের সঙ্গে খেলনা আদানপ্রদানও করে থাকত। এই ঘটনার পর আয়না কার্যত ভেঙে পড়েছে৷ ডেইলি মেইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন চিড়িয়াখানার আধিকারিকরা৷ উমকার ঘটনার পর তারা বেশ চিন্তিত আয়নাকে নিয়ে। চিড়িয়াখানার ভেতর খুব কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন তাঁরা৷ উমকার ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, তা সুনিশ্চিত করার জন্য৷ তবে উমকার মৃত্যুর জন্য দায়ী কাউকে খুঁজছেন না চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

উমকাকে এই চিড়িয়াখানায় নিয়ে আসা হয়, ১৯৯৮ সালে। তখন উমকার বয়স মাত্র দুই বছর৷ চোরাশিকারিদের হাতে তার মা মারা গিয়েছিল। উমকার জন্ম খুব সম্ভবত রাশিয়ার চাউকোটকা (Chaukotka) প্রদেশে। সেখানেই খাবারের খোঁজে বেরিয়ে একবার রাস্তার কুকুরদের হাতে জখম হয় উমকা। গ্রামবাসীরাই তাকে তুলে দিয়েছিল এই চিড়িয়াখানায়। সেই থেকে একটানা তেইশ বছর এই চিড়িয়াখানায় ছিল উমকা। এর পর অকস্মাৎ মৃত্যু। তার মৃত্যুর কথা বলতে গিয়ে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলেন, 'দর্শকরা পশুপাখিদের খাঁচার সামনে মাঝেসাঝেই উল্টোপাল্টা জিনিস ছুঁড়ে থাকেন৷ পরিণতির কথা না ভেবেই। যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।'

Published by:Raima Chakraborty
First published: