সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় মায়ানমারের ১৯ পুলিশ কর্মীর

সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় মায়ানমারের ১৯ পুলিশ কর্মীর

৪ মার্চ বৃহস্পতিবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতের এক পুলিশ কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

৪ মার্চ বৃহস্পতিবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতের এক পুলিশ কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

  • Share this:

    #ইয়াঙ্গুন: সামরিক অভ্যুত্থান মানতে না পেরে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিল মায়ানমারের ১৯ পুলিশ কর্মী।মিজোরামের চাম্পাই ও সারচিপ জেলার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের পর তারা দেশটিতে আশ্রয় চেয়েছেন। ৪ মার্চ বৃহস্পতিবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতের এক পুলিশ কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

    আশ্রয়প্রার্থীদের সবাই বার্মিজ পুলিশের নিম্নপদস্থ সদস্য বলে জানা গিয়েছে। ভারতে প্রবেশের সময় তাঁদের সবাই নিরস্ত্র ছিলেন। তবে বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

    মায়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর সেই পরিস্থিতিতে দেশটি থেকে আরও অনেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্যেও এর ইঙ্গিত মিলেছে।

    এদিকে মায়ানমারের সেনা ও পুলিশ সদস্যরা চিনা অ্যাপ টিকটক ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের দেখামাত্র গুলি করার হুমকি দিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বুধবার জান্তাবিরোধী অন্তত ৩৮ বিক্ষোভকারী নিহতের মধ্যেই টিকটক ব্যবহার করে এই ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও জীবনের পরোয়া না করে বৃহস্পতিবার ফের রাজপথে নেমেছে আন্দোলনকারীরা।

    গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে মায়ানমারে ব্যাপক গণ বিক্ষোভ এবং নাগরিক অসহযোগ আন্দোলন চলছে। বিক্ষোভকারীরা সেনা শাসনের অবসান এবং দেশটির নির্বাচিত নেতাদের মুক্তির দাবি করছেন। বৃহস্পতিবার পশ্চিম ইয়াঙ্গুনের শহর পাথেইন-এ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ গুলি ছুড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সেখানে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে বুধবার পুলিশ ও সেনাসদস্যরা বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে তাজা গুলিবর্ষণ করে। কোনও সতর্ক সংকেত ছাড়াই বিভিন্ন শহর ও নগরে গুলিবর্ষণ করা হয়।

    সু চি সমর্থকরা বলেছেন, তাঁরা সামরিক শাসনের অধীনে থাকতে চান না। সু চি-র মুক্তির জন্য তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

    Published by:Simli Dasgupta
    First published: