দুবরাজপুরে কালী পুজোয় একসঙ্গে মেতে ওঠেন হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ

দুবরাজপুরে কালী পুজোয় একসঙ্গে মেতে ওঠেন হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ
  • Share this:

# দুবরাজপুর: পুজোর মাধ্যমে সম্প্রীতির বার্তা। কালী পুজো ঘিরে উৎসবে মেতে ওঠেন দুবরাজপুরের লোবা গ্রামের হিন্দু ও মুসলমানের সম্প্রদায়ের মানুষ। এখানে তিনটি কালীর পুজো হয়। বড়, মেজো ও ছোট বোনের উপাসনায় মাতেন কয়েক হাজার মানুষ। বিসর্জনের মেলায় যেন মহামিলন। লোবা গ্রামে প্রায় সপ্তাহব্যাপী চলে সম্প্রীতির উৎসব।

কথিত আছে তিনশো বছর আগে লোবায় কালী পুজো শুরু করেন রামেশ্বর দণ্ডী। মায়েরা এখানে তিন বোন। লোবায় কালীকে বড়মা, বাবুপুরের কালীকে মেজো মা এবং বরারির কালীকে ছোটমা ডাকেন ভক্তরা। রামেশ্বর দণ্ডী গ্রাম ছাড়ার আগে পুজোর দায়িত্ব চক্রবর্তী এবং ঘোষ পরিবারকে দেন। পুজোর জন্য ট্রাস্টি গড়া হয়। প্রতিমা গড়া থেকে বিসর্জন --- লোবার পুজোয় বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে বিশেষ রীতি। প্রতিমা গড়তে ব্যবহার করা হয় ভেষজ রং। তিন জায়গায় হয় কালীর উপাসনা। পুজো শেষে মেজো মা এবং ছোটমা আসেন বড়দির বাড়িতে। সেখান থেকে বেরোয় বিসর্জনের শোভাযাত্রা।

বিসর্জনে যোগ দেন আশেপাশে গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। পুজো উপলক্ষে মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। পুজো ও মেলা দেখতে নব দম্পতিকে নিমন্ত্রণ জানান মুসলিমরা। নতুন জামাইকে দেওয়া হয় নজরানাও। কালী পুজোর মধ্যে দিয়েই ছড়িয়ে পড়ে সম্প্রীতির বার্তা।

দেশজুড়ে যখন সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। জাতি, ধর্মের নামে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে একদল মানুষ। সেখানে বাংলার বুকে সম্প্রীতির বার্তা দিচ্ছেন দুবরাজপুরের লোবার বাসিন্দারা।

First published: November 5, 2018, 10:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर