হোম /খবর /হাওড়া /
হোগলার মাদুর তৈরির পাশাপাশি সৌখিন জিনিস করতে আগ্রহী ব্যবসায়ীরা

Howrah News: হোগলা শিল্পে আশার আলো, সৌখিন জিনিস করতে আগ্রহী ব্যবসায়ীরা

X
title=

হোগলা গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে অতি পরিচিত, বেশ কিছু বছর আগে মাঠের পর মাঠ অনাবাদি জমিতে বড় প্রকৃতির ঘাস লম্বা পাতাযুক্ত এই গাছ দেখা যেত। বিভিন্ন এলাকাতে বিভিন্ন নামে পরিচিত এই গাছ। বর্তমানে কলকারখানা ব্যাপকভাবে গ্রাস করছে হোগলা জমি।

আরও পড়ুন...
  • Hyperlocal
  • Last Updated :
  • Share this:

#হাওড়া : হোগলা গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে অতি পরিচিত, বেশ কিছু বছর আগে মাঠের পর মাঠ অনাবাদি জমিতে বড় প্রকৃতির ঘাস লম্বা পাতাযুক্ত এই গাছ দেখা যেত। বিভিন্ন এলাকাতে বিভিন্ন নামে পরিচিত এই গাছ। বর্তমানে কলকারখানা ব্যাপকভাবে গ্রাস করছে হোগলা জমি। তবে এই হোগলা কিছু এলাকাতে কদর দিয়েই চাষ হচ্ছে বলা চলে কারণ এর গুরুত্ব বা এই হোগলা বহু মানুষের রুটি রুজি। হাওড়া উলুবেরিয়া নিমদিঘি গ্রাম সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েক হাজার মানুষের জীবিকা নির্ভর এই 'হোগলা'র উপর নির্ভরশীল। জানা যায় শতাধিক বছর আগে নিমদীঘিতে হোগলা পাট দড়ির সাহায্যে পরপর সাজিয়ে দড়ির বাঁধনে বিভিন্ন সাইজের চাদর তৈরি হয়, শুরু থেকে চাহিদা বেশ ভালো।

সেই চাদর একসময় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো অস্থায়ী ঘর, বিভিন্ন প্রজেক্ট ইটভাটা বা অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে দেখা যেত। বর্তমান সময়ে প্লাস্টিকের ব্যবহার বেড়েছে উন্নত প্রযুক্তিতে প্লাস্টিক ত্রিপল জাতীয় ব্যবহারের ফলে এক্ষেত্রে হোগলার ব্যবহার কম হয়েছে। অস্থায়ী ঘর বা ঘরের সিলিং এ হোগলার ব্যবহার কম হলেও এই পরিবেশবান্ধব হোগলার ব্যবহার অন্য ক্ষেত্রে দারুণভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাতেই হোগলা শিল্পীদের আশার আলো জোগাচ্ছে। বর্ষা ফুরালেই হোগলার চাহিদা বাড়ে বিশেষ করে লক্ষ লক্ষ টাকার পূজা মন্ডপে বিভিন্ন থিম কারুকার্যতে হোগলার ব্যাপকভাবে ব্যবহার বাড়ছে বর্তমানে সেই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ চাহিদা রয়েছে বিভিন্ন রাজ্যে রপ্তানি হচ্ছে হোগলা দিয়ে তৈরি ম্যাট বা চাদর।

আরও পড়ুনঃ দীর্ঘদিন নেই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক! ক্রমশ ছাত্রীর সংখ্যা কমছে বিদ্যালয়ে

বিশেষ করে সবজি প্যাকিং করতে ট্রাকের দেওয়াল ঘষা লাগা থেকে সবজি সুরক্ষিত রাখতে এই হোগলার ব্যবহার বেড়ে চলেছে। আর তাতেই চাহিদা বেড়েছে, সেই চাহিদার সঙ্গে যারা হোগলার শ্রমিক কর্মরত তারা পারিশ্রমিক মন্দ পাচ্ছেন না এই কাজে। জানা যায় এই হোগলা গেঁথে প্রতিদিন ৩০০-৪৫০ টাকা পর্যন্ত আয় করছে পুরুষ মহিলা, পাশাপাশি এই হোগলা কাটিং এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া সব মিলিয়ে বহু মানুষের কর্মসংস্থান।

আরও পড়ুনঃ অর্ধেক দামে তরতাজা সবজি! শুনতে অবাস্তব মনে হলেও একেবারে সত্যি!

১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের হাওড়ার উলুবেরিয়া নিমদিঘীতে গেলে দেখা মিলবে রাস্তার পার্শ্ববর্তীতে দুই দিকে তাক দেয়া রয়েছে হোগলা চাদর। এই চাদর নিমদিঘী টাকে বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। আগামীতে আরও এর চাহিদা বাড়বে এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কারণ এই হোগলা চাদরের বিকল্প থাকলেও এই হোগলা পরিবেশ বান্ধব, ফলে হোগলার চাহিদা বাড়বে আগামীতে আরোও। এর পাশাপাশি হোগলা থেকে তৈরি হতে পারে বিভিন্ন সৌখিন জিনিস যার বাজার মূল্য বেশ ভালো, চাহিদাও রয়েছে।

Rakesh Maity

Published by:Soumabrata Ghosh
First published:

Tags: Howrah, Uluberia