স্কুলের শিক্ষিকাকে শাড়ি পরেই আসতে হবে, সালোয়ার বিতর্কে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট

স্কুলে সালোয়ার বিতর্কে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট। ২০১০ সালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন মধুরিমা দাস

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Oct 30, 2017 08:52 PM IST
স্কুলের শিক্ষিকাকে শাড়ি পরেই আসতে হবে, সালোয়ার বিতর্কে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট
Representative Image
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Oct 30, 2017 08:52 PM IST

#কলকাতা: স্কুলে সালোয়ার বিতর্কে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট। ২০১০ সালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন মধুরিমা দাস। সালোয়ার পরে যাওয়ায় তাঁকে স্কুলে ঢুকতে বাধা দেয় কর্তৃপক্ষ। এমনকী অপবাদ দিয়ে ফাঁসানো হয় বলেও অভিযোগ। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন শিক্ষিকা। এই মামলাতেই ২০ নভেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট তলব করেছে আদালত।

স্কুলের শিক্ষিকাকে শাড়ি পরেই আসতে হবে। সালোয়ার পরা চলবে না। ফরমান না মানায় শিক্ষিকাকে চরম হেনস্থার অভিযোগ ওঠে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই মামলায় শিক্ষিকার করা মামলায় রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট।

- ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে শিক্ষিকা হিসেবে যোগদান মধুরিমা দাসের

- বাসন্তীর প্রফুল্ল বালিকা বিদ্যামন্দির স্কুলে যোগদান

- অভিযোগ, এরপর থেকেই তাঁর সালোয়ার পরা িনয়ে বিতর্ক শুরু

- মধুরিমাকে স্কুলে শাড়ি পরে আসার ফরমান জারি

- ফরমান জারি করেন প্রধান শিক্ষিকা ও পরিচালন সমিতি

- ফরমান মানেননি শিক্ষিকা মধুরিমা দাস

এরপর ২৪ ডিসেম্বর স্কুলের বাইরেই মধুরিমার সঙ্গে গন্ডগোল বাঁধে কর্তৃপক্ষের। তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের চুল কেটে দেওয়ার মিথ্যে অভিযোগ আনা হয়। এমনকী গ্রামবাসীদেরও উসকে দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার জেরে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন শিক্ষিকা। হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন তিনি। এই মামলায় কুড়ি নভেম্বরের মধ্যে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছে হাইকোর্ট ।

আদালতের হস্তক্ষেপে সুর নরম করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। মধুরিমা এখন সুস্থ। আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে তিনি। ছাত্রছাত্রীদের কাছে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় শিক্ষিকা।

First published: 08:52:07 PM Oct 30, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर