গুজরাতে ষষ্ঠবারের বিজেপি সরকার, তবুও নিষ্কন্টক নয় জয়, তবে কি ফিকে হচ্ছে মোদি-অমিত ম্যাজিক?

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Dec 19, 2017 12:30 PM IST
গুজরাতে ষষ্ঠবারের বিজেপি সরকার, তবুও নিষ্কন্টক নয় জয়, তবে কি ফিকে হচ্ছে মোদি-অমিত ম্যাজিক?
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Dec 19, 2017 12:30 PM IST

 #নয়াদিল্লি: বুথভিত্তিক সংগঠনে ভোটের ফল বদলে দেওয়াটা তাদের বাঁয়ে হাত কা খেল। এবার কী সেই মিথ কিছুটা হলেও ধাক্কা খেল? গুজরাত দখলে ১৫০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। বাস্তবে ১০০ আসনের নীচেই থামতে হল গেরুয়া শিবিরকে। উলটে গেল মোদি-শাহ জুটির সব হিসাব। গ্রামীণ গুজরাতে ধস, ওবিসি ভোটব্যাঙ্কে ফাটল - এসব বোধহয় ভাবতেই পারেননি অমিত শাহরা।

এই জয়কে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের জয় বলেই জানিয়েছেন বিজেপি সভাপতি ৷ অমিত শাহের কথায়, ‘গুজরাত-হিমাচলের মানুষকে অভিনন্দন ৷ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই জয় ৷ মোদিজির জনকল্যাণ নীতির জয় হয়েছে ৷ পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে রায় মানুষের ৷ জাতিবাদ ও তোষণের বিরুদ্ধে জয় ৷ দেশের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করল এই জয় ৷ গুজরাতে টানা ৬ বার বিজেপির সরকার ৷ ৯০ সাল থেকে গুজরাতে হারেনি বিজেপি ৷ শতাংশের হিসেবে গুজরাতে ভোট বৃদ্ধি বিজেপির ৷’

টার্গেট ১৫০ আসন। ভোটের ৪ মাস আগেই লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন বিজেপি সভাপতি। তার ধারেকাছে পৌঁছনো যায়নি।

গুজরাতে বছরভরই নাকি সক্রিয় থাকে গেরুয়া শিবিরের ভোট মেশিনারি। বুথ ভিত্তিক সংগঠনে তাঁরাও ডাহা ফেল। ফল গত আড়াই দশকে সবচেয়ে খারাপ ফল। কোথায় মিলল না মোদি- শাহ জুটির সমীকরণ-

দক্ষিণ ও মধ্য গুজরাতের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ৭টি আসন কমেছে

গ্রামীণ এলাকায় হার ৮টি আসনে

সৌরাষ্ট্রে ১৪ টি আসন হাতছাড়া

এর মধ্যে ১২ টিই কংগ্রেসের দখলে

তবে শহর এলাকায় অটুট গেরুয়া ভোটব্যাঙ্ক

দলীয় রিপোর্ট কিন্তু জানাচ্ছিল, অসন্তোষ রয়েছে। উন্নয়ন, জাতপাত, সংরক্ষণ, জিএসটি , নোটবাতিল নিয়ে ক্ষোভে ফুটে উঠতে পারে ইভিএমে। সেই মতো ড্যামেজ কন্ট্রোলও শুরু হয়। জিএসটি কমানো, নতুন সংরক্ষণ নীতির প্রতিশ্রুতিতেও লাভ হবে কিনা আশঙ্কা ছিল। তাই সত্যিই প্রমাণিত হল ভোটবাক্সে।

পূর্ব সুরাতে আসন হাতছাড়া গেরুয়া শিবিরের

কাজ করেনি মোদি পাক ষড়যন্ত্র তত্ত্ব

পালানপুর আসন হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির

এখানে জনসভাতেই পাক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে নরেন্দ্র মোদির

জামালপুর-খান্দিয়ার মতো বিজেপির দুর্গে হার

হার প্রধানমন্ত্রীর কেন্দ্র উনঝাতে

সেই মতোই ঢেলে সাজানো হয় বুথভিত্তিক সংগঠন। ক্লান্তিহীন প্রধানমন্ত্রীর একের পর এক জনসভা। পাক যোগের অভিযোগ। তারপরও ভোটের ফল নিয়ে অজুহাত খুঁজতে হচ্ছে অমিত শাহদের।

অমিত শাহের কথায়, ‘উন্নয়ন ও সুশাসনে আস্থা মানুষের ৷ প্রচারে অনেক হীন শব্দের ব্যবহার কংগ্রেসের ৷ তারই জবাব দিয়েছে গুজরাত, হিমাচল ৷ হিমাচলেও এবার পদ্ম ফুটেছে ৷ আগামী দিনে ৪ রাজ্যের ভোটে জিতবে বিজেপি ৷ ’

গুজরাতে উতরানো গিয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে সহ একাধিক পরীক্ষা আরও কঠিন। ২০১৯ এর দিল্লির রাস্তা যে আরও দূর, তা মালুম পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা।

First published: 12:30:49 PM Dec 19, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर