সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করলে বাড়তে পারে মৃত্যুর ঝুঁকি: WHO

আপনিও যদি বাড়িতে বসে দীর্ঘ সময় ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে কাজ করে থাকেন তাহলে নিজের শরীরে উপরে ডেকে আনছেন বড় বিপদ৷

আপনিও যদি বাড়িতে বসে দীর্ঘ সময় ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে কাজ করে থাকেন তাহলে নিজের শরীরে উপরে ডেকে আনছেন বড় বিপদ৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখার জন্য একাধিক রাজ্যে লকডাউন জারি করা হয়েছে ৷ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতায় দেশজুড়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ৷ প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৷ সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতেরও সংখ্যা ৷ এরম পরিস্থিতিতে একাধিক সংস্থা কর্মচারীদের জন্য ওয়ার্ক ফ্রম হোম সুবিধা চালু করে দিয়েছে ৷ ওয়ার্ক ফ্রম হোম হওয়াতে নতুন একটি তথ্য সামনে এসেছে ৷ অফিসে গিয়ে কাজ করলে কর্মীদের দিনে ৬-৮ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হয় ৷ তবে যেহেতু এখন বেশিরভাগ মানুষই বাড়ি থেকে কাজ করছেন, তাতে দেখা গিয়েছে অফিসের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ সময় ধরে অফিসের কাজ করতে হচ্ছে ৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO এর তরফে জানানো হয়েছে, বেশি সময় ধরে অফিসের কাজ করা শরীরের পক্ষে বেশ ক্ষতিকারক ৷ রিসার্চে জানা গিয়েছে, এত দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে ৷

    WHO এর তরফে জারি করা রিপোর্টে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি কাজ করার জন্য এক বছরে হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন ৷ করোনা মহামারির সময় এই প্রবণতা আরও বেড়েছে ৷ লকডাউনের কারণে ওয়ার্ক ফ্রম হোম অনেকের কাছেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৷ আপনিও যদি বাড়িতে বসে দীর্ঘ সময় ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে কাজ করে থাকেন তাহলে নিজের শরীরে উপরে ডেকে আনছেন বড় বিপদ৷ রিসার্চে দেখা গিয়েছে ২০১৬ সালে দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য স্ট্রোক (Stroke) ও হার্ট অ্যাটাকে (Heart disease) আক্রান্তের সংখ্যায় বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল ৷ এর জেরে গোটা বিশ্বে ৭.৪৫ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন ৷ এই সংখ্যা ২০০০ সালের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি ৷

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ডিরেক্টর মারিয়া নিরা জানিয়েছেন, এক সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক ৷ এই তথ্যের মাধ্যমে সেই সমস্ত কর্মীদের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করা হবে যাঁরা এখনও দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে থাকে ৷

    রিসার্চে দেখা গিয়েছে, ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি যাঁরা কাজ করেন তাদের মধ্যে ৩৫ শতাংশ মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন আর ১৭ শতাংশ মানুষের প্রাণের ঝুঁকি থাকে ৷ দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার পার্শ্বপ্রতিয়া চিন, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার কর্মীদের মধ্যে বেশি দেখা গিয়েছে ৷

    Published by:Dolon Chattopadhyay
    First published: