Home /News /entertainment /
Pallavi Dey Death: একাধিক মহিলার সঙ্গে সাগ্নিকের সম্পর্ক, প্রত্যেকের পরিণতিই হতাশাজনক! কেন?

Pallavi Dey Death: একাধিক মহিলার সঙ্গে সাগ্নিকের সম্পর্ক, প্রত্যেকের পরিণতিই হতাশাজনক! কেন?

Pallavi Dey Death: ৩০২, ১২০বি, ৪২০, ৪০৩, ৪০৬, ৩৪১ এবং ৩২৩ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ ৷ অর্থাৎ খুন , ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, জিনিস চুরি, বিশ্বাস ভঙ্গ, আটকে রাখা ও মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সাগ্নিককে৷

  • Share this:

    পল্লবী দের মৃত্যুর পরে সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ প্রত্যেকটি ঘটনার পিছনেই জড়িয়ে রয়েছেন পল্লবীর প্রেমিক সাগ্নিক।

    সাগ্নিক-সৌমি

    হাওড়ার জগাছার বাসিন্দা সৌমি মণ্ডল ছিলেন সাগ্নিকের প্রথম প্রেমিকা৷  ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ হাওড়ার জগাছার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল একাদশ শ্রেণির ছাত্রী সৌমি মণ্ডলের ঝুলন্ত দেহ৷ পল্লবীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতেই ফের একবার সাগ্নিকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন সৌমির পরিবার৷ পল্লবীর মৃত্যুর পর তাঁর বান্ধবী ঐন্দ্রিলার সঙ্গে সাগ্নিকের সম্পর্কের অভিযোগ সামনে এসেছে৷ সৌমির মা ইলা মণ্ডলও তাঁর মেয়ের মৃত্যুর জন্য সাগ্নিক এবং ঐন্দ্রিলার সম্পর্ককেই দায়ী করেছেন৷ জগাছার সূর্যশ্রী নগরে থাকত সৌমি৷ সাগ্নিকও জগাছারই বাসিন্দা৷  সাঁতরাগাছির কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে একসঙ্গে পড়াশোনার সুবাদে সাগ্নিকের সঙ্গে আলাপ সৌমির৷ সেই সূত্রেই ঘনিষ্ঠতা এবং প্রেম৷ সৌমির পরিবারের দাবি, মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার পর নিয়মিত তাঁদের বাড়িতে আসত সাগ্নিক৷ ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতো সে৷ সৌমি যেখানেই যেত, সঙ্গে থাকত সাগ্নিক৷ কিন্তু ধীরে ধীরে সাগ্নিক এবং সৌমির সম্পর্কে চিড় ধরে৷ শেষ পর্যন্ত ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ একাদশ শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষা চলাকালীনই বাড়িতেই সৌমির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়৷

    সাগ্নিক-সুকন্যা

    সুকন্যা মান্না নামে এক মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। আর সাগ্নিক-সুকন্যার রেজিস্ট্রি ম্যারেজে হাজির ছিলেন খোদ পল্লবীই। এমনকি রেজিস্ট্রেশনে সাক্ষী হিসেবেও সই করেন পল্লবী। সুকন্যার বাবা জানিয়েছেন, সুকন্যার বন্ধু ছিলেন পল্লবী। বেশ কয়েকবার পল্লবী তাঁদের বাড়িতে গিয়েছেন। বন্ধুত্বের কথা স্বীকার করে  নিয়েছেন সুকন্যার মা৷সুকন্যার পরিবারের বক্তব্য, একসঙ্গে তাঁরা মেলামেশা করতেন। তখনই হয়তো সাগ্নিকের সঙ্গে পল্লবীর পরিচয় ঘটে থাকতে পারে। তবে গত বছর সুকন্যার জন্মদিনের সময় পল্লবীও গিয়েছিলেন তাঁদের বাড়িতে। আর তার ঠিক চার-পাঁচদিন পর থেকেই সুকন্যা আর সাগ্নিকের মধ্যে ঝামেলার সূত্রপাত হয়৷ এই সব তথ্য সামনে আসার পর ঘটনা জটিল হচ্ছে ক্রমশ৷

    সাগ্নিক-ঐন্দ্রিলা

    পল্লবীর পরিচারিকা সেলিমা দাবি করেছেন, পল্লবী ফ্ল্যাটে না থাকাকালীন ২ বার ফ্ল্যাটে এসেছিলেন ঐন্দ্রিলা। যদিও ঐন্দ্রিলা দাবি করেছিলেন, সাগ্নিকের সঙ্গে তাঁর কোনও মেলামেশা ছিল না। পল্লবীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় সাগ্নিক ও ঐন্দ্রিলার হাত রয়েছে বলে প্রথম থেকেই অভিযোগে সরব হয়েছে অভিনেত্রীর পরিবার। অন্যদিকে সাগ্নিকের প্রথম প্রেমিকা সৌমির মা ইলা মণ্ডলের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, ঐন্দ্রিলা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই সাগ্নিক এবং সৌমিকের সম্পর্কে চিড় ধরেছিল৷ ইলাদেবীর আরও অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে৷ কারণ সৌমি যখন আত্মহত্যা করেছিলেন, বাড়িতে কেউ ছিল না৷ সৌমির মৃত্যুর পর সাগ্নিক ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে তাঁদের বাড়িতেও গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন সৌমির মা৷

    সাগ্নিক-পল্লবী

    দীর্ঘদিন ধরে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন সাগ্নিক পল্লবী। তবে সেই সম্পর্কেও বহু ঝগড়া চলছিল৷ সাগ্নিক ঘটনার সময় ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে সিগারেট খেতে গিয়েছিলেন। তখন পল্লবী বেড রুমের দরজা ভিতর থেকে লক করে দেন। অনেক ডাকা ডাকি করেও তাঁর সাড়া মেলেনি। পুলিশ সূত্রে খবর,দরজা ভেঙ্গে সাগ্নিক উদ্ধার করে পল্লবী দেহ, কেয়ার টেকারের সাহায্যে। কেন তিনি পুলিশকে খবর দিলেন না? কেন তিনি দরজা বন্ধ দেখে কেন তখনই গেলেন না?  মৃতের পরিবারের অভিযোগ খুন করা হয়েছে পল্লবীকে। অভিনেত্রী পল্লবী দের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটনায় টানা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার হয়েছেন। ধৃতের নাম সাগ্নিক চক্রবর্তী (Sagnik Chakraborty)। বুধবার তাঁকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হবে। তাঁর বিরুদ্ধে ৩০২, ১২০বি, ৪২০, ৪০৩, ৪০৬, ৩৪১ এবং ৩২৩ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ ৷ অর্থাৎ খুন , ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, জিনিস চুরি, বিশ্বাস ভঙ্গ, আটকে রাখা ও মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সাগ্নিককে৷

    Published by:Rachana Majumder
    First published:

    Tags: Pallavi dey

    পরবর্তী খবর