''ওর উপকার কখনও ভুলব না'', সলমনের জন্যই প্রাণে বেঁচেছিলেন দিয়া মির্জার মা

''ওর উপকার কখনও ভুলব না'', সলমনের জন্যই প্রাণে বেঁচেছিলেন দিয়া মির্জার মা

সলমন খানের জন্যই প্রাণে বেঁচেছিলেন দিয়া মির্জার মা

সলমন খানের জন্যই প্রাণে বেঁচেছিলেন দিয়া মির্জার মা

  • Share this:

    #মুম্বই: তাঁকে পছন্দ করা যায়, অপছন্দ করা যায়, কিন্তু উপেক্ষা করা যায় না! বলিটাউনের ভাইজান সলমন খান! তাঁকে নিয়ে নিন্দুকেরা নানা কথা বলে থাকেন! আলোচনা-সমালোচনাও কিছু কম হয় না! কিন্তু তাও, মিঞার ক্যারিজমা এতটুকু খুন্ন হয় না! এর অন্যতম কারণ, সলমনের পরোপকারি স্বভাব! চেনা হোক বা অচেনা, কারও বিপদের কথা শুনলেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন সলমন। বরাবর! যেমন একবার সলমন খানের জন্যই প্রাণে বেঁচেছিলেন দিয়া মির্জার মা।

    একটি সাক্ষাৎকারে দিয়া জানান, '' একবার আমার মা অজ্ঞান হয়ে যান। আমি বুঝতে পারছিলাম না কী করব! অসহায় অবস্থায় সলমনকে ফোন করি, কারণ ও আমার বাড়ির পাশেই থাকে। সলমন সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসে, মাকে নিয়ে হাসপাতালে যায়। ও সেদিন না থাকলে কী যে হত, ভাবলে আজও শিউরে উঠি। ডাক্তার বলেছিলেন, ১৫ মিনিটের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি না করলে মাকে বাঁচানো যেত না!''

    ২০১৫-এ যখন কৃষ্ণসার হরিণ মারা নিয়ে আইনি জটিলতায় জর্জরিত সলমন, তখনই এই ঘটনাটা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন দিয়া মির্জা! তিনি ট্যুইট করেছিলেন, '' সলমন সেই মানুষটা যে আমার মাকে বাঁচিয়েছিল, আমি ওর উপকার কোনওদিন  ভুলব না ।''

    সম্প্রতি খবরের শিরোনামে থাকছেন দিয়া মির্জা! বিয়ের ১ মাস যেতে না যেতেই সুখবর দিলেন দিয়া, হানিমুন থেকে পোস্ট করলেন বেবি বাম্পের ছবি। ফেব্রুয়ারি মাসেই দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন দিয়া মির্জা ৷ ১ মাস কাটতে না কাটতেই বলিউড অভিনেত্রী দিলেন সুখবর, মলদ্বীপ থেকে বেবিবাম্পের ছবি শেয়ার করে দিয়া জানালেন তিনি মা হতে চলেছেন।

    মলদ্বীপে সমুদ্রের ধারে র‍্যাম্পে লাল কাফতান পরে দাঁড়িয়ে দিয়া, সামনেই অস্ত যাচ্ছে সূর্য, স্পষ্ট বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করে দিয়া লিখলেন, ' আমি আশীর্বাদ ধন্য। আমার মধ্যে এক নতুন জীবনের শুরু হচ্ছে। সব গল্প, ঘুম পাড়ানি গান। নতুন এক আশার জন্ম। আমার গর্ভে সবথেকে পবিত্র এই স্বপ্নের জন্মে আমি ধন্য।''

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: