রাস্তার মাঝে বাবার চোখের জল মুছিয়ে কাঁদছেন সেরা সুন্দরী মান্যা ! ভাইরাল ভিডিও

রাস্তার মাঝে বাবার চোখের জল মুছিয়ে কাঁদছেন সেরা সুন্দরী মান্যা ! ভাইরাল ভিডিও
মান্যা স্বপ্ন দেখতেন সেরা সুন্দরীর খেতাব জেতার। কিন্তু সংসারে ছিল চরম অভাব।

মান্যা স্বপ্ন দেখতেন সেরা সুন্দরীর খেতাব জেতার। কিন্তু সংসারে ছিল চরম অভাব।

  • Share this:

    #মুম্বই: সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০২০। মিস ইন্ডিয়া ২০২০-র মুকুট উঠল মানাসা বারাণসীর মাথায়। তবে গল্পটা তাঁকে নিয়ে নয়। আজকের গল্পের নায়িকা মান্যা সিং।উত্তরপ্রদেশের মান্যা তৃত্বীয় স্থান অধিকার করেছেন। তবে তাঁর লড়াইটা বাকিদের থেকে একটু আলাদা। মান্যার কথা বলা হচ্ছে কারণ তাঁর ছোটবেলা কেটেছে চরম আর্থিক অনটনে। উত্তর প্রদেশের খুশিনগরে তাঁর জন্ম। তাঁর বাবা একজন রিকশা চালক। রিকশা চালিয়েই সংসার চলে তাঁদের। মেয়ের সাফল্যে আজ গর্বে ভরে যাচ্ছে বাবা-মায়ের বুক।

    View this post on Instagram

    A post shared by Pinkvilla (@pinkvilla)

    মান্যা স্বপ্ন দেখতেন সেরা সুন্দরীর খেতাব জেতার। কিন্তু সংসারে ছিল চরম অভাব। তাঁর একটি ছোট ভাইও রয়েছে। এক কামরার ঘরে ছোট থেকে বড় হওয়া। ওই ঘরেই রান্না, খাওয়া, শোয়া, পড়াশুনো সব হয়েছে। বাবা অটো চালিয়ে যা রোজগার করতেন তা দিয়েই কোনও রকমে সংসার ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা চলেছে মান্যার। এরপর শুরু হয় অন্য লড়াই। মান্যা স্কুলের টপার ছিলেন। তাই পড়াশুনো এগিয়ে নিয়ে যেতে কলেজে ভর্তি হন তিনি। নিজের পড়াশুনো চালানোর জন্য সকালে বাসন মাজার কাজ করতেন। রাতে কল সেন্টারে যেতেন। এভাবে কাজ করেই নিজের পড়াশোনার খরচ চালাচ্ছিলেন। তবে নিজের স্বপ্নকে তিনি ভুলে যাননি। কষ্ট করে নাম দেন মিস ইন্ডিয়া জেতার প্রতিযোগিতায়। সে সময় জুটতে থাকে ছোট খাট মডেলিংয়ের কাজ। এবং আজ তিনি সেকেন্ড রানার আপ হন।

    এই খেতাব জেতার পর শহরে ফেরেন মান্যা। বাবার অটোতে করেই মাকে নিয়ে যান নিজের কলেজে। মাঝ রাস্তায় বাবা ও মাকে দাঁড় করিয়ে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন তিনি। হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেন তাঁর বাবা। নিজে হাতে চোখের জল মুছিয়ে দেন তিনি। এরপর অনুষ্ঠানে গিয়ে নিজের মাথার মুকুট খুলে পরিয়ে দেন মাকে। এই আবেগে ভালোবাসায় ভরা ভিডিও দেখেই চোখে জল আসে নেটিজেনদের। সকলে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মান্যাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও শেয়ার হতেই ভাইরাল হয়।

    Published by:Piya Banerjee
    First published:

    লেটেস্ট খবর