Varun Dhawan: 'হকির যাদুকর' হওয়ার সুযোগ ছিল! ধ্যানচাঁদের বায়োপিকে না বরুণ ধাওয়ানের

কেন এত বড় সুযোগ ছেড়ে দিলেন বরুণ ধাওয়ান!

কেন এত বড় সুযোগ ছেড়ে দিলেন বরুণ ধাওয়ান!

  • Share this:
#মুম্বই: বিস্তর আলোচনা, জল্পনার ও একের পর এক তারকার হাত থেকে অবশেষে কিংবদন্তী খেলোয়াড় ধ্যানচাঁদের (Dhyanchand) বায়োপিকে (Biopic) ছক্কা হাঁকাতে ব্যাট এল বরুণ ধাওয়ানের (Varun Dhawan) হাতে। কিন্তু সেই ছবির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন বরুন। গত এক দশকে, এমন একটি বায়োপিক এসেছে যা বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন সময় শিরোনাম এসেছে। হ্যাঁ, আমরা কিংবদন্তি হকি প্লেয়ার ধ্যানচাঁদের বায়োপিকের কথা বলছি। পরিচালক করণ জোহর (Karan Johar) ছবিটির সত্ব কেনেন এবং এই ছবিতে ধ্যানচাঁদ চরিত্রে অভিনয় করার জন্য তিনি শাহরুখ খানকে (Shah Rukh Khan) প্রস্তাব দেন। কিন্তু ছবির পোস্ট প্রোডাকশনে অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। বর্তমান এই ছবির সত্ত্ব রয়েছে রনি স্ক্রুওয়ালার (Ronnie Screwvala) প্রযোজনা সংস্থার RSVP-র হাতে। ২০২২ সালের মধ্যে বড় মাপের এই ছবিটির নির্মাণের কথা ভাবা হচ্ছে। এই ছবিটি পরিচালনা করছেন অভিষেক চৌবে (Abhishek Chaubey)। অন্যদিকে চিত্রনাট্য রচনা করবেন সুপ্রতীক সেনের (Supratik Sen) সঙ্গে পরিচালকও। কিন্তু হাত বদল হলেও কেন এগোচ্ছে না ছবি তৈরির কাজ? এই ছবিতে ধ্যানচাঁদের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য বলিউডের একজন প্রথম সারির অভিনেতার কাছে যান রনি। কিন্তু প্রথমে রাজি থাকলেও এবার এই ছবিটি প্রত্যাখ্যান করলেন তিনি। সুত্রের খবর অনুসারে, সূত্রের খবর, “RSVP সিনেমাটির প্রস্তাব নিয়ে বরুণ ধাওয়ানের কাছে এসেছিল। বরুণের স্ক্রিপ্টটি ভীষণ ভাল লাগে এবং গোটা প্লটটিও তাঁর পছন্দও হয়। তবে সমস্যাটি ছিল, যে এই বছর লকডাউন শেষ হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই RSVP বরুণের থেকে শ্যুটিংয়ের তারিখ চায়। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ছবিতে কাজ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বরুণ। আর ঠিক সে কারণেই তিনি কোনও তারিখ বের করতে পারেননি। এছাড়াও প্রস্তুতি এবং শ্যুটের জন্য আরও অনেক সময়ের প্রয়োজন। সুতরাং তাঁকে অফারটি প্রত্যাখ্যান করতে হয়।” ইতিমধ্যেই বরুণের হাতে রয়েছে চার-চারটি ছবি। আর সেগুলি হল, ধর্ম প্রোডাকশনের (Dharma Productions) ‘যুগ যুগ জিও’ (Jug Jugg Jeeyo)। অমর কৌশিকের (Amar Kaushik) ‘ভেড়িয়াঁ’ (Bhediya), সাজিদ নাদিয়াওয়ালার (Sajid Nadiadwala) ‘সানকি’ (Sanki) এবং শ্রীরাম রাঘবনের (Sriram Raghavan) ‘এক্কিস’ (Ekkis)।
First published: