বিজেপিতে যোগ দিয়েই অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ যশ দাশগুপ্তের

বিজেপিতে যোগ দিয়েই অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ যশ দাশগুপ্তের
সদ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। আর তার ঠিক তিন দিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করলেন যশ দাশগুপ্ত।

সদ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। আর তার ঠিক তিন দিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করলেন যশ দাশগুপ্ত।

  • Share this:

    #কলকাতা: সদ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। আর তার ঠিক তিন দিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করলেন যশ দাশগুপ্ত। বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই ঘনঘন বাংলায় আসছেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার বাংলায় আসেন শাহ। শুক্রবার কলকাতায় আসার পরেই যশ দেখা করেন তাঁর সঙ্গে। সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্তও। জানা যাচ্ছে, নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে তাঁরা দেখা করেন। একসঙ্গে ছবিও তোলেন।

    বুধবার বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী, মুকুল রায় ও স্বপন দাশগুপ্তের উপস্থিতিতে টলি অভিনেতা যশ বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে নেন। এছাড়াও সেদিনই গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন টলি ও টেলি পাড়ার অভিনেতা কলাকুশলীরা। যশ ছাড়াও যাঁরা যোগ দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পাপিয়া অধিকারী, সৌমিলি ঘোষ বিশ্বাস, সুতপা সেন, অতনু রায়, অশোক ভদ্র, মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে।

    কেন হঠাৎ রাজনীতিতে যোগ দিলেন এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে যশ বলেন, "এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া নয়। আমার বয়স কম। তাই আমার লক্ষ্যও তরুণ প্রজন্ম। বিজেপি সব সময়ে তরুণ প্রজন্মের উপরেই জোর দিয়েছে। রাজনীতি মানেই পরিবর্তন। আর পরিবর্তন আনতে গেলে সিস্টেমের মধ্যে এসে কাজ করা দরকার।"


    তবে বিজেপিতে যোগ দিলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের প্রতি যশ শ্রদ্ধাশীল বলেই জানিয়েছেন। যশ এদিন বলেন, যে তিনি এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করেন এবং এখনও নিজেকে দিদি-র ভাই বলেই মনে করেন। এদিন যশ এও জানান যে, বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আশীর্বাদও চেয়েছেন তিনি। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কিছু বলতে চান না।

    প্রসঙ্গত, যশ বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ দেবও। দেব টুইট করেন, যশ দাশগুপ্ত, ভাই রাজনীতির ময়দানে তোমায় স্বাগত। তুমি কোন দলের রাজনীতিতে বিশ্বাস করো সেটা কোনও বিষয় নয়। আমার শুভেচ্ছা তোমার সঙ্গে সবসময়ে আছে।

    এর পরেই যশও উত্তর দেন, বন্ধু থ্যাংক ইউ সো মাচ। আমাদের মতাদর্শ মেলে না তো কী হয়েছে? আমাদের দুজনের উদ্দেশ্য একই। মানুষের জন্য কাজ করা। ভিন্ন রাজনৈতিক মতামত হলেও সৌজন্যে তাঁরা বিশ্বাসী এমনটাই বার্তা দেন দুজনেই।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: