মহিলা পরিচালকের হাত ধরে 'শ্লীলতাহানির পরে' দেখাবে সমাজের নগ্ন বাস্তব

মহিলা পরিচালকের হাত ধরে 'শ্লীলতাহানির পরে' দেখাবে সমাজের নগ্ন বাস্তব
  • Share this:
SREEPARNA DASGUPTA #কলকাতা: আজ কাল খবরের কাগজ, ওয়েবসাইট, নিউস চ্যানেল খুললেই শ্লীলতাহানির খবর চোখে পড়বে হাজার হাজার। গ্রাম হোক বা শহর, আখছাড় শ্লীলতাহানির শিকার হচ্ছেন মহিলারা। শ্লীলতাহানির নেই কোনও বয়স। আট থেকে আশি সবাই এর শিকার ৷ আবার শ্লীলতাহানি যে শুধু শারীরিক তাও না। শ্লীলতাহানি হতে পারে মানসিকও। তবে সময় এসেছে, মহিলারা সরব হচ্ছেন এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে। সমাজের অনেকেই এখন কাজ করছেন এর জন্য। নিজে মহিলা পরিচালক হওয়ার কারণে এই বিষয়ে নিজে এবারে বাংলা ছবি বানালেন রেশমি মিত্র। ছবির নামও দিয়েছেন ‘শ্লীলতাহানির পরে’। এই ছবিতে যে বিষয় রেশমি তুলে এনেছেন তাতে পরিষ্কার হয়ে যায় সমাজের ব্যবস্থা। একজনের শ্লীলতাহানি হওয়ার পরে ঠিক কী কী ধাপ পেড়তে হয় একজন মহিলাকে, জীবনের সেই লড়াইয়ের গল্প রয়েছে এই ছবিতে।
ছবির প্রধান প্রোটাগনিস্ট রিকি। তাঁর জীবনেই ঘটে বিপত্তি। শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয় নিজের বসের হাতে। কিন্তু তার পরের লড়াইটা হয়ে ওঠে আরও শক্ত। রিকি পাশে পায় এমন কিছু বন্ধুকে যারা ওঁর পাশে থাকে সবসময়। প্রধান প্রোটাগনিস্ট এর ভূমিকায় রয়েছেন দেবলীনা কুমার ওরফে রিকি। এই চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন দেবলীনার? কতটা চ্যালেঞ্জিং? দেবলীনা বললেন, ‘শ্লীলতাহানির ঘটনা আমরা অনেক শুনি, কিন্তু সে চরিত্রে অভিনয় করাটা অতটাও সহজ ছিল না। সেই ক্ষেত্রে আমাকে ভীষণ সাহায্য করেছেন আমাদের পরিচালক রেশমি মিত্র। নাহলে এতটা হয়ত সহজ হত না ব্যাপারটা।’ শ্রীলা মজুমদার এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ৷ তিনি বললেন, ‘আমি মনে করি, এই ছবি এই সময়ের জন্য খুবই প্রাসঙ্গিক। আমার চরিত্রটা একজন নেত্রীর, যিনি কলেজ জীবন থেকেই পলিটিক্সের সঙ্গে জড়িয়ে। কিন্তু যখন সমাজে মহিলাদের নানা রকম ভাবে শ্লীলতাহানীর মতন ঘটনা ঘটে যায় তখন মঞ্জিরা মিত্র এগিয়ে আসে সেই লড়াইয়ে।’ শ্রীলা আরও জানান, ‘আজ থেকে কত বছর আগে আমি একদিন-প্রতিদিন ছবিটা করেছিলাম ৷ তখনও এরকমই একটা গল্প উঠে এসেছিল । বাড়ির বড় মেয়ে অনেক রাত অবধি বাড়ি ফেরে না । তাঁর সঙ্গে ঠিক কী ঘটে গিয়ে থাকতে পারে সেই নিয়ে চলতে থাকে দুশ্চিন্তা।’ অর্থাৎ সময় পাল্টিয়েছে কিন্তু  সমাজের ছবিটা যেন কোথাও একই থেকে গিয়েছে, বলে জানান শ্রীলা। ছবিতে রয়েছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ও।তাঁকেও দেখা যাবে এক পলিটিক্যাল ফিগারের  চরিত্রে । তবে সেইখানে আছে একটা ট্যুইস্ট। কী সেই ট্যুইস্ট? জানতে হলে করতে হবে অপেক্ষা আরও কিছু দিন।এছাড়াও ছবিতে বিশেষ ভূমিকায় রয়েছেন রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক চট্টোপাধ্যায়  এবং মৌবনী  সরকার।
First published: January 24, 2020, 12:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर