আরও সঙ্কটজনক সৌমিত্র! কাজ করছে না স্নায়ু, বিকল হয়ে আসছে কিডনিও

আরও সঙ্কটজনক সৌমিত্র! কাজ করছে না স্নায়ু, বিকল হয়ে আসছে কিডনিও

ফাইট..পলু..ফাইট । গোটা বাংলার হৃদয় এটাই এখন সর্বতকরণে বলতে চাইছে । কিন্তু হাসপাতালের বিছানায় তাঁর শরীর ক্রমেই কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছে ।

ফাইট..পলু..ফাইট । গোটা বাংলার হৃদয় এটাই এখন সর্বতকরণে বলতে চাইছে । কিন্তু হাসপাতালের বিছানায় তাঁর শরীর ক্রমেই কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছে ।

  • Share this:

    #কলকাতা: আরও সঙ্কটজনক হল প্রবাদপ্রতীম বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা । গতকাল, সোমবার রাতেই ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছিল সৌমিত্রবাবুকে । হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রার তারতম্য ঘটেছে ৷ পাশাপাশি তাঁর স্নায়ু ঠিক মতো কাজ করছে না । মস্তিষ্কের স্নায়ু প্রায় অচল হয়ে গিয়েছে । তবে অভিনেতার হার্ট, কিডনি, ফুসফুস স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল বলে জানিয়েছিল হাসপাতাল । মঙ্গলবার সকালে জানা গেল, তাঁর কিডনিও এখন আর সঠিকভাবে কাজ করছে না ।

    ফাইট..পলু..ফাইট । গোটা বাংলার হৃদয় এটাই এখন সর্বতকরণে বলতে চাইছে । কিন্তু হাসপাতালের বিছানায় তাঁর শরীর ক্রমেই কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছে । বেলভিউ হাসপাতাল সূত্রে জানান হয়েছে, গত ২৪ অক্টোবর থেকে সৌমিত্রবাবুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে । করোনা এনসেফ্যালোপ্যাথির সংক্রমণ বেড়েছে সৌমিত্রের শরীরে । দেশ ও বিদেশের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে । আগে থেকেই এনসেফালোপ্যাথি এর জটিল সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন পর্দার ‘অপু’ । সেটা গত কয়েকদিনে অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি তা আবার সংক্রমিত হয়েছে ।

    দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন বিশিষ্ট স্নায়ু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে । চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সৌমিত্রবাবুর চেতনাও কিছুটা কমে গিয়েছে । পাশাপাশি কমেছে তাঁর প্লেটলেটের সংখ্যা । শরীরে বেড়েছে ইউরিয়া আর সোডিয়ামের মাত্রা। ইমিউনোগ্লোবিন এবং স্টেরয়েড দিয়ে একটা সময় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

    গত ৬ অক্টোবর থেকে হাসপাতালে ভরতি আছেন ৮৫ বছরের অভিনেতা। একটা সময় তাঁকে বাইপ্যাপ সাপোর্টে দেওয়া হয়েছিল। তারপর অবশ্য তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটে । করোনা রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছিল । কিন্তু অবস্থার ফের অবনতি হয়েছে ।

    Published by:Simli Raha
    First published:

    লেটেস্ট খবর