লকডাউনে কাজ নেই ! গাড়ি বিক্রি করেছেন, ফ্ল্য়াটের ভাড়া বাকি... চরম অভাবে জনপ্রিয় টেলি অভিনেতা

জমানো পুঁজিতেই দিন চালাচ্ছেন টেলিভিশন ও সিনেমা জগতের সঙ্গে জড়িত থাকা প্রতিটি মানুষ, তা সে হিরো-ই হন কী ইউনিটের স্পটবয়! কিন্তু খরচা করলে রাজার ধনও যেখানে ফুরায়, সেখানে বিনোদন জগতের শিল্পীরা আর কতদিন এভাবে চালাতে পারবেন ? চরম আর্থিক সংকটে বহু শিল্পী, টেকনিশিয়ান!

জমানো পুঁজিতেই দিন চালাচ্ছেন টেলিভিশন ও সিনেমা জগতের সঙ্গে জড়িত থাকা প্রতিটি মানুষ, তা সে হিরো-ই হন কী ইউনিটের স্পটবয়! কিন্তু খরচা করলে রাজার ধনও যেখানে ফুরায়, সেখানে বিনোদন জগতের শিল্পীরা আর কতদিন এভাবে চালাতে পারবেন ? চরম আর্থিক সংকটে বহু শিল্পী, টেকনিশিয়ান!

  • Share this:

    #মুম্বই: করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গোটা দেশ জুড়ে লকডাউন। চিকিৎসক- গবেষকরা জানিয়েছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলে এই মারণ ভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচা যাবে! কাজেই প্রায় গোটা দেশ গৃহবন্দি! স্তব্ধ জনজীবন! বহুদিন বন্ধ হয়েছে ধারাবাহিক, সিনেমার শ্যুটিং। থমকে গিয়েছে গোটা বিনোদন দুনিয়া! স্বাভাবিকভাবেই জমানো পুঁজিতেই দিন চালাচ্ছেন টেলিভিশন ও সিনেমা জগতের সঙ্গে জড়িত থাকা প্রতিটি মানুষ, তা সে হিরো-ই হন কী ইউনিটের স্পটবয়! কিন্তু খরচা করলে রাজার ধনও যেখানে ফুরায়, সেখানে বিনোদন জগতের শিল্পীরা আর কতদিন এভাবে চালাতে পারবেন ? চরম আর্থিক সংকটে বহু শিল্পী, টেকনিশিয়ান!

    লকডাউনের জেরে চরম অভাবের মধ্যে দিন কাটছে 'হামারি বহু সিল্ক'-খ্যাত অভিনেতা মানস শাহ-র। 'হামারি দেবরানি', 'সঙ্কোটমোচন মহাবলি হনুমান'-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে তিনি দর্শকদের মন জিতেছেন। তাঁর কথায়, '' জীবনে প্রথমবার এরকম চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।'' অভিনেতা জানান, অভাবের তাড়নায় নিজের গাড়িটা পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছেন। ফ্ল্যাটের ভাড়া বাকি, কাজেই তা ছেড়ে আপাতত লোখন্ডওয়ালায়  ভাইয়ের সঙ্গে থাকছেন।

    মানসের অভিযোগ, ' গতবছর মে মাসে শুটিং শুরু করি। শেষ শুট ছিল গতবছরের নভেম্বর মাসে। কিন্তু শুধু মাত্র গত বছরের মে মাস পর্যন্ত পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে, বাকি টাকা শোধ করা হচ্ছে না!'

    মানস জানান, আহমেদাবাদের বাড়িতে তাঁর বাবা-মা রয়েছেন। বাবা ব্যাঙ্কের কর্মী ছিলেন, বেশ কয়েক বছর হল অবসর নিয়েছেন। ফলে সংসার চালানোর প্রায় সমস্ত দায়িত্বই তাঁর উপরেই। তাঁর কথায়, ' লকডাউনের জেরে গোটা বিনোদন জগতের খুব খারাপ অবস্থা। বর্তমানে কোনও কাজ নেই, আগের কাজের টাকা মেলেনি, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত!'

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: