শ্বশুরবাড়িতে আংটি খেলায় চোখের নিমেষে আংটি খুঁজে নিলেন তৃণা, চোখে জল নীলের

শ্বশুরবাড়িতে আংটি খেলায় চোখের নিমেষে আংটি খুঁজে নিলেন তৃণা, চোখে জল নীলের
কড়ি খেলা, টোপর-মুকুটের খেলা, আংটি খোঁজা খেলা....সবই হয় এ সময় । নীল-তৃণার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না ।

কড়ি খেলা, টোপর-মুকুটের খেলা, আংটি খোঁজা খেলা....সবই হয় এ সময় । নীল-তৃণার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না ।

  • Share this:

    #কলকাতা: শেষ হল রাজকীয় বিয়ের পর্ব । এ বার শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পালা । গতকালই নতুন বৌমা’র আলতা রাঙা পায়ের ছাপ পড়েছে শ্বশুরবাড়ির চৌকাঠে । আর নতুন বাড়িতে গিয়েই সকলের নয়নের মণি হয়ে উঠেছেন মিসেস ভট্টাচার্য্য । নায়িকাকে আদর-আপ্যায়ণের কোনও ত্রুটি রাখছেন না শ্বশুর-শাশুড়ি । তাঁদের একমাত্র ছেলে নীল ওরফে জিতু । আর তাঁর নববিবাহিত স্ত্রী তৃণা.... এখন তাঁরাই শ্বশুরবাড়ির সমস্ত আকর্ষণের মধ্যমণি ।

    স্ত্রী’কে নিয়ে নিজের বাড়িতে ঢুকলেন নীল । আচার মেনে সমস্ত নিয়মকানুন পালিত হল । বরণ করলেন নীলের মা রোজি ভট্টাচার্য্য । আলতা পায়ের ছাপ দিয়ে বাড়িতে এল লক্ষ্মী । আর তারপরেই নীলের মা কোলে তুলে নিলেন নতুন বৌমা’কে । নীলও বসলেন গুরুজনের কোলে । বধূবরণের পর এ বার হয় বিভিন্ন রকম মজার খেলা । কড়ি খেলা, টোপর-মুকুটের খেলা, আংটি খোঁজা খেলা....সবই হয় এ সময় । নীল-তৃণার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না । দুধে আলতা মেশানো, গোলাপ ফুলের পাঁপড়ি ছড়ানো জলের মধ্যে আংটি ফেলে দিতেই খেলা হল শুরু । কিন্তু চোখের নিমেষে সেই আংটি খুঁজে ফেললেন তৃণা । নীলের কপালে জুটল লবডঙ্কা । তাই চোখের জল মোছার ভান করলেন নীল । যা দেখে সকলেই হেসে কুটিপাটি ।

    নতুন বাড়িতে এসে সকলের সেবা যত্নে মগ্ন হয়েছেন নায়িকাও । নতুন শাড়ি, গা ভর্তি গয়না পরেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি । সকলকে নিজে হাতে চা পরিবেশন করে দিলেন । সেই ভিডিওটিও নেটিজেনদের মন জয় করে নিয়েছে ।

    ১১ বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। অগ্নিসাক্ষী করে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন টলিউড অভিনেতা নীল ভট্টাচার্য এবং অভিনেত্রী তৃণা সাহা। ৪ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার একটি ক্লাবে বসেছিল জমকালো বিয়ের আসর। হৈচৈ, নাচাগানা, কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া, চোখ ধাঁধানো সাজ, ডেকরেশন, মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি, টাকা ওড়ানো, বিনোদনের রসদ....কোনওটাই কম ছিল না । চলতি মরশুমে একটা বিয়ে দেখল বটে কলকাতা ।

    Published by:Simli Raha
    First published: