সেরা সংলাপের জন্য জাতীয় পুরস্কার পেলেন চূর্ণী ! বিশেষ সাক্ষাৎকারে মনের কথা বললেন তিনি

সেরা সংলাপের জন্য জাতীয় পুরস্কার পেলেন চূর্ণী ! বিশেষ সাক্ষাৎকারে মনের কথা বললেন তিনি
photo source collected

আমি ভাবতে পারেনি আমার ছবির সংলাপ নিয়ে জাতীয় স্তরে ভাবনা হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি নিজে একজন অভিনেত্রী তো বটেই সেই সঙ্গে তিনি একজন পরিচালকও। ২০১৪ সালে তাঁর পরিচালিত ছবি 'নির্বাসিত' জাতীয়স্তরে সেরা বাংলা ছবির খেতাব ছিনিয়ে নিয়েছিল। তবে এবার তাঁর পরের পরিচালিত ছবি 'তারিখ'-এর জন্য তিনি সারা দেশ থেকে পেলেন সেরা সংলাপের জন্য জাতীয় পুরস্কার। পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই তিনি আজ হয়ে পড়েছেন ব্যস্ত। তাঁর মাঝেও সময় বার করে দিলেন সাক্ষাৎকার। আভিজাত্য আর মিষ্টতা চূর্ণীর কথাতেই ফুটে ওঠে। তিনি যে ভাল সংলাপ লিখবেন তাতে তো কোনও সন্দেহ থাকে না।

সংলাপের জন্য জাতীয় পুরস্কার পেতে পারেন এটা কী কখনও 'তারিখ'-এর সংলাপ লেখার সময় মনে হয়েছিল? সংলাপ এমন একটা বিষয় যা একটা ছবিকে বেধেঁ রাখে। ছবির মনন হল সংলাপ। সংলাপ দিয়েই একটা গোটা ছবিকে ফুটিয়ে তোলা হয়। আমি ভাবতে পারেনি আমার ছবির সংলাপ নিয়ে জাতীয় স্তরে ভাবনা হবে। এত ছবি ওখানে জমা পড়ে। প্রত্যেকটি ছবিই সেরা হয়। তার মধ্যে 'তারিখ' এতটা গুরুত্ব পেয়েছে সেটা আমার কাছে খুব বড় পাওনা। তবে সত্যিই লেখার সময় ভাবিনি এত বড় পুরস্কার প্রাপ্তি হবে।

এই পুরস্কার আপনার কাছে কতটা গুরুত্ব পাবে? ছবির সংলাপকে জাতীয়স্তরে এতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এটাই সবচেয়ে বেশি আনন্দের। সব সময় জাতীয় পুরস্কারের ক্ষেত্রে সবকিছু খুব খুটিয়ে দেখা হয়। সেখানে আমার ছবিকে মন দিয়ে দেখা হয়েছে। এবং এত বড় একটা সম্মান দেওয়া হল। এই পাওয়াটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমি আপ্লুত এই পুরস্কার পেয়ে।

শোনা যায় আপনি খুব কম কথা বলেন, এ কথা কি সত্যি? আমি খুব কম কথা বলার মানুষ। আমি সব সময় খুব বেশি শুনি। কে কি বলছে তা আমার শুনতে খুব ভাল লাগে। আমি সব জায়গায় থাকলেও খুব বেশি কথা বলে হয়ে ওঠে না। আমি বলতে পারিনা।(একটু হাসলেন) তাই আমি সবার কথা খুব মন দিয়ে শুনি। মানুষকে না শুনলে তাঁদের কথা বোধহয় লেখা যায় না! যা আমার হয়তো মুখে বলা হয়ে ওঠে না, তা আমি সংলাপে ফুটিয়ে তুলেছি। আর সেটা যে সবার ভাল লেগেছে এটাই তো সবচেয়ে বড় কথা।

কীভাবে সেলিব্রেট করবেন আজকের দিনটা? আলাদা করে কোনও সেলিব্রেশন আজকেই করছি না। আজ সারাক্ষণ ফোনেই কেটে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে সকলে ফোন করছেন শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আলাদা করে আজ কিছু করছি না। তবে বাড়িতে একটা খুশির হাওয়া অবশ্যই রয়েছে। কাল কিছু কাজ রয়েছে। তারপর একটু সেলিব্রেশন হয়তো হবে। তবে আমার এটা ভাবতেই ভাল লাগছে যে মানুষ ভাল ছবির কদর করে। আর জাতীয়স্তরে তো সব সময় ভাল ছবির কদর রয়েছে। সেই জায়গায় আমার ছবি সেরা সংলাপ পাবে এটা আমার ভাবনার বাইরে ছিল। এখন আমার চ্যালেঞ্জ নিজের সঙ্গে নিজেরই বেড়ে গেল। ভবিষ্যতে মানুষকে আরও ভাল কিছু উপহার দিতে হবে।

First published: August 9, 2019, 9:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर