• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • সামান্য উন্নতি, ২৮ দিন ধরে হাসপাতালের বেডে প্রবল লড়াই করে চলেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

সামান্য উন্নতি, ২৮ দিন ধরে হাসপাতালের বেডে প্রবল লড়াই করে চলেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখনও স্বাভাবিকের থেকে কম । রক্ত দেওয়া হলেও হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ছে না । আর সে কারণেই উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা ।

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখনও স্বাভাবিকের থেকে কম । রক্ত দেওয়া হলেও হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ছে না । আর সে কারণেই উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা ।

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখনও স্বাভাবিকের থেকে কম । রক্ত দেওয়া হলেও হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ছে না । আর সে কারণেই উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা ।

  • Share this:

    #কলকাতা: সামান্য আশার খবর শোনালেন বেলভিউ হাসপাতালের চিকিৎসকরা । সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়েছে । অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ আর হচ্ছে না । তবে শরীরে জমে থাকা রক্ত বের করতে অস্ত্রোপচার করতে হবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা । সংক্রমণ ছড়ানো রুখতে নেওয়া হবে ভাসকুলার প্রসিডিয়োর । অন্যদিকে চিন্তায় ফেলছে সৌমিত্রর রক্তাল্পতা । হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখনও স্বাভাবিকের থেকে কম । রক্ত দেওয়া হলেও হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ছে না । আর সে কারণেই উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা ।

    সোমবার, তাঁর তৃতীয়বার ডায়ালিসিস হয়েছিল । শরীরে কোথায় রক্তক্ষরণ হচ্ছে বুঝতে সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করানো হয়েছিল । এরপরেই ওষুধ দিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয় । গত ২৮ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি প্রিয় ‘ফেলুদা’ । কিন্তু চিকিৎসায় অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে চিকিৎসকদের মধ্যে ।

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চিকিৎসকদের ক্রমাগত চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁর কোভিড রিলেটেড এনসেফালোপ্যাথি এবং স্নায়বিক অবস্থার বিশেষ উন্নতি না হওয়ায় আচ্ছন্ন ভাব কাটেনি সে ভাবে। ফলে, ৮৫ বছরের অভিনেতাকে নিয়ে প্রবল দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চিকিৎসকরা।

    গত ৬ অক্টোবর থেকে হাসপাতালে ভরতি আছেন ৮৫ বছরের অভিনেতা। একটা সময় তাঁকে বাইপ্যাপ সাপোর্টে দেওয়া হয়েছিল। তারপর অবশ্য তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটে । করোনা রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছিল । কিন্তু অবস্থার ফের অবনতি ঘটে গত ২৪ অক্টোবর । করোনা এনসেফ্যালোপ্যাথির সংক্রমণ বেড়েছিল সৌমিত্রের শরীরে । এরপরেই দেশ ও বিদেশের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হয় । আগে থেকেই এনসেফালোপ্যাথি-এর জটিল সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন পর্দার ‘অপু’ । পাশাপাশি কমেছিল তাঁর প্লেটলেটের সংখ্যা । ইউরিয়া আর সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে গিয়েছিল। ইমিউনোগ্লোবিন এবং স্টেরয়েড দিয়ে একটা সময় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

    Published by:Simli Raha
    First published: