• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • বিনোদন
  • »
  • TOLLYWOOD MOVIES PRODUCERS HAVE TO TAKE BOLD STEPS IN TERMS OF MOVIE RELEASE OR ELSE INDUSTRY WILL FLUNK IN COVID TIMES SAYS ACTOR ABIR CHATTERJEE PBD

করোনা কালে প্রযোজকদের সাহসী হতে হবে, গালে হাত দিয়ে বসে চিন্তা করলে মার খাবে গোটা ইন্ডাস্ট্রি: আবির চট্টোপাধ্যায়

করোনার থেকে মুক্তির কোনও পথ এখনই সামনে আসছে না৷ তাই করোনা নিয়ে, সাবধানতার সঙ্গে বাঁচতে শিখতে হবে৷ তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই করতে হবে সব কাজ৷ যার মধ্যে থাকবে হলে গিয়ে সিনেমা দেখাও৷ মত আবির-রুক্মিণীর৷

করোনার থেকে মুক্তির কোনও পথ এখনই সামনে আসছে না৷ তাই করোনা নিয়ে, সাবধানতার সঙ্গে বাঁচতে শিখতে হবে৷ তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই করতে হবে সব কাজ৷ যার মধ্যে থাকবে হলে গিয়ে সিনেমা দেখাও৷ মত আবির-রুক্মিণীর৷

  • Share this:

    #কলকাতা: সময়টা খুব কঠিন৷ করোনার সঙ্গে লড়াই চলছে ঘরে বাইরে৷ কী করতে হবে আর কী করতে হবে না, তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা৷ তবে তার মধ্যেও বাঁচাতে হবে আমাদের দেশের অর্থনীতি৷ ফলে মনের জোর দেখিয়ে নিতে হবে বেশ কিছু সাহসী পদক্ষেপ, যাতে সুরক্ষাবিধি লঙ্ঘন হবে না আবার একই সঙ্গে অর্থনীতির চাকাও গড়াবে৷ এমনই মনে করেন অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়৷ অভিনেতা হিসেবে তিনি তাঁর কর্মক্ষেত্রের উদাহরণ দিয়ে পরিস্থিতি বোঝানোর চেষ্টা করেছেন৷

    মুক্তি পেয়েছে আবির-রুক্মিণী অভিনীত, সৌভিক কুণ্ডু পরিচালিত, জিৎ প্রযোজিত ছবি সুইৎজারল্যান্ড৷ নিউ নর্মালে ছবি মুক্তি নিয়ে ছিল আলাদা টেনশন৷ কারণ একটাই প্রশ্ন ঘিরে ধরেছিল ছবির সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলোর মনে৷ আর সেটা হল, দর্শক হলে আসবে তো? তবে সুরক্ষা ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন হল মালিকরা৷ এবং এখানে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে প্রযোজকদের, মত অভিনেতা আবিরের৷ News18 বাংলার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি স্পষ্ট বলেন যে, আমাদের গালে হাত দিয়ে ভাবলে বা গম্ভীর পরিস্থির কথা ভেবে কাজ পিছিয়ে দিলে চলবে না৷ উল্টে পরিস্থিতির সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে এগোতে হবে৷ না হলে বহু মানুষের আয় বন্ধ হবে এবং সমস্যায় পড়বে গোটা ইন্ডাস্ট্রি৷

    এই ফেসবুক লাইভে আবির ও রুক্মিণী দু’জনেই ধন্যবাদ জানান তাঁদের ছবির প্রযোজক জিতকে৷ কারণ তাঁরা মনে করেন যে প্রযোজক হিবেসে সাহসী পদক্ষেপ নিতে পেরেছেন জিৎ৷ উৎসবের মরসুমে বাঙালি দর্শকদের সামনে তিনি নিয়ে এসেছেন ছবি৷ অতিমারীর ভয়ে বহু মানুষ বাড়িতে আটকে৷ চিকিৎসকরাও সেই পরামর্শ দিচ্ছেন৷ ফলে অনেক ক্ষেত্রেই হলের বদলে ছবি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছাড়া হচ্ছে৷ কিন্তু ছবি কোথায় মুক্তি পাবে, হলে নাকি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে, সেই চিন্তা করতে গিয়ে অনেক প্রযোজক অযথা সময় নষ্ট করছেন৷ এতে ছবি মুক্তি যেমন বিলম্বিত হচ্ছে, তেমনই আটকে থাকছে ছবির কাজ৷ যা ইন্ডাস্ট্রি ও ছবির ব্যবসার জন্য সুখকর নয়৷

    করোনার থেকে মুক্তির কোনও পথ এখনই সামনে আসছে না৷ তাই করোনা নিয়ে, সাবধানতার সঙ্গে বাঁচতে শিখতে হবে৷ তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই করতে হবে সব কাজ৷ যার মধ্যে থাকবে হলে গিয়ে সিনেমা দেখাও৷ মত আবির-রুক্মিণীর৷ নানা পরীক্ষা-নিরিক্ষার মধ্যে দিয়েই এগোতে হবে সকলে৷ কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল, সেটা জানা যাবে সেই পথে হাঁটলেই৷ স্পষ্ট বললেন আবির৷ হলে মুক্তি পাওয়া ছবি হয়ত খুব বেশি লাভের মুখ দেখতে পারবে না৷ লাভ হবে না জেনেও যদি প্রযোজক সাহস করে ছবি হলে মুক্তির সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাহলে তাঁকে বাহবা দিতে হবে এবং তাঁর পাশে দাঁড়াতেও হবে৷ বলছেন আবির ও রুক্মিণী দু’জনেই৷ এই সময় দাঁড়িয়ে সুইৎজারল্যান্ড মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রযোজক জিৎ৷ তাঁর সেই সিদ্ধান্তকে কুর্ণিশ জানিয়ে অন্যান্য প্রযোজকদেরও সেই পথ অনুসরণ করতে অনুরোধ করেন অভিনেতা-অভিনেত্রী৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: