• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • KIFF| ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ঋতুপর্ণার ছবি 'বিউটিফুল লাইফ'

KIFF| ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ঋতুপর্ণার ছবি 'বিউটিফুল লাইফ'

এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, টোটা রায় চৌধুরী। ডাক্তারের চরিত্রে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, টোটা রায় চৌধুরী। ডাক্তারের চরিত্রে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, টোটা রায় চৌধুরী। ডাক্তারের চরিত্রে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Share this:

#কলকাতা: দীর্ঘ দশ মাস কলকাতার বাইরে সিঙ্গাপুরে নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।কিন্তু শহরে ল্যান্ড করা মাত্রই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নায়িকা। যেদিন শহরে এসেছেন সেই দিনই ছিল তাঁর নতুন হিন্দি ছবি 'সল্ট'এর প্রেস কনফারেন্স। আর তার পরের দিন থেকেই চালু হয়ে যায় শুটিং। এর পরে ২৬ তম চলচ্ছিত্র উৎসবে প্রায়ই হাজির থাকছেন অভিনেত্রী।এবারের ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখানো হবে ঋতুর নতুন ছবি বিউটিফুল লাইফ।

পরিচালক আর.ডি.নাথের এই ছবি যে অনেক কিছুর সংমিশ্রণ তা ছবির গল্প থেকেই স্পষ্ট। কীভাবে এগোয় ছবির গল্প? এই ছবির গল্প বলা যেতে পারে একেবারে অনন্য ধাঁচের।

এক বিজ্ঞানীর নতুন চিকিৎসা আবিষ্কারের চেষ্টার গল্পের সঙ্গে সঙ্গে মানব সম্পর্কের নানান জটিলতা থেকে আশার আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার গল্প বুনেছেন পরিচালক এই ছবিতে। এক কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে হুইল চেয়ার নিতে বাধ্য হয় ঝুমকি। তার স্বামীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তারই চিকিৎসকের কন্যার। বর্ণালী এবং রাহুল নতুন জীবন শুরু করলেও তারা কোনও খামতি রাখেননা ঝুমকির চিকিৎসায়। বর্ণালীর চিকিৎসক বাবা এলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি ছাড়াও মনে করেন মিউজিক থেরাপি সাহায্য করবে ঝুমকিকে সেরে উঠতে। গোটা পরিবার আশায় বুক বাঁধে সুন্দর এক সময়ের জন্য।

এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, টোটা রায় চৌধুরী। ডাক্তারের চরিত্রে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

দীর্ঘ বেশ কয়েক মাস সিনেমা হল বন্ধ থাকার পরে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের হাত ধরে খানিকটা সাহসী হচ্ছেন সিনেমা প্রেমীরা। সব বিধি মেনেই চলছে ফেস্টিভ্যালে ছবি দেখা। বেশ কিছু মানুষ সারাটা বছর অপেক্ষা করে থাকেন এই কয়েকটা দিনের জন্য। আগামী ১৫ তারিখ সন্ধে ৭টায় ররবীন্দ্রসদনে দেখানো হবে 'বিউটিফুল লাইফ'।

Published by:Pooja Basu
First published: