'রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চাইছে'! গেরুয়া শিবিরে প্রথম মিছিল করেই দাবি হিরণের

'রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চাইছে'! গেরুয়া শিবিরে প্রথম মিছিল করেই দাবি হিরণের
'রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চাইছে'! গেরুয়া শিবিরে প্রথম মিছিল করেই দাবি হিরণের

এদিন বিজেপি আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষ্যে শোভাবাজার থেকে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি অবধি মিছিল করে। তাতে প্রধান আকর্ষন ছিলেন হিরণ।

  • Share this:

#কলকাতা: বিজেপিতে যোগ দিয়েই আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসে দলের হয়ে মিছিলে হাঁটলেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। আর প্রথম মিছিলে হাঁটতে হাঁটতেই অভিনেতা জানালেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বুঝতে পেরেছে, গত ৪৪ বছরে এই রাজ্য ক্রমশই পিছিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণে এ রাজ্যের মানুষ এখন পরিবর্তনের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে।

এদিন বিজেপি আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষ্যে শোভাবাজার থেকে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি অবধি মিছিল করে। তাতে প্রধান আকর্ষন ছিলেন হিরণ। মিছিলে মানুষের ঢল নামে। যা দেখে হিরণের বক্তব্য, "এদিন মিছিলে মানুষের ভালবাসা দেখে আমি অভিভূত। এ রাজ্যের মানুষ এখন পরিবর্তন চাইছে।"

শাসক দল তৃণমূলের বহিরাগত অভিযোগ নিয়েও এদিন এক হাত নেন হিরণ। তিনি বলেন, "আমাদের দেশ ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর দেশ। এখানে নানা জাতের, নানা ধর্মের এবং নানা ভাষাভাষীর দেশ। সব মানুষেরই সব জায়গায় যাওয়ার এবং কথা বলার অধিকার আছে। তা নিয়ে এত সমালোচনার কী আছে!"


এ দিন মিছিলের পাশে অভিনেতা হিরণকে দেখার জন্য ভিড় ছিল লক্ষ্যনীয়। বিজেপি-র এক নেতার কথায়, "অভিনেতাদের দেখতে সব সময় ভিড় হয়। কিন্তু এ দিন আমাদের দলের মিছিল দেখতে যে ভাবে ভিড় দেখা গেছে, তা দেখে আমরা সন্তুষ্ট।"

আর প্রথম মিছিলে হাঁটতে হাঁটতেই অভিনেতা জানালেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বুঝতে পেরেছে, গত ৪৪ বছরে এই রাজ্য যে ক্রমশই পিছিয়ে যাচ্ছে তা মানুষ বুঝতে পেরেছে। সেই কারণে এ রাজ্যের মানুষ এখন পরিবর্তনের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছেন। এখানে নানা জাতের, নানা ধর্মের এবং নানা ভাষাভাষীর দেশ। সব মানুষেরই সব জায়গায় যাওয়ার এবং কথা বলার অধিকার আছে। তা নিয়ে এত সমালোচনার কী আছে!

প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল তাঁর বিজেপিতে যাওয়ার। অবশেষে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার অমিত শাহের কাকদ্বীপের সভায় যোগ দেন হিরণ। যোগ দিয়েই তিনি বলেন, 'অলক্ষ্মী বিদায়ই লক্ষ্য! বাংলা থেকে অলক্ষ্মী বিদায় করে লক্ষ্মী ফেরাতে চাই। বাংলায় কর্মসংস্থান নেই, বাংলার যুবরা বাইরে চলে যাচ্ছেন। তাঁদের ফেরাতে হবে।'

তাঁর আরও দাবি, 'আমি সাধারণ ঘরের ছেলে। আমজনতার দুঃখ কষ্ট বুঝি। আর রাজনীতি হল সমাজ এবং সিস্টেম পরিবর্তনের বিরাট বড় হাতিয়ার। হাতে ক্ষমতা না থাকলে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ আটকানো যাবে না। ২০১৪ সালে সেই স্বপ্ন নিয়েই একটা দলে যোগ দিয়েছিলাম, ভেবেছিলাম অনেক কিছু হবে। বাংলার পরিবর্তন হবে, কিন্তু রাস্তায় শুধু নীল-সাদা রং ছাড়া আর কিছুই হয়নি। হতাশ হয়েছি, এরপর নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশজুড়ে যে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে তাতেই যোগ দিতে যাচ্ছি। উন্নয়নের জন্য সর্বভারতীয় দলকেই ক্ষমতায় চাই।'

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published:

লেটেস্ট খবর