corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘কমলা’কে উদ্ধার করার পর ‘রাসমণি’তে কেন আর দেখা যাচ্ছে না মেঘনাদ’কে? জানালেন শমিক

‘কমলা’কে উদ্ধার করার পর ‘রাসমণি’তে কেন আর দেখা যাচ্ছে না মেঘনাদ’কে? জানালেন শমিক

‘রাণি রাসমণি’ ধারাবাহিকে কয়েকটি এপিসোডে দেখা গিয়েছিল মেঘনাদ’কে । তারপর হঠাৎই তাঁকে আর দেখা যাচ্ছে না... কিন্তু কেন?

  • Share this:

ছোট্ট মফঃস্বল শহর থেকে এসে টলিউডে কেরিয়ার তৈরির স্বপ্ন দু’চোখে । ইতিমধ্যেই দু’টি সিনেমা আর দু’টি সিরিয়ালে মুখ দেখিয়েছেন টেলি-অভিনেতা শমিক চক্রবর্তী । সাক্ষাৎকারে মন খুলে আড্ডা দিলেন News18 বাংলার সঙ্গে ।

প্র: ক’টা কাজ হল?

উ: কাজ হল মোট চারটে । দু’টো সিরিয়াল আর দু’টো সিনেমা । প্রথমে জি বাংলা অরিজিনাল-এ ‘আলোর সাথী’ আর ‘তুমি যে আমার’ । এরপর কার্লাস বাংলায় ‘মঙ্গলচণ্ডী’তে লিড রোল পাই । ওখানে অদ্রিজা রায়ের বিপোরীতে কাজ করছিলাম । তারপর ‘রাসমণি’তে মেঘনাদের চরিত্রটা পাই ।

প্র: সবচেয়ে মন মতো কাজ কোনটা, কোন চরিত্রটা বেশি কাছের?

উ: মনের মতো কাজ বলতে গেলে ‘মঙ্গলচণ্ডী’ । ওখানে ধনপতির চরিত্রের সঙ্গে আমার অনেক মিল আছে । আমিও শিবভক্ত।

প্র: ‘মঙ্গলচণ্ডী’ পছন্দ হওয়ার আর একটা কারণ কী ওখানে মনের মানুষ পেয়ে গিয়েছ তাই?

উ: হয়তো....

প্র: প্রেমটা কী করে হল?

উ: ঠিক প্রেম বলব না । ভাললাগাটা রয়েছে । তবে এখনও সিরিয়াস কিছু ভাবিনি ।

প্র: পরবর্তী প্ল্যান কী?

উ: ভাল একটা কাজের অপেক্ষা করছি । অন্যরকম কিছু চরিত্র যদি পাই । সব ধরণের রোল করার ইচ্ছা আমার ।

প্র: রাণি রাসমণি-তে আর দেখা যাচ্ছে না কেন?

উ: হ্যাঁ এখন আর আমাকে দেখা যাচ্ছে না। আসলে ওখানে ট্র্যাক কম পাচ্ছিলাম । তাই আমাকে বলা হল, এই মুহূর্তে একটু বসে যেতে । ওঁরা যে ভাবে মেঘনাদ’কে ভেবেছে সে ভাবে এখন লেখা আসছিল না । তাই সময়ের অপেক্ষা করছি । তবে ‘রাসমণি’র কাজ খুব মিস করছি ।

প্র: পিরিয়ড ড্রামাতেই বেশি দেখা যাচ্ছে... এর মধ্যে বিশেষ কোনও কারণ আছে?

উ: (হো হো করে হাসি) মনে হয়, আমার লম্বা চুল আর লুকসের কারণে। তবে আমার মন হয় পিরিয়ড ড্রামা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং । তখনকার কথাবার্তা, হাঁটাচলা, আচরণ সবটাই আলাদা ।

প্র: বিয়ের প্ল্যান আছে নাকি?

উ: না...এই মুহূর্তে একেবারেই নয় । আগে কেরিয়ারটা পোক্ত করতে চাই ।

প্র: ইন্ডাস্ট্রিতে আসা কীভাবে? এই পেশা কেন?

উ: আসলে ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল অভিনয় করব । স্কুলে শিক্ষকরা জিজ্ঞাসা করলেও এটাই বলতাম । তাই পড়াশোনা করতে করতেই চেষ্টা শুরু করি । আগে ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতাম । ব্যাকগ্রাউন্ড আর্টিস্ট ছিলাম । ধীরে ধীরে, ধাপে ধাপে এই জায়গায় পৌঁছেছি । আরও অনেকটা পথ চলা বাকি ।

প্র: একজন তথাকথিত আউটসাইডার হয়ে কোনও অসুবিধা হয়েছে পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে?

উ: (একটু থেমে) হ্যাঁ হয়েছে। এটা সকলকেই করতে হয় । একদিনে কিছুই পাওয়া যায় না । এর জন্য প্রচণ্ড পরিশ্রম লাগে । তবে দেবদা, অঙ্কুশ দা...এঁরাও কিন্তু তথাকথিত আউটসাইডার । তবু নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে । প্রচণ্ড পরিশ্রম আর জেদ থাকলে সবই সম্ভব । আমি ওঁদের দেখে প্রতিদিন অনুপ্রেরণা পাই ।

Published by: Simli Raha
First published: September 12, 2020, 1:30 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर