পরিবারে, সমাজে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারি না : অপরাজিতা আঢ্য

পরিবারে, সমাজে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারি না : অপরাজিতা আঢ্য
photo source collected

টেলিভিশন শো থেকে একের পর এক ছবি। সঙ্গে চলছে টেলিফিল্মের শ্যুটিং। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত ব্যস্ত তিনি। দক্ষিণ কলকাতার এক হেরিটেজ বিল্ডিংয়ে চলছিল তাঁর শ্যুটিং। পরণে কালো পাড়, অফ হোয়াইট জমির শাড়ি। পালঙ্কের উপর বসে শট দিচ্ছিলেন। ঘরের বাইরে থেকে কমান্ড এল , “কাট। এক্সেলেন্ট।” শট দিয়ে সামনের চেয়ারে এসে বসলেন অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য। শুরু হল আড্ডা।

  • Share this:

#কলকাতা: মুম্বই থেকে কাজ করে টলিউডে ফেরার পর অপরাজিতা আঢ্য নাকি কাজ বাছার ক্ষেত্রে আরও বেশি খুঁতখুঁতে হয়ে গিয়েছেন

তেমন কিছু ব্যাপার নয়। আমি বরাবরই অভিনয় পিপাসু। নতুন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করার খিদেটা সব সময়ই ছিল আর থাকবেও। খারাপ চরিত্রে অভিনয় করতে ভাল লাগে না। আমি চরিত্র বাছার ব্যাপারে একটু ভাবনা-চিন্তা করি। এর সঙ্গে মুম্বইয়ে আসা-যাওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই।

অপরাজিতা আঢ্যর কাছে স্বাধীনতা কী?

আমার কাছে স্বাধীনতার মানেটা অনেক বড়। কেননা আমার দিদিমা ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। উনি মাস্টারদা সূর্য সেনের ছাত্রী ছিলেন। উনি ঢাকার প্রথম মহিলা, যিনি ম্যাট্রিকে ফার্স্ট হয়েছিলেন। স্বাধীনতা হল বিরাট বলিদান । কত মানুষের মৃত্যু, আত্মত্যাগের বিনিময়ে এসেছিল এই স্বাধীনতা। এর পিছনে দিনের পর দিন কত মানুষের অত্যাচার সহ্য করার কাহিনি রয়েছে। দিদিমারই এক বান্ধবীকে যে কী অকথ্য অত্যাচার তা শুনে কেঁদে ফেলেছিলাম। উনি একজন ইনফর্মার ছিলেন। আর তিনি ধরা পড়ে যাওয়ায় ওনার গোপনাঙ্গে দিনের পর দিন লঙ্কাবাটা ঘষে দেওয়া হত। এই একটার কথা বললাম। এমন হাজার হাজার ঘটনা রয়েছে স্বাধীনতার পিছনে। তাই স্বাধীনতা আমার কাছে একটা আবেগ। বেলুন উড়িয়ে, পায়রা উড়িয়ে, নাচ-গান করা নয়।

কখনও মনে হয়েছে যে তোমার স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে?

Loading...

আমরা তো চূড়ান্ত পরাধীন । অন্তত আমি তো তাই মনে করি। কারণ আমাদের কোনও বাক স্বাধীনতা নেই। একটা মানুষ স্বাধীনভাবে কোথাও কথা বলতে পারে না। না নিজের পরিবারে, না সমাজে। সুতরাং স্বাধীন কোথায় হলাম।

First published: 08:48:33 PM Aug 15, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर
Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com