corona virus btn
corona virus btn
Loading

গুলাবো সিতাবো-র পথেই হাঁটবে টলিউড? OTT-তে ছবি মুক্তি নিয়ে বললেন রাজ, বিরসা

গুলাবো সিতাবো-র পথেই হাঁটবে টলিউড? OTT-তে ছবি মুক্তি নিয়ে বললেন রাজ, বিরসা

বিরসা দাশগুপ্তের মতামত একটু ভিন্ন। তাঁর কথায়, ‘সরকার হল না খুললে ছবি বানানোর তো প্রশ্নই ওঠে না।

  • Share this:

অনলাইনে মুক্তি পেতে চলেছে অমিতাভ বচ্চন ও আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত ‘গুলাবো সিতাবো’। বলিউড, ডিজিটাল রিলিজের তেতো ওষুধটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও গিলে ফেলেছে। কী ভাবছেন টলিউডের পরিচালকেরা?

রাজ চক্রবর্তীর ছবি ‘ধর্মযুদ্ধ’ একেবারে তৈরি। মুক্তি সম্ভব নয়, তাই আটকে রয়েছে। রাজ বললেন,  ‘আমার কাছে অনেক বড় সংস্থা থেকেও ধর্মযুদ্ধ ওয়েবে বিক্রি করার প্রস্তাব এসেছে। ৩ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল এই ছবি। আমার পরের ছবিটাও তৈরি। তবুও ডিজিটালে ধর্মযুদ্ধ মুক্তি পাক এটা আমি এখনও চাইছি না।’

রাজের বেশ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তবুও আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে চান তিনি। পরিচালক মনে করেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোরও কনটেন্টের প্রয়োজন, এই মুহূর্তে, ওরা ফিনিশড ছবি কিনতে চাইবে। তিনি মনে করেন বলিউড অনেক বড় ইন্ডাস্ট্রি। ওঁদের কাছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেরও অপশন অনেক বেশি।

রাজের কথায়,  ‘ওয়েবে ছবির সিনেমাটিক ভ্যালু কিছুটা হলেও নষ্ট হয়। ধর্মযুদ্ধ বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার মতো ছবি। থিয়েটারে ছবি রিলিজ করার একটা আলাদা আনন্দ আছে। সকলে একসঙ্গে এসে ছবি দেখেন। প্রশংসা করেন। অর্থ ছাড়াও পরিচালকের কাছে এই প্রাপ্তির দাম অনেক। যখন সিনেমা হল গুলো খুলবে তখনও তো একটা ভাল ছবির প্রয়োজন হবে। আমার ছবিটা বরং সেই জন্যই তোলা থাক। শ্যুটিং হচ্ছে না, সিনেমা হলগুলো খোলার পর যদি মুক্তির জন্য ছবি না থাকে, তাহলে সিনেমা হল গুলোরও খুব ক্ষতি হয়ে যাবে। সিনেমা হল না বাঁচলে আমরাও বাঁচবো না। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আমরা নিশ্চয়ই পরীক্ষামূলক কাজ করবো। কিন্তু সিনেমা হল গুলোকেও বাঁচাতে হবে আমাদেরকেই। টাকা পেলাম আর ওটিটি-তে ছবি বিক্রি করে দিলাম তারপর কী?’ প্রশ্ন রাখলেন রাজ।

বিরসা দাশগুপ্তের মতামত একটু ভিন্ন। তাঁর কথায়, ‘সরকার হল না খুললে ছবি বানানোর তো প্রশ্নই ওঠে না। ছবি মুক্তি পাওয়ারও সম্ভবনা নেই। সব প্রযোজনা সংস্থা ছবি জমিয়ে রাখার মতো আর্থিক স্থিতিতে নেই। তাই ডিজিটাল একা বিকল্প। কিন্তু আমার মনে হয় বছর খানেকের মধ্যে থিয়েটার খুলে যাবে। আমি আশাবাদী।’

বিরসা আরও বললেন, ‘আমরা ছবি বানাই, তারপর সেটা থিয়েটারে যায়। তার পরেরে স্টেপ টিভি-তে দেখানো। সবশেষে ওটিটি। আগের স্টেপগুলো না হলে তো টিভি বা ওটিটি ছাড়া রাস্তা নেই। রোজগার প্রয়োজন, নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল। সত্যি কথা বলতে আমাদের আসল ব্যবসাটা হয় টিভিতে রাইটস বেচে ও ওটিটি-তে। বাংলা ছবি যদি টিকিট বেচে লাভ করতে পারতো, তাহলে আমরা সবাই আরও অনেক ছবি বানাতাম।’

বিরসা মনে করেন বড় ছবি, মানে সৃজিতের ‘কাকাবাবু’, দেবের ‘গোলোন্দাজ’ বা হিন্দিতে, রোহিত শেট্টির ছবি বা ‘ব্রহ্মাস্ত্র’-এর মতো বড় গ্যাংজার ছবির হলে মুক্তি প্রয়োজন। কোটি কোটি টাকা লগ্নি হয় এই ছবিতে। কম বাজেটের ছবি ওটিটি-তে মুক্তি পেলে ব্যবসার দিক থেকে তেমন ক্ষতি হবে না। পরিচলকের কথায়, ‘ব্যবসার ক্ষেত্রে হয়তো এটা মেনে নিতে হবে কিন্তু আমরা ছবি বানাই বড় পর্দার জন্য। সেখানে ছবি মুক্তি না পাওয়াটা খুব কষ্টের। দু-তিন বছর ধরে সকলকে বলছিলাম ওটিটি-ই ভবিষ্যত্‍। করোনা নামে মহামারি সেটায় শিলমোহর লাগিয়ে দিল।’

Published by: Arindam Gupta
First published: May 14, 2020, 10:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर