#RanjiTrophy: রঞ্জি ফাইনালে বাংলা, আবেগে ভাসলেন আবির, রাহুল, ইন্দ্রাশিস! কৃতিত্ব সৌরভকেও

#RanjiTrophy: রঞ্জি ফাইনালে বাংলা, আবেগে ভাসলেন আবির, রাহুল, ইন্দ্রাশিস! কৃতিত্ব সৌরভকেও
Photo Courtesy: Facebook

১৩ বছর পর রঞ্জির ফাইনালে বাংলা। উচ্ছ্বাসে ভাসছে বাংলার ক্রিকেট মহল। ক্রিকেট প্রেমীরা হয়ে পড়েছেন আবেগপ্রবণ। বাদ নেই ক্রিকেট ভক্ত টলি তারকারাও।

  • Share this:

#কলকাতা: ১৩ বছর পর রঞ্জির ফাইনালে বাংলা। উচ্ছ্বাসে ভাসছে বাংলার ক্রিকেট মহল। ক্রিকেট প্রেমীরা হয়ে পড়েছেন আবেগপ্রবণ। বাদ নেই ক্রিকেট ভক্ত টলি তারকারাও। জিমে ফিটনেস চর্চার মাঝেই নিউজ ১৮ বাংলাকে আবির চট্টোপাধ্যায় জানালেন 'দারুণ খুশির দিন'। ৩০ বছর আগে সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার রঞ্জি জয়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে তার। আবিরের কথায় ' ইডেনে সেবার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এর অভিষেক হয়েছিল। আজকের কোচ আরুণলাল সেদিন দারুণ খেলে অপরাজিত ছিলেন।  এবারও রঞ্জি জেতার দাবিদার । বাংলার পেস বোলিং ভালো। দলটা তরুণ। ঋদ্ধি ফাইনাল খেলতে পারে। এটা ভালো খবর।'  আবির আবার ঘরোয়া ক্রিকেটকে এতটা গুরুত্ব দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন বাংলার মহারাজকে। তাঁর মতে 'আইপিএল টি টোয়েন্টি হোক, তবে রঞ্জিতে বা ঘরোয়া ক্রিকেটে নজর দেওয়া দরকার। দাদা এটা করছে , সি এ বি র দায়িত্বে থাকা সময়ও করেছে। যার ফল বাংলার ক্রিকেট  এখন পাচ্ছে। '

অভিনেতা রাহুল আবার মঙ্গলবার সকাল থেকেই নজর রেখেছিলেন টিভির সেটে। ফাইনালেও বাংলা ভালো খেলবে আশাবাদী রাহুল। রাহুলের মতে বাংলার বোলিং ইউনিট দারুণ। কর্ণাটক টিমে লোকেশ রাহুল, করুণ নায়ার , মণীশ পান্ডের মতো ক্রিকেটার ছিলেন । তারপরেও এরকম পারফরম্যান্স ভাবা যায় না । তবে রাহুল জানালেন ' আলাদা করে অনুষ্টুপের কথা বলতেই হবে । যেখানে ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ সেখানে টেলেন্ডার দের নিয়ে অনুষ্টুপের ১৪৯ এর কোনও তুলনা হয় না। '  আবিরের মতো রাহুলের কথাতেও ১৯৯০ এর রঞ্জি ফাইনালের কথা।' বাংলা যখন শেষবার রঞ্জি ম্যাচ জেতে তখন আমার মাত্র ৭ বছর বয়স। ম্যাচটার কথা মনে আছে। স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের জায়গায় সৌরভ খেলেছিল । যেটা পরবর্তীতে লোকগাথায় ঢুকে গেছে । তখন না বুঝলেও পরে বুঝেছি। ফাইনাল পুরো দেখব। মানোজদার চোটটা নিয়ে চিন্তা আছে। তবে ব্যাটিং ইউনিটকে ভালো খেলতে হবে। ঘরোয়া ক্রিকেটে যেভাবে বোর্ড টাকা ঢালছে তা প্রশংসার দাবি রাখে। সেই সঙ্গে সেমিফাইনাল, ফাইনালে ডি আর এস চালু করা অভিনব ব্যাপার। এমন একজন বোর্ড প্রেসিডেন্ট পেয়েছি যে খাতায় কলমে নয় মাঠে নেমে ঘাম ঝরিয়েছে।  আশা করি দাদা নতুন দিশা দেবে ভারতীয় ক্রিকেটকে , যেভাবে দিচ্ছেন বাংলার ক্রিকেটকে।'

নিজে ক্রিকেট খেলতেন, এখনও সময় পেলে খেলেন। অভিনেতা ইন্দ্রাশিসের কাছে এই জয় আনন্দের এবং গর্বের। তার দাবি, তিনি জানতেন ' সকালে দেবদূত পাড়িক্কাল আউট হলে জিতব ।তাই হয়েছে। পুরো টিমটাই দারুণ খেলেছে। ঋদ্ধি বিশ্বের সেরা উইকেট কিপার এখন। অথচ নিউজিল্যান্ড গিয়ে বসিয়ে রেখেছে। কোথাও এটা একটা জবাব । বাংলাতেও ভালো ক্রিকেটার রয়েছে। যারা রাজ্য বা দেশকে ম্যাচ জেতাতে পারে। '  ইন্দ্রশিসের আরও দাবি, ' ঘরোয়া ক্রিকেট তো কেউ দেখে না । সকলের কাছে অনুরোধ খেলা দেখুন । ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য দাদা ও প্রাক্তন ক্রিকেটাররা চেষ্টা করে যাচ্ছেন । রঞ্জিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন দাদা। এটাই হওয়া উচিত।  সি এ বির অবদানও কম নয় আজকের জয়ে। সেরা টিম কর্ণাটক কে হারিয়েছি , যাদের দেখলে ভারত এ বা বি টিম বলাই যায়। তাই আশা করছি ফাইনালও জিততে পারব। '

First published: March 4, 2020, 9:12 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर